সাধনার
সময় জানা কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
সাধনা করার সময় সর্বদা সুরক্ষা কবচ করুন ।
বিনা কবচে ঘরের থেকে বাইরে, শ্মশান এবং কোনো উগ্র সাধনা করা
উচিত নয় ।
ঘরের মধ্যে নর্মাল সাধনা করার সময় কবচ না করলেও কোনো সমস্যা
নেই, ঘরের পিতরো, কুলদেব/দেবী ইত্যাদির শক্তি অধিক হয়, নর্মাল সাধনা হয়ে যায় ।
কিন্তু বাকী প্রত্যেক সাধনাতে কবচ করা জরুরি ।
আর সাধনা করার সময় সমস্ত পূজন সামগ্রী সুরক্ষা ঘেরার মধ্যে
রাখা উচিত এবং সমস্ত পূজা পাঠ, ভোগ, জপ সুরক্ষা ঘেরার মধ্যেই করা উচিত ।
সুরক্ষা ঘেরার মধ্যে বা কবচের মধ্যে শক্তি কিভাবে ভোগ নেবে
সেটা নিয়ে আপনার কোনো মাথা ব্যাথা করার দরকার নেই । কিন্তু কোনোভাবেই ঘেরার বাইরে যাওয়া
যাবে না ।
সাধনার সময় যে অনুভব হয় তা কাউকেই বলা যাবে না ।
কিছু শক্তিরা স্বয়ং গুরুকেও বলতে মানা করে দেয় তো যদি সেটা
নর্মাল বিষয় হয় তাহলে গুরুকেও বলা উচিত নয় । কিছু কথা গুরুর থেকেও গোপন রাখতে হয় ।
সাধককে এটা ভুল বুঝলে চলবে না ।
আমি শক্তির দ্বারা হওয়া বিষয়ের কথা বলছি ।
যেমন অপ্সরা পরী ইত্যাদি শারীরিক সম্পর্ক করে থাকে । এই কথা
গুরুকে বলাই উচিত নয় ।
গুরু সব কিছুই জানে ।
গুরুর থেকে কোনো কিছুই গোপন থাকে না ।
শুধু নিজের মুখে কিছু বলা উচিত নয় ।
তবুও কোনো প্রকারের অবৈধ কিছু চেয়ে বসে তাহলে সাথে সাথেই গুরুর
সাথে আলোচনা করে নেওয়া উচিত ।
যেমন জ্বীন নিজের জাতির পরিচয় নিজের সাধককে ছাড়া অন্য কারোর
সামনে বললে অসন্তুষ্ট হয় ।
গুরুকেও ।
সাধনা সিদ্ধ হবার পর অনেক বেশি সাবধানতা বজায় রাখতে হয় ।
যেখানে সেখানে শক্তির প্রদর্শন করা উচিত নয় ।
খুব বেশি প্রয়োজন হলে তবেই চমৎকার দেখানো উচিত ।
এমনি সময় স্বাভাবিক থাকা উচিত ।
কিন্তু যদি কেউ গুরু, ইষ্ট, তন্ত্রকে দোষ দেয় তখন দেখানো আবশ্যক
হয়ে যায় ।
যখন জল গড়াতে গড়াতে অনেক দূর গড়িয়ে যায় তখন দেখিয়ে দেওয়া দরকার
যে তুমি কোন গুরুর শিষ্য ।
মনে রাখবেন সহন শক্তি থাকা ভালো কিন্তু দূর্বল হলে হবে না ।
তন্ত্র আপনাকে শক্তি দেবে কিন্তু দূর্বল হলে চলবে না ।
কোনো দেব/দেবীর বলার পর গুরুর থেকে গোপন করা সেটা আলাদা ব্যাপার
। কিন্তু ইচ্ছা করে বুঝে শুনে গুরুকে ধোকা দেওয়া কথা গোপন করা খুবই খারাপ বিষয় ।
মনে রাখবেন কাউকে গুরু না করুন কিন্তু করলে কখনও সন্দেহ করবেন
না ।
যদি কোনো ধান্দাবাজের চক্কোরে পড়েন তাহলে গুরুকে বলে সোজাসুজি
না করে দিন এবং দ্বিতীয় কোনো যোগ্য গুরুর খোঁজ করুন ।
যদি কখনও ধান্দাবাজের চক্কোরে কোনো বোকাকে ভূল করে গুরু বানিয়ে
নেন তো তার চক্করে ৮৪ লাখ যোনি পার করে আসা মনুষ্য জন্ম বেকার করে দেয় এই বলে যে একটি
মাত্র গুরুই বানানো যায় ।
আমি এটা মানি না, না জানি জীবনে আমরা কত কারোর থেকে কত কিছুই
না শিখি ।
এমনকি মৃত্যুর আগে অবধি আমরা শিখতেই থাকি ।
তো মানলে সে গুরু না মানলে নয় ।
আজকাল তো অনন্য লীলা তবুও এটাই বলব আপনি মুক্ত তাই নিজেকে বাঁধবেন
না ।
যতক্ষন না অবধি যোগ্য গুরু না পাওয়া যায় ততক্ষন অবধি চেষ্টা
করে যান ।
তন্ত্র ভুল নয় শুধু এর প্রয়োগ সাবধানতার সাথে করলে তন্ত্র দ্বারা
খারাপ না করলে এটা অনেক উত্তম এবং সর্বশ্রেষ্ঠ বিদ্যা ।
এর প্রয়োগ আজকাল লোক ঠকানোর জন্য এবং মানুষকে বোকা বানানোর
জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে সেটা আলাদা কথা ।
সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র
https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com
দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন ।
Contact: 7980327001 / 9804582218
No comments:
Post a Comment