মুসলিম
সাধনার নিয়ম
আজ আমি মুসলিম সাধনার নিয়ম বলছি এর দ্বারা জিন, পরী, হামজাদ, পীর, জিন্নাত ইত্যাদির সাধনা করা হয় ।
এই সাধনা সর্বদা বজ্রাসনে করা হয় এর
জন্য 2 থেকে 3 ঘন্টা বজ্রাসনে বসার অভ্যাস থাকা জরুরি ।
মুসলিম সাধনায় জপের সময় মালা সর্বদা বাম হাতে বাইরের দিকে করে ঘোরাতে হয় অর্থাৎ মালার দানা গুলিকে আঙ্গুলের
থেকে বাইরের দিকে ঘুরাতে হয় হিন্দু নিয়মে মালা ভেতরের দিকে ঘোরানো হয় ।
এই মালা সর্বদা উল্টো হাত অর্থাৎ বাহাতে নিয়ে জপ করা হয় ।
কিছু সাধনায় ওযু করা হয় আবার কিছু সাধনায় স্নান করা হয় ।
সাধনা এবং পূজা শুরু করার আগে সর্বদা বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম
এর জপ করে তারপর সাধনা এবং পূজা শুরু করতে হয় ।
মুসলিম সাধনা সম্বন্ধিত পীর ফকির ইত্যাদির পূজা দেওয়া হয় ।
জিন সাধনা তে জিনের বাদশার পূজা দেওয়া হয় ।
তাড়াতাড়ি সফলতা পাওয়ার জন্য বাবা আদম এবং মা হওয়া এর পূজা
করা উচিত ।
প্রত্যেক বৃহস্পতিবার কোন দরর্গা বা মাজারে গিয়ে পাঁচটা ধূপকাঠি
কিছু প্রসাদ এবং সবুজ রঙের চাদর চড়ানো উচিত ।
৫ অথবা ৭ জন ফকির কে ভজন করানো উচিত ।
এই সাধনা পশ্চিম মুখ হয়ে করতে হয় ।
কোন সাধনা সম্বন্ধিত সমস্যা হলে আপনি ৫টি দ্বীপ জ্বালিয়ে পঞ্চায়েত কে নিমন্ত্রণ দিন আর উনাদের নিজের সমস্যা বলুন
তো সমস্যা অতি শীঘ্রই সমাধান হবে ।
একে পঞ্চায়েত বসানো বলা হয় ।
এনাদের বসিয়ে আপনি পঞ্চ তন পাকের দোয়া দিন আপনার সমস্যা শেষ
হয়ে যাবে ।
এই জপ হাকিক মালা বা তসবি মালা দিয়ে করা হয় ।
তসবি মালা দ্বারা আপনি যেকোন মুসলিম
সাধনা করতে পারেন ।
মিষ্টি পানের প্রয়োগ ও আপনি এই সাধনায় করতে পারেন ।
কিছু সাধনাতে পেঁয়াজ-রসুন বন্ধ রাখা হয় ।
পাক জিন জিনাক ৫ সময় নামাজী হয় তাই তাদের নামাজের সময় বলা বা ডাকা উচিত নয় এবং বলা হলেও বা ডাকা হলেও উনারা আসেন না ।
যদিও সমস্ত সাধনা গুপ্ত রাখা হয় কিন্তু এনাদের সাধনা
সম্পূর্ণরূপে গুপ্ত রাখা হয় ।
এছাড়াও সাধককে দরুদ শরীফ, আয়াতুল
কুরসি ও চার কুল জানা উচিত ।
প্রস্রাব করে লিঙ্গ খুব ভালো করে ধুয়ে নেওয়া উচিত ।
সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র
https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com
দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন ।
Contact: 7980327001 / 9804582218
No comments:
Post a Comment