HTML Slides

Tuesday, July 19, 2022

শিব তান্ডব স্তোত্রম্‌

শিব তান্ডব স্তোত্রম্‌


জটাটবীগলজ্জলপ্রবাহপাবিতস্থলে

গলেবলংব্য লংবিতাং ভুজংগতুংগমালিকাম্ |

ডমড্ডমড্ডমড্ডমন্নিনাদবড্ডমর্বযং

চকার চংডতাংডবং তনোতু নঃ শিবঃ শিবম্ 1

জটাকটাহসংভ্রমভ্রমন্নিলিংপনির্ঝরী-

-বিলোলবীচিবল্লরীবিরাজমানমূর্ধনি |

ধগদ্ধগদ্ধগজ্জ্বলল্ললাটপট্টপাবকে

কিশোরচংদ্রশেখরে রতিঃ প্রতিক্ষণং মম 2

ধরাধরেংদ্রনংদিনীবিলাসবংধুবংধুর

স্ফুরদ্দিগংতসংততিপ্রমোদমানমানসে |

কৃপাকটাক্ষধোরণীনিরুদ্ধদুর্ধরাপদি

ক্বচিদ্দিগংবরে মনো বিনোদমেতু বস্তুনি 3

জটাভুজংগপিংগলস্ফুরত্ফণামণিপ্রভা

কদংবকুংকুমদ্রবপ্রলিপ্তদিগ্বধূমুখে |

মদাংধসিংধুরস্ফুরত্ত্বগুত্তরীযমেদুরে

মনো বিনোদমদ্ভুতং বিভর্তু ভূতভর্তরি 4

সহস্রলোচনপ্রভৃত্যশেষলেখশেখর

প্রসূনধূলিধোরণী বিধূসরাংঘ্রিপীঠভূঃ |

ভুজংগরাজমালযা নিবদ্ধজাটজূটক

শ্রিযৈ চিরায জাযতাং চকোরবংধুশেখরঃ 5

ললাটচত্বরজ্বলদ্ধনংজযস্ফুলিংগভা-

-নিপীতপংচসাযকং নমন্নিলিংপনাযকম্ |

সুধামযূখলেখযা বিরাজমানশেখরং

মহাকপালিসংপদেশিরোজটালমস্তু নঃ 6

করালফালপট্টিকাধগদ্ধগদ্ধগজ্জ্বল-

দ্ধনংজযাধরীকৃতপ্রচংডপংচসাযকে |

ধরাধরেংদ্রনংদিনীকুচাগ্রচিত্রপত্রক-

-প্রকল্পনৈকশিল্পিনি ত্রিলোচনে মতির্মম 7

নবীনমেঘমংডলী নিরুদ্ধদুর্ধরস্ফুরত্-

কুহূনিশীথিনীতমঃ প্রবংধবংধুকংধরঃ |

নিলিংপনির্ঝরীধরস্তনোতু কৃত্তিসিংধুরঃ

কলানিধানবংধুরঃ শ্রিযং জগদ্ধুরংধরঃ 8

প্রফুল্লনীলপংকজপ্রপংচকালিমপ্রভা-

-বিলংবিকংঠকংদলীরুচিপ্রবদ্ধকংধরম্ |

স্মরচ্ছিদং পুরচ্ছিদং ভবচ্ছিদং মখচ্ছিদং

গজচ্ছিদাংধকচ্ছিদং তমংতকচ্ছিদং ভজে 9

অগর্বসর্বমংগলাকলাকদংবমংজরী

রসপ্রবাহমাধুরী বিজৃংভণামধুব্রতম্ |

স্মরাংতকং পুরাংতকং ভবাংতকং মখাংতকং

গজাংতকাংধকাংতকং তমংতকাংতকং ভজে 10

জযত্বদভ্রবিভ্রমভ্রমদ্ভুজংগমশ্বস-

-দ্বিনির্গমত্ক্রমস্ফুরত্করালফালহব্যবাট্ |

ধিমিদ্ধিমিদ্ধিমিধ্বনন্মৃদংগতুংগমংগল

ধ্বনিক্রমপ্রবর্তিত প্রচংডতাংডবঃ শিবঃ 11

দৃষদ্বিচিত্রতল্পযোর্ভুজংগমৌক্তিকস্রজোর্-

-গরিষ্ঠরত্নলোষ্ঠযোঃ সুহৃদ্বিপক্ষপক্ষযোঃ |

তৃষ্ণারবিংদচক্ষুষোঃ প্রজামহীমহেংদ্রযোঃ

সমং প্রবর্তযন্মনঃ কদা সদাশিবং ভজে 12

কদা নিলিংপনির্ঝরীনিকুংজকোটরে বসন্

বিমুক্তদুর্মতিঃ সদা শিরঃস্থমংজলিং বহন্ |

বিমুক্তলোললোচনো ললাটফাললগ্নকঃ

শিবেতি মংত্রমুচ্চরন্ সদা সুখী ভবাম্যহম্ 13

ইমং হি নিত্যমেবমুক্তমুত্তমোত্তমং স্তবং

পঠন্স্মরন্ব্রুবন্নরো বিশুদ্ধিমেতিসংততম্ |

হরে গুরৌ সুভক্তিমাশু যাতি নান্যথা গতিং

বিমোহনং হি দেহিনাং সুশংকরস্য চিংতনম্ 14

পূজাবসানসমযে দশবক্ত্রগীতং যঃ

শংভুপূজনপরং পঠতি প্রদোষে |

তস্য স্থিরাং রথগজেংদ্রতুরংগযুক্তাং

লক্ষ্মীং সদৈব সুমুখিং প্রদদাতি শংভুঃ 15

 

সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

Thursday, May 12, 2022

রতি বিলাসী অপ্সরা সাধনা


রতি বিলাসী অপ্সরা সাধনা


এই সাধনা অনেক তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয়ে যায় ।

আপনারা এনাকে বন্ধু বা প্রেমিকা রূপে সিদ্ধ করতে পারেন, সাধিকারা এনাকে বোন বা বান্ধবী রূপে সিদ্ধ করতে পারেন ।

ইনি খুবই সুন্দরী অপ্সরা ।

যদি উনি পুরোপুরি খুশি হয়ে যায় তো স্ত্রী রূপেও সিদ্ধি করতে পারেন ।

ইনি ধন, সম্পদ ও বৈভব দেন এবং প্রসন্ন হয়ে গেলে রতি সুখ দিয়ে খুশি ও সুখী করেন । উনি সবসময় হাসিখুশি হয়ে থাকেন । এনার সাধনা করার পর সাধক সর্বদাই হাশি খুশি হয়ে থাকতে পারে ।

আমি এই সাধনা আমার সাধক জীবনে করে বিশেষ কিছু কারণে বেশি দিন নিজের হাতে রাখতে পারিনি ।

এনার বিসর্জন ও খুবই সামান্য ভাবে হয়ে যায় ।

ইনি পরিবারে কোন রকম কোনো সমস্যা করে না উল্টে আপনার সকল কার্যে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে আপনাকে সাহায্য করে এবং সর্বদাই প্রাণবন্ত ও যৌবন ধরে রাখতে সাহায্য করেন ।

ইনি বেশিরভাগ সময় লাল বা গোলাপী রঙের লেহেঙ্গা চুন্নী পড়ে থাকতে দেখতে পাওয়া যায় । এনার ঠোঁটে একটা হালকা মিষ্টি হাসি সর্বদা থাকে ।

এনার শব্দ অনেক মধুর ও আস্তে হয় ।

ইনি আসেপাশে থাকলে পরে একটা হালকা সুগন্ধি হাওয়া চলতে থাকে এই সুগন্ধি আসেপাশে দাঁড়ানো লোকেরাও অনুভব করতে পারে ।

আজ পর্যন্ত দেওয়া বা জানা অপ্সরার মধ্যে ইনি দ্বিতীয় স্থানে প্রথম স্থানে আমার উর্বশী অপ্সরাই পছন্দ ।

এই সাধনা আপনারা সকলেই পূর্ণ শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও সত্যতার সাথে করুন । মাত্র এক বারেই সিদ্ধি হয়ে যাবে ।

আপনি এনার হয়ে দেখুন বাকি সব কিছুই উনি নিজের করে দেবেন ।

এই সাধনা মাত্র 3 দিনের, 3 দিনের মধ্যে সাধনা সফল হয় ।

সাধনার বিধি বিধান গোপনীয় । বিধি বিধান জানার বা করার প্রয়োজনে সম্পর্ক করুন ।

 

সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

 


Monday, May 9, 2022

কামেচ্ছী অপ্সরা সাধনা


এক দিবসের কামেচ্ছী অপ্সরা সাধনা



অনেক লোকের ও সাধকের চাওয়াতে আজ আমি এক দিবসের সাধনা দিচ্ছি যা যেকোনো সাধক সিদ্ধ করতে পারেন ।

এই অপ্সরা কেবলমাত্র একটি রাতেই সিদ্ধ হয়ে যায় ।

এই অপ্সরা সাধকের কামের ভাবে স্বতন্ত্র রূপে সিদ্ধ হয় এবং ইনি এসে সাধকের সাথে শারীরিক সম্পর্ক ও সম্বন্ধ স্থাপন করে ।

সেই সাথে নিজের বস্ত্র ও আভূষণ ওই স্থানেই ফেলে উলঙ্গ হয়ে চলে যায় ।

এনার থেকে ধন প্রাপ্তি ও কাম পূর্তি দুটোই হয়ে যায় ।

এই অপ্সরার কাম ও শারীরিক চাহিদা কখনো কোনো অবস্থাতেই শেষ হয় না তাই এনাকে কামেচ্ছী অপ্সরা বলা হয় ।


**সাধনা বিধি**


এই সাধনা যেকোনো অমাবস্যা, পূর্ণিমা, হোলি, দিপাবলী, রবি পুষ্যের রাতে, দশহরার রাতে করা যেতে পারে ।

সাধক সামান্য পরিমাণ গোলাপ জল মিশিয়ে স্নান করে লাল বা সাদা রঙের পরিষ্কার কাপড় পড়ুন ।

আতর লাগিয়ে নিন ।

শরীরের জায়গায় জায়গায় হালকা হালকা করে অরিজিনাল চন্দনের লেপ লাগিয়ে নিন ।

সাদা চন্দনের কাঠ নিয়ে গোলাপ জলে ঘষে ওটার লেপ লাগাতে হবে ।

লাল আসনের উপরে বসে উত্তর দিকে মুখ করে সাধনা করতে হবে ।

এই সাধনা বন্ধ গোপন কক্ষে করতে হবে ।

কক্ষের একটি পাশে বিছানা তৈরি করতে হবে এবং তার উপর গোলাপের পাপড়ি ভালো করে ছড়িয়ে দিতে হবে ।

সন্ধ্যায় গুরু, গনেশ, ইষ্ট, কুল দেব/দেবী, পিতর, স্থান দেব/দেবী ইত্যাদির পূজন করে সাধনার অনুমতি নিয়ে নিতে হবে ।

শিব, দূর্গার পূজা করতে হবে ।

রাতে কেবলমাত্র কামেচ্ছী অপ্সরার আবাহন করুন ।

বিছানায় বসার জন্য আসন দিন ।

তারপর ওনাকে মনে ও শরীরে কামের ভাবে ধ্যান করুন ।

পূজা দিতে হবে ।

গোলাপের আগরবাতি বা ধূপ বাতি,  ঘীয়ের প্রদীপ, কুমকুম, চন্দনের লেপ ওনাকে লাগানোর জন্য দিন ।

কম করে আড়াইশো গ্রামের বেশি মিঠাই কেশর মিশিয়ে দিতে হবে ।

বড়ো সাইজের মিঠাই দিতে হবে ।

সম্ভব হলে কাজু বরফি দিন ।

পানের জন্য পানীয় জল দিতে হবে মিষ্টি সরবত বানিয়ে ।

এরপরে চোখ বন্ধ করে ধ্যান করুন এবং ওনার সাথে কিছু মিনিট প্রেম পূর্ণ কথা বলুন ।

তারপর স্ফটিক মালাতে ৩১ মালা মন্ত্র জপ করতে হবে

পাঁচ মালার পরে কিছু অনুভূতি হওয়া শুরু হয়ে যাবে ।সাত মালার পরে ওনার চুড়ির শব্দ শুনতে পাওয়া শুরু হয়ে যাবে ।

ছন ছন শব্দ আসা শুরু হবে ।

সুগন্ধি আসা শুরু হবে ।

কক্ষের পরিবেশ ঠান্ডা এবং শান্ত হওয়া শুরু হয়ে যাবে ।

দূর্বল সাধকের ঘুমের ঝোক আসতে থাকবে ।

চোখ খোলার চেষ্টা করলেও চোখ খুলতে চাইবে না ।

কিন্তু এই সব কিছু সাধনা সফলতার লক্ষণ ।

২১ মালার পরে ওনার ছবি ঘরের মধ্যে ঘুরপাক খেতে শুরু হবে ।  ২৫ বা ২৭ মালার পরে সে প্রত্যক্ষ হয়ে আপনার সাথে মজা করে দুষ্টুমির সাথে ফাজলামি শুরু করে দেবে ।

 আরো এক বা দুই মালার পরে শরীরের মধ্যে ছোট পিঁপড়া কামড়ানোর মতো অনুভব হবে ।

যেটা আসলে ওনার নখের আঁচড় কাটা ছাড়া আর কিছু নয় ।

সাধকের উচিত এই সব কোন কিছুর প্রতি গুরুত্ব না দেওয়া এবং একাগ্রতার সাথে জপ করে যাওয়া ।

সাধনা সম্পূর্ণ হবার পর ওনার গলায় গোলাপ ফুলের মালা পরিয়ে দেওয়া ।

অপ্সরা কোলে এসে বসে জড়িয়ে বসে যাবে এবং প্রেম ভালোবাসার কথা বলতে শুরু করবে ।

সাধকের মনে অন্য রকম কোনো ইচ্ছা থাকে তাহলে অবশ্যই চেয়ে নেয় ।

এরপরে সোজা তাকে বিছানায় নিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে তাকে শারীরিক সুখ প্রদান করা ।

শারীরিক ক্রিয়া সম্পন্ন করে সে নিজের বস্ত্র ও আভূষণ ওই স্থানেই ফেলে চলে যাবে ।

তারপর সাথে সাথেই সাধকের সেই জিনিস গুলো নিজের কাজে গুছিয়ে নেওয়া ।

এই ক্রিয়া খুবই গুপ্ত ।

আপনি আরো অনেক রহস্যময় জিনিস জানতে পারবেন ।

যেই গুলো নিজের কাছেই সীমাবদ্ধ রাখা উচিত ।


**সাবধানতা**


এই সাধনা যেই কক্ষের মধ্যে করা হবে সেই কক্ষে কোনো প্রকারের দেব দেবীর ছবি এবং মূর্তি থাকবে না ।

এমনকি মৃতের ও কোনো প্রকার ছবিও থাকলে চলবে না ।

কক্ষে পর্যাপ্ত পরিমাণে জায়গা থাকতে হবে ।

রতি ক্রিয়ার জন্য বিছানা বড় হতে হবে ।

যেই দিন জপ করা হবে ওই দিন কোনো প্রকার কবচের জপ করা চলবে না ।

সাধনা সম্পূর্ণ শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের সাথে করা উচিত ।

যেই সাধকের আগে কখনো কোনো সাধনাতে অনুভব হয়েছে সে এই সাধনাতে নিশ্চিত ভাবে সফলতা পাবেন ।

মনে রাখবেন অপ্সরা আপনার থেকে প্রেম-ভালোবাসা এবং শারীরিক সুখ চায় ।

ওনাকে প্রেম ও সুখী করা সাধকের প্রধান কর্তব্য ।

এই  সাধনাতে যেই অনুভব লিখে আপনাদের জানানো হলো প্রায় এইরকম ধরনের  অনুভব বাকি সকল অপ্সরা সাধনাতে হয় ।

আপনাদের সকলের সাধনা সফল হোক এই আশা নিয়ে আমি গুরুজী সুপ্রতিম মন্ডল আপনাদের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছি ।


মন্ত্র জানতে ও সাধনা করতে চাইলে যোগাযোগ করুন ।

 

 

সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

 


Friday, March 18, 2022

রুদ্রাষ্টকম্

 

রুদ্রাষ্টকম্

 

নমামীশ মীশান নির্বাণরূপং বিভুং ব্যাপকং ব্রহ্মবেদ স্বরূপং ।
নিজং নির্গুণং নির্বিকল্পং নিরীহং চদাকাশ মাকাশবাসং ভজেহং ॥

নিরাকার মোংকার মূলং তুরীযং গিরিজ্ঞান গোতীত মীশং গিরীশং ।
করালং মহাকালকালং কৃপালং গুণাগার সংসারসারং নতো হং ॥

তুষারাদ্রি সংকাশ গৌরং গংভীরং মনোভূতকোটি প্রভা শ্রীশরীরং ।
স্ফুরন্মৌলিকল্লোলিনী চারুগাংগং লস্ত্ফালবালেংদু ভূষং মহেশং ॥

চলত্কুংডলং ভ্রূ সুনেত্রং বিশালং প্রসন্নাননং নীলকংঠং দযালুং ।
মৃগাধীশ চর্মাংবরং মুংডমালং প্রিযং শংকরং সর্বনাথং ভজামি ॥

প্রচংডং প্রকৃষ্টং প্রগল্ভং পরেশং অখংডং অজং ভানুকোটি প্রকাশং ।
ত্রযী শূল নির্মূলনং শূলপাণিং ভজেহং ভবানীপতিং ভাবগম্যং ॥

কলাতীত কল্যাণ কল্পাংতরী সদা সজ্জনানংদদাতা পুরারী ।
চিদানংদ সংদোহ মোহাপকারী প্রসীদ প্রসীদ প্রভো মন্মধারী ॥

ন যাবদ্ উমানাথ পাদারবিংদং ভজংতীহ লোকে পরে বা নারাণাং ।
ন তাবত্সুখং শাংতি সংতাপনাশং প্রসীদ প্রভো সর্বভূতাধিবাস ॥

নজানামি যোগং জপং নৈব পূজাং নতো হং সদা সর্বদা দেব তুভ্যং ।
জরাজন্ম দুঃখৌঘতাতপ্যমানং প্রভোপাহি অপন্নমীশ প্রসীদ! ॥


সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

Monday, February 28, 2022

শিবরাত্রি পূজা পদ্ধতি

 

শিবরাত্রি পূজা পদ্ধতি

 

সকালে স্নান সেরে শিবের পূজা করুন, পঞ্চোপচার পূজা করুন ।

তারপর শিবরাত্রিতে উপবাস ও ব্রত করার সংকল্প নিন ।

সংকল্পতে স্পষ্টভাবে বলুন, যে ব্রত জলাহার, ফলাহার বা নিরাহার যেমন প্রয়োজন তেমন হয়ে করবেন ।

সারাদিন ভজন গাইতে থাকুন ও *ওঁ নমঃ শিবায়* জপ করতে থাকুন ।

সন্ধ্যায় আবার শিবের পঞ্চোপচার পূজা করুন ।

প্রথম প্রহর

প্রথম প্রহরে দুধ দিয়ে স্নান করাতে হবে এই মন্ত্র বলে- "ওঁ নমঃ শিবায়, ওঁ হৌং ঈশানায় নমঃ" অথবা *ইদং স্নানীয়ং দুগ্ধং ওঁ হৌং ঈশানায় নমঃ* । এরপর গঙ্গাজলে স্নান করাতে হবে । স্নানের মন্ত্রটি হল

*ওঁ ত্র্যম্বকং যজামহে সুগন্ধিং পুষ্টিবর্ধনম্।*

*উর্বারুকামিব বন্ধনান্মৃত্যোর্মুক্ষীয় মামৃতাৎ।।*

শিব-গায়ত্রী পাঠ করুন *ওঁ তৎপুরুষায় বিদ্মহে মহাদেবায় ধীমহিতন্নো রুদ্রঃ প্রচোদয়াৎ*

তারপর চন্দন, চাল, কালো তিল, পদ্ম এবং কনের ফুল দিয়ে ভগবান শিবের পূজা করুন ।

*ওম্‌ ভবায় নমঃ*

*ওম্‌ শর্বায় নমঃ*

*ওম্‌ রুদ্রায় নমঃ*

*ওম্‌ পশুপতায় নমঃ*

*ওম্‌ উগ্রায় নমঃ*

*ওম্‌ মহানায় নমঃ*

*ওম্‌ ভীমায় নমঃ*                                                      

*ওম্‌ ঈশানায় নমঃ*

এই আটটি নাম জপ করুন

নৈবেদ্যতে খাবার বা ভোগ অর্পিত করুন

নারকেল ও পান দিয়ে অর্ঘ্য নিবেদন করুন । অর্ঘ্য মন্ত্র- *ওঁ শিবরাত্রি ব্রতং দেব পূজাজপপরায়ণঃ। করোমি বিধিবদ্দত্তং গৃহাণার্ঘ্যং মহেশ্বর*

*ওম্‌ নমঃ শিবায়* মন্ত্র জপ করুন


শিবের পঞ্চোপচার পূজা করুন।

দ্বিতীয় প্রহর

দ্বিতীয় প্রহরে দধি দিয়ে স্নান করাতে হবে এই মন্ত্র বলে- "ওঁ নমঃ শিবায়, ওঁ হৌং অঘোরায় নমঃ" " অথবা *ইদং স্নানীয়ং দধি ওঁ হৌং অঘোরায় নমঃ* । এরপর গঙ্গাজলে স্নান করাতে হবে । স্নানের মন্ত্রটি হল

*ওঁ ত্র্যম্বকং যজামহে সুগন্ধিং পুষ্টিবর্ধনম্।*

*উর্বারুকামিব বন্ধনান্মৃত্যোর্মুক্ষীয় মামৃতাৎ।।*

শিব-গায়ত্রী পাঠ করুন *ওঁ তৎপুরুষায় বিদ্মহে মহাদেবায় ধীমহিতন্নো রুদ্রঃ প্রচোদয়াৎ*

তারপর তিল, পদ্ম ফুল, বিল্বপত্রের সাহায্যে শিবের পূজা করুন।

ক্ষীরের নৈবেদ্য প্রদান করুন ।

বিজোড় লেবু দিয়ে অর্ঘ্য নিবেদন করুন । অর্ঘ্য মন্ত্র- *ওঁ নমঃ শিবায় শান্তায় সর্বপাপহরায় চ। শিবরাত্রৌ দদামর্ঘ্যং প্রদীদ উমায় সহ*

প্রথম প্রহরের তুলনায় *ওম্‌ নমঃ শিবায়* মন্ত্র দ্বিগুণ জপ করুন।


শিবের পঞ্চোপচার পূজা করুন।

তৃতীয় প্রহর

তৃতীয় প্রহরে ঘি দিয়ে স্নান করাতে হবে এই মন্ত্র বলে- "ওঁ নমঃ শিবায়, ওঁ হৌং বামদেবায় নমঃ" অথবা *ইদং স্নানীয়ং ঘৃতং ওঁ হৌং বামদেবায় নমঃ* । এরপর গঙ্গাজলে স্নান করাতে হবে । স্নানের মন্ত্রটি হল

*ওঁ ত্র্যম্বকং যজামহে সুগন্ধিং পুষ্টিবর্ধনম্।*

*উর্বারুকামিব বন্ধনান্মৃত্যোর্মুক্ষীয় মামৃতাৎ।।*

শিব-গায়ত্রী পাঠ করুন *ওঁ তৎপুরুষায় বিদ্মহে মহাদেবায় ধীমহিতন্নো রুদ্রঃ প্রচোদয়াৎ*

তারপর গম, আকন্দ ফুল, পদ্মফুল, বেলপাতা, তিল দিয়ে শিবকে পুনরায় পূজা করুন।

পুই য়ের নৈবেদ্য শাক প্রদান করুন ।

কর্পূর দিয়ে আরতি করুন ।

ডালিম ফল দিয়ে অর্ঘ্য নিবেদন করুন । অর্ঘ্য মন্ত্র- *ওঁ দুঃখ দারিদ্র্য শোকেন দগ্ধোহহং পার্বতীপ্রিয়। শিবরাত্রৌ দদাম্যর্ঘ্যং উমাকান্ত গৃহাণ মে*

দ্বিতীয় প্রহরের তুলনায় *ওম্‌ নমঃ শিবায়* মন্ত্র দ্বিগুণ জপ করুন।


শিবের পঞ্চোপচার পূজা করুন।

চতুর্থ প্রহর

চতুর্থ প্রহরে মধু দিয়ে স্নান করাতে হবে এই মন্ত্র বলে- "ওঁ নমঃ শিবায়, ওঁ হৌং সদ্যোজাতায় নমঃ" অথবা *ইদং স্নানীয়ং মধু ওঁ হৌং সদ্যোজাতায় নমঃ* । এরপর গঙ্গাজলে স্নান করাতে হবে । স্নানের মন্ত্রটি হল

*ওঁ ত্র্যম্বকং যজামহে সুগন্ধিং পুষ্টিবর্ধনম্।*

*উর্বারুকামিব বন্ধনান্মৃত্যোর্মুক্ষীয় মামৃতাৎ।।*

শিব-গায়ত্রী পাঠ করুন *ওঁ তৎপুরুষায় বিদ্মহে মহাদেবায় ধীমহিতন্নো রুদ্রঃ প্রচোদয়াৎ*

তারপর মাসকলাই এর ডাল, সপ্ত ধান্য, ধুতরা ফুল দিয়ে ভগবান শিবের পূজা করুন।

মাসকলাই এর ডাল বড় মিষ্টি নিবেদন করুন

কলা দিয়ে অর্ঘ্য নিবেদন করুন । অর্ঘ্য মন্ত্র- *ওঁ ময়া কৃতান্যনেকানি পাপানি হর শঙ্করঃ। শিবরাত্রৌ দদাম্যর্ঘ্যং উমাকান্ত গৃহাণ মে*

তৃতীয় প্রহরের তুলনায় *ওম্‌ নমঃ শিবায়* মন্ত্র দ্বিগুণ জপ করুন।                     

তারপর সকাল পর্যন্ত জপ করতে থাকুন ।

 

শিবরাত্রিতে শিবপূজার পুষ্পাঞ্জলি

১) *ওঁ শিবেহতি চন্দ্রচূড়েহতি শঙ্করহতি হরেহতি চ*

*পার্বতী প্রাননাথেহতি বদ্ জিহ্বে নিরন্তরম্ ।।*

*এষ পুষ্পাঞ্জলি ওঁ হৌং শিবায় নমঃ*


২) *ওঁ নমস্তে ভগবান রুদ্র ভাস্করামিত তেজসে*

*নমো ভবায় রুদ্রায় রসায়ান্মুময়ায় চ ।।*

*এষ পুষ্পাঞ্জলি ওঁ হৌং শিবায় নমঃ*


৩) *ওঁ মন্ত্রনাক্ষর হীনেন পুষ্পেণ বিফলেন চ*

*পূজিতোহসি মহাদেব তৎসর্বং ক্ষম্যতাং মম।।*

*এষ পুষ্পাঞ্জলি ওঁ হৌং শিবায় নমঃ*


৪) *ওঁ শর্বায় ক্ষিতিরুপায় সদাসুরভিনে নমঃ*

*পশূনাং পতয়ে তুভ্যং পাবকামিত তেজসে ।।*

*এষ পুষ্পাঞ্জলি ওঁ হৌং শিবায় নমঃ*


৫) *ওঁ অলিঙ্গ লিঙ্গ রুপায় রুপাতীতায় তে নমঃ*

*ত্বং মাতা সর্বলোকানাং ত্বমেব জগৎপিতাঃ ।।*

*এষ পুষ্পাঞ্জলি ওঁ হৌং শিবায় নমঃ*


সকালে আবার শিবের পূজা করুন

এবং পূজা বিসর্জন করুন ।

 

যে সমস্ত সাধক শিবলিঙ্গে পূজা করেন তাদের প্রত্যেক পূজায় দুধ, দই, ঘি, গঙ্গাজল, মাখন, আখের রস, জল, মধু ইত্যাদি দিয়ে শিবলিঙ্গকে স্নান করা উচিত বা যা কিছু পাওয়া যায় তাই দিয়ে করান।

পূজায় কোনো উপকরণ না পাওয়া গেলে যা পাওয়া যায় তাই দিয়ে পূজা করুন।

প্রথম প্রহরে ততবার জপ করতে পারেন যতটা চতুর্থ প্রহরে আট গুণ জপ হয় ।

যদি কোন ইচ্ছার জন্য পূজা করতে চান তবে আপনার সংকল্পে স্পষ্টভাবে বলুন, শিবের কৃপায় সেই ইচ্ছা শীঘ্রই পূরণ হবে।

প্রতিটি প্রহরে ধূপ দীপ দিতে হবে ।

পরিবারের সঙ্গে শিবরাত্রির পুজো করুন

স্ত্রীর সাথে কাজ করলে ইচ্ছা অবশ্যই পূরণ হয়।


সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

Thursday, February 17, 2022

জপ

জপ


*শাস্ত্রে আছে " জপাত: সিদ্ধি " - অর্থাৎ জপ দ্বারা সিদ্ধিলাভ হয়। ভগবানের কোনো নাম মন্ত্র বা গুরু মন্ত্র অনবরত বিভিন্ন ভাবে বা বিভিন্ন পদ্ধতিতে করার নাম জপ।

*শাস্ত্রানুসারে জপ ১১ প্রকারের পদ্ধতি দ্বারা করা যায়।

১.কায়িক জপ

২. বাচিক জপ

৩. উপাংশু জপ

৪. প্রাণীক জপ

৫. হার্দিক জপ

৬. মানসিক জপ

৭. ক্রিয়া জপ

৮. সুষুম্না জপ

৯. চক্র জপ

১০. অজপা জপ

১১. পশান্তি জপ

*প্রতিটি জপ পদ্ধতি পরস্পরের থেকে উন্নত। যেমন - কায়িক থেকে বাচিক , আবার বাচিক থেকে উপাংশু উন্নত - এই ভাবে প্রতিটি জপ পদ্ধতি পরস্পরের থেকে উন্নত। পশান্তি জপ পদ্ধতি পর্যন্ত একবার করতে পারলে জপ সাধনায় পূর্ণ সিদ্ধিলাভ হয় এবং শাস্ত্রের " জপাত: সিদ্ধি " কথাটি পূর্ণত্ব প্রাপ্ত হয়।

১. কায়িক জপ :

কায়িক জপ শব্দের অর্থ হলো - শারীরিক পরিশ্রম এর দ্বারা যে জপ করা হয় তাকে কায়িক জপ বলে। যেমন:- খোল-করতাল নিয়ে নাচতে নাচতে বা হেলে দুলে যে ভগবানের অনবরত নাম করা রুপি জপ করাকে কায়িক জপ বলে।

২. বাচিক জপ :

বাচিক জপ শব্দের অর্থ হলো- এক জায়গায় স্থির ভাবে বসে বসে অনবরত উচ্চারণ করে যে জপ করা হয় তাকে বাচিক জপ বলে।

৩. উপাংশু_জপ :

উপাংশু জপ শব্দের অর্থ হলো- এক জায়গায় স্থির ভাবে বসে শুধু নিজে শুনতে পাবে কিন্তু পাশে বসে থাকলেও কেও শুনতে পাবে না , এই রকম ভাবে অনবরত উচ্চারণ করে যে জপ করা হয় তাকে উপাংশু জপ বলে।

৪. প্রাণীক_জপ:

প্রাণীক জপ শব্দের অর্থ হলো - শাস্ত্রে কোনো কোনো জায়গায় শ্বাস কে প্রাণ বলা হয়েছে। এক জায়গায় স্থির ভাবে বসে জিভকে পূর্ণ রূপে স্থির রেখে শুধু শ্বাস- প্রশ্বাস এর দ্বারা জপ করাকে প্রাণীক জপ বলে।

৫. হার্দিক_জপ:

হার্দিক জপ শব্দের অর্থ হলো - এক জায়গায় স্থির ভাবে বসে জিভকে পূর্ণ রূপে স্থির রেখে শুধু , নিজের হৃদ-স্পন্দন শুনে ( কোনো প্রকারের যন্ত্রের সাহায্য না নিয়ে ), সেই নিজের হৃদ-স্পন্দন এর গতিতে যে জপ করা হয় তাকে হার্দিক জপ বলে।

৬. মানসিক_জপ :

মানসিক জপ শব্দের অর্থ হলো- এক জায়গায় স্থির ভাবে বসে শরীর ও জিভকে পূর্ণ রূপে স্থির রেখে শুধু নিজের স্নায়ুতন্ত্রের মধ্যে যে গতিমান মন ( কোনো প্রকারের যন্ত্রের সাহায্য না নিয়ে ) -সেই মনের গতির সংগে জপ করাকে মানসিক জপ বলে ।

৭. ক্রিয়া_জপ :

ক্রিয়া জপ শব্দের অর্থ হলো - এক জায়গায় স্থির ভাবে বসে জিভকে কপালকুহরে পূর্ণ রূপে স্থির রেখে গুরুমুখী বিদ্যা রুপি ক্রিয়া এর দ্বারা জপ করাকে ক্রিয়া জপ বলে।

৮. সুষুম্না_জপ :

সুষুম্না জপ শব্দের অর্থ হলো - এক জায়গায় স্থির ভাবে বসে জিভকে কপালকুহরে পূর্ণ রূপে স্থির রেখে গুরুমুখী বিদ্যা রুপি ক্রিয়া এর দ্বারা জপ করতে করতে সুষুম্নাতে প্রবেশ করে তারপর জপ করাকে সুষুম্না জপ বলে।

৯. চক্র_জপ :

চক্র জপ শব্দের অর্থ হলো - এক জায়গায় স্থির ভাবে বসে জিভকে রাজিকাতে পূর্ণ রূপে স্থির রেখে গুরুমুখী বিদয়া রুপি ক্রিয়া এর দ্বারা জপ করতে করতে সুষুম্নাতে প্রবেশ করে তারপর সুষুম্নাতে প্রবেশ অবস্থায় থেকে প্রতিটি চক্রে জপ করার নাম চক্র জপ।

১০. অজপা_জপ :

অজপা জপ শব্দের অর্থ হলো - এক জায়গায় স্থির ভাবে বসে জিভকে রাজিকাতে পূর্ণ রূপে স্থির রেখে গুরুমুখী বিদ্যা রুপি ক্রিয়া এর দ্বারা জপ করতে করতে সুষুম্নাতে প্রবেশ করে তারপর সুষুম্নাতে প্রবেশ অবস্থায় থেকে প্রতিটি চক্রে জপ করতে করতে কেবলি কুম্ভক এর দ্বারা অনাহত দিব্য ধ্বনির প্রকাশ হয় গুরুমন্ত্র আপনা আপনি সেই অনাহত দিব্য ধ্বনির সঙ্গে সঙ্গে জপ হতে থাকে -তাকেই অজপা জপ বলে।

১১. পশান্তি_জপ :

পশান্তি জপ শব্দের অর্থ হলো - এক জায়গায় স্থির ভাবে বসে জিভকে রাজিকাতে পূর্ণ রূপে স্থির রেখে গুরুমুখী বিদ্যা রূপী ক্রিয়া এর দ্বারা জপ করতে করতে সুষুম্নাতে প্রবেশ করে তারপর সুষুম্নাতে প্রবেশ অবস্থায় থেকে প্রতিটি চক্রে জপ করতে করতে কেবলই কুম্ভক এর দ্বারা অনাহত দিব্য ধ্বনির প্রকাশ হয় গুরুমন্ত্র আপনা আপনি সেই অনাহত দিব্য ধ্বনির সঙ্গে সঙ্গে অজপা জপ এর মন্ত্র ধ্বনি শুনতে শুনতে সাধক সমাধি অবস্থায় উপনীত হয়। আর তখনি পশান্তি দিব্য ধ্বনির মধ্যে ব্রহ্ম জ্যোতির প্রকাশ হয় - আর সেই ব্রহ্ম জ্যোতির মধ্যে মন্ত্রের অর্থ- গায়েত্রীর দর্শন হয় আর সেই সঙ্গে সেই গুরুমন্ত্র রূপী ইষ্টদেব এর সাক্ষাৎ দর্শন হয়ে সাধক পূর্ণ মন্ত্র সিদ্ধি লাভ করে - একেই শাস্ত্রে পশান্তি জপ বলেছে, এটি সিদ্ধ হলে বলা হয় যে- জপের দ্বারা পূর্ণ সিদ্ধিলাভ -এটিই " জপাত: সিদ্ধি " অবস্থা।

* জপধ্যান ও দীক্ষার প্রসঙ্গে শিষ্যের শুভ সংস্কার না থাকলে গুরুর শত চেষ্টা সত্ত্বেও তার অন্তর্নিহিত শক্তি জাগরিত ও কার্যক্ষম হয় না। সেই শুভ সংস্কারের সাথে প্রয়ােজন হয় শিষ্যের স্বতঃপ্রবৃত্ত সহযােগিতা।

জপের জন্য সাধারণত বীজমন্ত্রই প্রশস্ত। অন্যান্য দীর্ঘতর মন্ত্র যেমন মূলমন্ত্র, গায়ত্রী মন্ত্র ইত্যাদি জপেরও বিধি আছে। তবে সেগুলি পরিশেষে বীজেই গিয়ে পর্যবসিত হয়; কারণ সত্তার স্পন্দন ক্রমশ সূক্ষ্ম হতে সূক্ষ্মতর আধারকে আশ্রয় করতে চায়।

বিরাট বটগাছের শাখাপ্রশাখা পল্লবাদি ক্রমশ গুটিয়ে বটবীজে রূপান্তরিত হয় - যার মধ্যে গোটা বটগাছটি সূক্ষ্মভাবে বিদ্যমান। পাতা বা শাখার মধ্যে বৃক্ষের অংশবিশেষকে বড় জোর লাভ করা যায়, কিন্তু বীজের মধ্যে বৃক্ষটিকে অখন্ড অথচ হ্রস্বতমরূপে ধরা যায়। তাই বীজ বা বীজমন্ত্রের এত মাহাত্ম্য বা মর্যাদা। এটি অভিব্যক্তির highly condensed form - সর্ব্বাধিক ঘনীভূত রূপ। যথাযথ সাধনা করলে ঐ বীজমাত্রই ক্রমশঃ ধীরে ধীরে বিস্তার লাভ করে নানা দীর্ঘতর মন্ত্রে, স্তোত্রে এবং পরিশেষে তা ইষ্টের মূর্তি পরিগ্রহ করে।

বীজমন্ত্র ক্রমশ প্রণব মন্ত্রে গিয়ে মিলিত হন; যার জন্য প্রণব মন্ত্রকে অখন্ড বা মহামিলনের মন্ত্র বলা হয়। ঐং, শ্রীং, রাং, হুং, ক্লীং ইত্যাদি বীজমন্ত্র অব্যক্তে লীন হবার পূর্বক্ষণে ওঙ্কারমন্ত্রে গিয়ে পর্যবসিত হন। ব্যঞ্জন ধ্বনিগুলি ক্রমশ বিলীন হয়ে গিয়ে অ, উ, ম - স্বরূপিনী নাদধ্বনিই সমুত্থিত হতে থাকে। অভিব্যক্তির প্রথম ফুট্ হলো এই ওঙ্কার মন্ত্র - যা সর্ব্ববীজমন্ত্র।

দ্বিতীয় পর্যায়ে আমরা বিবিধ দেবদেবীর খন্ডবীজগুলি লাভ করি। একটি বীজকে (যেমন ছোলার বীজ) ধীরে ধীরে যথানিয়মে পরিচর্য্যা করলে সে যেমন অঙ্কুরিত, পল্লবিত, পুষ্পিত এবং ফল-সমন্বিত হয়, তেমনি বীজমন্ত্রের যথাযথ সাধনা আমাদিগকে সংশ্লিষ্ট ইষ্টদেবের সাক্ষাৎকার ঘটায়, তাঁর কৃপালাভ হয়। জপসাধনা মূলত এই বীজমন্ত্রকেই আশ্রয় করে এগিয়ে চলে। কথাটি এই, বীজটি সম্প্রসারিত হতে হতে এই বিশ্বব্রহ্মান্ডের রূপধারণ করেছে, আবার এই বিশ্বব্রহ্মান্ড গোটাতে গোটাতে শুধুমাত্র অণুপরিমাণ বীজের আকার ধারণ করে।

বীজমন্ত্র হল এক একটি তত্ত্ব বা দেবভাবের সংগুপ্ত প্রতীক। একাক্ষর ধ্বনির মধ্য দিয়ে প্রতীক বা symbol-এর আকারে এই বীজমন্ত্র সাধারণত অভিব্যক্ত। উচ্চতর গণিতে যেমন বিবিধ ভাব-সংকেত বোঝাতে গ্রীক বর্ণমালার সিগমা, ল্যাম্বডা, পাই ইত্যাদি প্রতীক ব্যবহৃত হয়, সাধনক্ষেত্রেও বীজমন্ত্রের ব্যবহার অনেকটা সেরকম - অতি সংক্ষিপ্ত অথচ ভাবগর্ভ। দেবতা বা তত্ত্ব অনুসারে কয়েকটি বীজ এখানে দৃষ্টান্তরূপে উল্লেখিত হল -

১. ব্রহ্মবীজ - ওঁ

২. মায়াবীজ - হ্রীং

৩. শক্তিবীজ বা কালীবীজ - ক্রীং

৪. কামবীজ বা কৃষ্ণবীজ - ক্লীং

৫. শ্রীবীজ বা রমা বীজ - শ্রীং

৬. বাগবীজ - ঐং

৭. ইন্দ্রবীজ বা পৃথিবী বীজ - লং

৮. বায়ুবীজ - যং

৯.বহ্নিবীজ - রং

১০. চন্দ্রবীজ - ঠং

১১. বরুণ বীজ - বং

১২. দুর্গাবীজ - দুং

১৩. গণেশবীজ - গং

১৪.কূর্চ্চবীজ - হূং

১৫.বিম্ববীজ - ঠিং

১৬. রামবীজ - রাং

১৭. তার্ত্তীয় বীজ - হেসৌঃ

১৮. নৃসিংহবীজ - ক্ষ্রৌং

১৯. শিব বীজ - হৌং

২০.স্ত্রীবীজ - স্ত্রীং

২১. আকাশবীজ - হং

২২. সূর্য্যবীজ - হ্রাং হ্রীং সঃ

২৩. সীতাবীজ - সাং

২৪. শ্রীকন্ঠবীজ - অঃ

২৫. বর্ম্মবীজ - হুং

২৬. পরাবীজ - সৌঃ

২৭. অঙ্কুশবীজ - ক্রোং

২৮. ব্রহ্মাবীজ - কং

২৯. হংসবীজ - হংসঃ

৩০. ত্রিপুরাবালাবীজ - ঐং ক্লীং সৌঃ


সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

ছত্তিশগড়ি গুঞ্চি বিদ্যা: छत्तीसगढ़ी गुंची विद्या

ছত্তিশগড়ি গুঞ্চি বিদ্যা:  छत्तीसगढ़ी गुंची विद्या এখানে " সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র " দ্বারা প্রদত্ত ছত্তিশগড়ি গুঞ্চ...