HTML Slides

Wednesday, December 22, 2021

বিভিন্ন ক্রিয়া বিশেষে বিভিন্ন মালার গুরুত্ব

বিভিন্ন ক্রিয়া বিশেষে বিভিন্ন মালার গুরুত্ব

 

🙏👉🕉️কোন দেব-দেবীর জন্য কোন জপমালা, গুরুত্ব

🙏👉মন্ত্র জপে মালার ব্যবহার করলে একাগ্রতা বৃদ্ধি পায়। জপের মালা সবসময় ১০৮ অথবা ২৭টি দানার হওয়া উচিত। জপের সময় মালা পুরোপুরি ঢাকা থাকতে হবে।


🙏হিন্দু ধর্মে পুজো ও মন্ত্র জপকে উপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়। যে কোনও ধর্মীয় আয়োজন, উৎসব, ব্রত বা পূজার্চনার সময় মন্ত্র জপ অত্যন্ত প্রভাবশালী মনে করা হয়। আবার পৃথক পৃথক পুজোয় ভিন্ন ভিন্ন জপের মালা ব্যবহার করা হয়। মালা জপের গুরুত্ব অনেক।


🙏🙏🙏মন্ত্র জপে মালার ব্যবহার করলে একাগ্রতা বৃদ্ধি পায়। জপের মালা সবসময় ১০৮ অথবা ২৭টি দানার হওয়া উচিত। জপের সময় মালা পুরোপুরি ঢাকা থাকতে হবে। জপ শেষ হলে, মালা প্রণাম করে মন্দিরে রাখা উচিত।


🙏👉চন্দন মালা— চন্দনের মালা দু’ধরণের হয়, সাদা ও লাল। শক্তি সাধনায় লাল চন্দন মালা ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে কৃষ্ণ মন্ত্র জপের জন্য সাদা চন্দনের মালা ব্যবহার করা হয়। এই মালার মাধ্যমে মন্ত্র জপ করলে শীঘ্র মনস্কামনা পূর্ণ হয়।


🙏👉স্ফটিক মালা— ধন প্রাপ্তি ও মনের একাগ্রতার জন্য এই মালা ব্যবহার করা হয়। এই মালার প্রভাবে, তার আশপাশে কোনও অশুভ শক্তি আসতে পারে না। লক্ষ্মীর মন্ত্রের জপ এই মালা দিয়ে করলে শুভ ফল পাওয়া যায়। আবার উচ্চরক্তচাপের রোগীরা এই মালা গলায় ধারণ করলে ভালো ফল পেতে পারেন।


🙏👉রুদ্রাক্ষ মালা— মন্ত্র জপের সময় সবচেয়ে বেশি এই মালার ব্যবহার করা হয়। রুদ্রাক্ষ শিবের অত্যন্ত প্রিয়। তাই মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্রের জপে এই মালা ব্যবহার করা উচিত। মনে করা হয়, এই মালা জপের ফলে মহাদেব শীঘ্র প্রসন্ন হন। অন্য দেবতার জপের জন্যও এই মালা ব্যবহার করা হয়।


🙏👉বৈজয়ন্তী মালা— এই মালা কৃষ্ণের অত্যধিক প্রিয়। কৃষ্ণের আশীর্বাদের জন্য বৈষ্ণবরা এই মালা ধারণ করেন। বৈজয়ন্তী মালার সাহায্যে মন্ত্র জপ করলে বিষ্ণু শীঘ্র প্রসন্ন হন ও ভক্তদের মনস্কামনা পূর্ণ করেন। এই মালা জপের ফলে ব্যক্তির আত্মবিশ্বাসে বৃদ্ধি হয় ও সমস্ত কাজে সাফল্য পাওয়া যায়।


🙏👉হলুদের মালা— যে কোনও পুজোয় এই মালার প্রয়োগ শুভ মনে করা হয়। গণেশ ও বৃহস্পতিকে শীঘ্র খুশি করার জন্য এই মালা দিয়ে জপ করা উচিত। সন্তান ও জ্ঞান লাভের জন্য হলুদের মালা দিয়ে বিশেষ জপ করা হয়। এই মালা দিয়ে বগলামুখীর জপ করলে শীঘ্রই তাঁর আশীর্বাদ পাওয়া যায়।


🙏👉তুলসী মালা—হিন্দু ধর্মে তুলসী গাছ ও তুলসী মালাকে অত্যন্ত পবিত্র মনে করা হয়। মন্ত্র জপের সময় তুলসী মালার প্রয়োগও সবচেয়ে বেশি করা হয়। ধর্মীয় ধ্যান-ধারণা অনুযায়ী, তুলসী মালা ধারণ করলে ও বিষ্ণুর মন্ত্রের জপ করলে যশ, কীর্তি ও সমৃদ্ধি বৃদ্ধি হয়। এই মালা দিয়ে জপ করলে একাধিক যজ্ঞের পুণ্যলাভ করা যায়। তবে তুলসীর মালা দিয়ে দেবী ও শিবের জপ করা হয় না।


🙏👉পদ্মবীজের মালা- এই মালা লক্ষ্মীর প্রিয়। তাই ধন-বৈভবের জন্য ও লক্ষ্মীর মন্ত্রের সিদ্ধির জন্য পদ্মবীজের মালা ব্যবহার করা হয়। এই মালা জপ করলে লক্ষ্মী শীঘ্র প্রসন্ন হন ও সাধককে সুখ-সমৃদ্ধির আশীর্বাদ দেন। এই মালা বিধি অনুযাযী ধারণ করা উচিত ও এ দিয়েই লক্ষ্মীর জপ করা উচিত।

 

🙏👉 কালো হকীকের মালা- এই মালা বিভিন্ন সাধনাতে ব্যবহার হয় । সাধারণত উগ্র সাধনা বা তামসিক সাধনার ক্ষেত্রে এই মালাতে জপ করলে পরাশক্তিরা অধিক ও দ্রুত প্রকট হয় । কিন্তু এই মালায় বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে জপ করা হয় ।

🙏👉মুন্ডের মালা- তান্ত্রিক ক্রিয়াতে শত্রু দমন, মারণের প্রয়োগ ইত্যদি বিধির জন্য এই মালা ব্যবহার হয় । উগ্রকালী সাধনাতে বা মন্ত্রের জপ করতে মা কে প্রসন্ন করতে এই মালার ব্যবহার হয় ।

 

এছাড়াও আরও অনেক ধরণের মালার প্রয়োগ আছে । যা গুপ্ত রাখা আছে গুরু শিষ্য পরম্পরাতে জানানো হয় ।


🙏👉👉হিন্দু পুরাণে ১০৮ নম্বরের গুরুত্ব কী? ভারতীয় পৌরাণিক কথায়, ভারতীয় সংস্কৃতির সংখ্যা ১০৮-র একটি বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এই সংখ্যা আসলে কী? কেনই বা এই সংখ্যা এতটাই গুরুত্বপূর্ণ? আসুন একনজরে দেখে নেওয়া যাক।


১। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ প্রতি মিনিটে প্রায় ১৫ বার শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ ও বর্জন করেন, তাহলে ১ ঘন্টায় ৯০০ বার এবং ১২ ঘন্টায় ১০,৮০০ বার। ২৪ ঘণ্টায় একদিন হয় এবং যদি আমরা প্রতিদিনের রুটিনের জন্য অর্ধেক দিন সরিয়ে রাখি তবে একজন মন্ত্রপাঠের জন্য ১২ ঘন্টা ব্যয় করতে পারেন। অতএব, সর্বাধিক সংখ্যক ব্যক্তি যে “মন্ত্র” বা “জপ” সম্পাদন করতে পারেন সেটি হল ১০,৮০০। যদি কেউ তার জপের ১০০ শতাংশ পূণ্য বা ফল পেতে চান, তবে ১০৮ বার জপ করলে সেই সুবিধা তিনি পেয়ে যাবেন। এইকারণে একটি “জপমালা”য় ১০৮ জপমালা আছে। বেদে লেখা আছে, যে ১ জন ১ মালা (যার ১০৮টি পান্না আছে) এর সাথে সম্পর্কিত, তাই ১০৮ জপমালাগুলির জপ সম্পাদন করলে ১০০ শতাংশ সুফল পাওয়া যায়।


২) জ্যোতির্বিদ্যাগতভাবে, আমাদের ছায়াপথের মধ্যে ২৭টি নক্ষত্রপুঞ্জ রয়েছে, এবং প্রত্যেকের মধ্যে ৪টি করে দিক রয়েছে অর্থাৎ ২৭x৪= ১০৮, এককথায় বলতে গেলে ১০৮ নম্বরটি সম্পূর্ণ ছায়াপথকে আচ্ছাদিত করে রেখেছে।


৩) ভারতীয় ধর্মগ্রন্থ অনুসারে, ৯ সংখ্যাটি ভগবান ব্রহ্মা (মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তা)র বলে মনে করা হয়। হিন্দু ধর্মে, সংখ্যা ৯ এর খুবই গুরুত্ব। তাই ৯ নম্বরের গুরুত্ব বিবেচনা করে ঋষি ব্যাস ৯টি পুরাণ, ১০৮টি মহাপুরাণ (উপনিষদ) তৈরি করেছিলেন। মহাভারতে ১৮টি অধ্যায় রয়েছে। গীতাতেও ১৮টি অধ্যায় রয়েছে, ভাগবতে রয়েছে ১ লক্ষ ৮ হাজার শ্লোক। ভারতীয় বেদে, সূর্যকে ঈশ্বর হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে এবং সূর্যের ১২ টি চিহ্ন (রাশিচক্র চিহ্ন) রয়েছে। যজুর্বেদে, সূর্য ব্রহ্মার সঙ্গে সম্পর্কিত। সূর্যের ১২ সংখ্যা এবং ব্রহ্মার ৯ সংখ্যা গুনিত করলে ১০৮ হয়। অতএব, ভগবানের উপাসনার জন্য ১০৮ সংখ্যাটি খুবই গুরুতবপূর্ণ ও পবিত্র।


৪) হিন্দু পৌরাণিক শাস্ত্র অনুসারে, ৪টি যুগে সময়কাল বিভক্ত।
ক। সত্যযুগের সময়কাল ১,৭২,৮০০ বছরের হয় তথাপি সংখ্যাটি হল (১+৭+২+৮ = ১৮) তেমনি ১+৮ = ৯।
খ। ত্রেতাযুগের সময়কাল ১২ লক্ষ ৯৬ হাজার বছরের হয় তথাপি সংখ্যাটি হল (১+২+৯+৬ = ১৮), তেমনি ১+৮=৯।
গ। দাপর যুগের সময়কাল ৮ লক্ষ ৬৪ হাজার বছরের হয়, তথাপি সংখ্যাটি হল (৮+৬+৪=১৮) তেমনি ১+৮=৯।
ঘ। কলিযুগের সময়কাল হয় ৪ লক্ষ ৩২ হাজার বছরের তথাপি সংখ্যাটি হল (৪+৩+২=৯)।
অর্থাৎ সংস্কৃতের হরশাদকে (পরমাননন্দ) ১০৮ বলে উল্লেখিত, যার আরেক নাম পরমানন্দ। পরমানন্দের জন্য মানুষের ১০৮ সংখ্যাটিকে আকাঙ্ক্ষা বলে মনে করা হয়। মনুষ্য জীবনে ১০৮টি বিভ্রম আছে, যা হৃদয় চক্রকে পরিপূর্ণ করে ও উর্জা শক্তির বিকাশ ঘটায়। কথিত আছে মানুষের হৃদয় চক্রে ১০৮টি উর্জা প্রবাহের পথ আছে। তার মধ্যে সুষুম্না উর্জা পথটি মুকুট চক্র বলে পরিচালিত হয় এবং তাহা মনুষ্যের মধ্যে স্ব উপলব্ধি ঘটায়।


৫) সংস্কৃতে ৫৪টি বর্ণমালা রয়েছে। প্রত্যেকটির মধ্যে পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ আছে যা শিব ও শক্তির প্রতিরূপ। তথাপি ৫৪ সংখ্যাকে ২ দিয়ে গুনিত করলে ১০৮ সংখ্যাই পাওয়া যায়। কথিত আছে কোনও মনুষ্য যদি শিব ও শক্তির অর্থাৎ ১০৮ বার ধ্যান করে বা জপ করে তাহলে তাঁর মুক্তির পথ প্রশস্ত হয়। মনুষ্য শরীরকে শ্রীযন্ত্রও বলা হয়। যাকে তিনটি মূল রেখা দিয়ে বিভক্ত করা আছে এবং ৫৪টি উপবিভাগ আছে। প্রতিটি বিভাগে শিব ও শক্তির সমন্বয় ঘটেছে। তাই ১০৮ বিন্দুতে মনুষ্য শরীরকে শ্রীযন্ত্র হিসেবে দেখা হয়।


৬। ভারতের পবিত্র নদী গঙ্গা, আর এই গঙ্গা নদীর দ্রাঘিমা বিস্তার ১২ ডিগ্রী এবং এর অক্ষাংশ ৯ ডিগ্রী। অর্থাৎ ১২x৯= ১০৮। ভারতীয় জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুসারে ১২টি গৃহ ও ৯টি গ্রহ অবস্থিত। এর গুনিত ফলও ১০৮। বলা হয় ভারতীয় শাস্ত্রে ১০৮ দেবদেবীর নাম আছে। শুধু তাই নয়, কৃষ্ণেরও ১০৮টি গোপী ছিল। সূর্যের ব্যাস পৃথিবীর চেয়ে ১০৮গুন বেশি এবং সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব সূর্যের ব্যসার্ধের ১০৮ গুণ। তেমনি পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্বও ১০৮ গুণ ব্যাসার্ধের সমান। জ্যোতিষশাস্ত্রে রূপা ধাতুকে চাঁদের প্রতিনিধি বলে মনে করা হয়। আশ্চর্যজনকভাবে, রূপার পরমাণু ওজনও ১০৮। যেসব মানুষ তন্ত্র সাধনা করেন তারা ২১ হাজার ৬০০ বার শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করেন। যার মানে হল ১০ হাজার ৮০০ সৌরশক্তি এবং ১০,৮০০ চন্দ্রশক্তি। যা এককথায় বলতে গেলে ১০৮কে ১০০ দিয়ে গুনিত করলে ১০ হাজার ৮০০ হয় এবং ১০ হাজার ৮০০কে ২ দিয়ে গুনিত করলে ২১ হাজার ৬০০ হয়। তাই ১০৮ মালা জপকে ভগবান প্রাপ্তির পথ হিসেবে ধরা হয়। শুধু হিন্দু ধর্মেই নয়, জৈন, শিখ, বুদ্ধ এবং ইসলামেও ১০৮ সংখ্যাকে ঈশ্বর প্রাপ্তির পথ হিসেবে মনে করা হয়। ১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল প্রথম এক প্রশংসনীয় পূর্ণ আত্মা ইউরি গ্যাগারিন (এক সোভিয়েত মহাকাশ্চারী) মহাকাশে পাড়ি দিয়েছিলেন এবং তাঁর মহাকাশে পাড়ির জন্য সময় লেগেছিল ১০৮ মিনিট। বিশিষ্ট মহাকাশচারী ও জ্যোতিষবিদদের মতে, ১০৮ সংখ্যাটিকে তিনভাগে ভাগ করে নেন। যেমন- ৩৬ সংখ্যা অতীতের জন্য, ৩৬ সংখ্যা বর্তমানের জন্য এবং ৩৬ সংখ্যা ভবিষ্যতের জন্য।
এইসব মতামত থেকে পরিষ্কার যে, ১০৮ মালা জপের মধ্য দিয়ে যেকোনো মানুষই ঈশ্বরের সংস্পর্শে আসতে পারেন বা ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভ করতে পারেন। তাই প্রতিটি মানুষেরই উচিত নিয়ম করে ১০৮ মালা জপ করা সে যেকোনো ধর্মাবলম্বী হোন না কেন। মানুষের জীবনে পৃথিবীতে আসার একমাত্র উদ্দেশ্য হল ঈশ্বর প্রাপ্তির জন্য নিরন্তর ১০৮ মালা জপ করা। কারণ প্রত্যেক মানুষই খালি হাতে পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং খালি হাতেই ইহলোক ত্যাগ করেন, শুধু থেকে যায় তাঁর ঈশ্বর প্রাপ্তির চেতনা ও বোধ। তাই প্রত্যেক মানুষের উচিত কাম, ক্রোধ, মোহ, লোভ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ১০৮ মালা নিরন্তর জপ করতে থাকা।

 

 

 

সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

Wednesday, December 15, 2021

ব্রহ্মদেবতা সাধনা

 

ব্রহ্মদেবতা সাধনা

 

আজ আমি আপনাদের ঘরের যে কোন প্রেত ও ভূত হয়ে থাকেন সেই ব্রহ্মদেবতা সাধনা জানাচ্ছি

এটা প্রত্যেকের তার নিজের বাড়ির ভূত বা প্রেত যা খুবই শক্তিশালী ।

এই সাধনা একদিনের জন্য হয় কিন্তু কলিযুগের কারণে এটি অন্তত পাঁচ বা সাত দিন ক্রমাগত করতে হবে ।

এই সাধনায় মালার প্রয়োজন নেই।

এতে এনার দৃশ্যমান হয়ে গেলে এনার থেকে প্রতিশ্রুতি নিয়ে কাজ করা হয় ।


সাধনা বিধি

 

যেকোনো পূর্ণিমা বা অমাবস্যার দিনে এই সাধনা করা হয় ।

এতে প্রথমে একটি গাছ আনতে হবে, যেটি পিপুল থেকে ছোট, তা আপনার বাড়িতে লাগাতে হবে ।

পূজা হবে সন্ধ্যা ৬টায় ।

এতে একটি রুদ্রাক্ষের জপমালা রাখুন, পৈতে, পাঁচটি বস্ত্র, চন্দনের টিকা, দুধের মিষ্টি, কাঁচা দুধ জলে মিশিয়ে চড়িয়ে দিন ।

“ॐ সর্বপিত্রদেবায় নমো নমঃ” এই মন্ত্র দিয়ে সমস্ত পূর্বপুরুষকে আমন্ত্রণ জানান ।

সাতবার জপ করুন ।

তারপর আপনাকে আপনার প্রধান দেবতা অর্থাৎ বাড়ির প্রধান পূর্বপুরুষকে ডাকতে হবে ।

এই সমস্ত কাজ সন্ধ্যা ৬ টায় করে নিতে হবে ।

এখন রাত ১১টা বা ভোর ৪টা থেকে তিন ঘণ্টা এই মন্ত্রটি জপ করতে হবে।

“ॐ ব্রহ্মস্বরূপায় নমো নমঃ” এই মন্ত্রটি দক্ষিণ দিকে মুখ করে জপ করতে হবে।

উনাকে স্থান দিন এবং দর্শনের জন্য প্রার্থনা করুন ।

তারপর “ॐ ব্রহ্মস্বরূপায় নমো নমঃ” এর মানসিক জপ করতে করতে ধ্যান করুন ।

তিন ঘন্টা জপ করতে হবে ।

দর্শনের পর তিন প্রতিশ্রতি নিয়ে নিতে হয় ।

জপ করার সময় হওয়া অভিজ্ঞতা থেকে ভয় পাবেন না ।

এই ক্রিয়ার আগে আমার অনুমতি নিতে হবে ।



সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

ডাকিনী সাধনা

 

ডাকিনী সাধনা

 

আমাকে অনেকেই বলেন, গুরুজী, একদিনের সাধনা দাও, তাই আজকে একদিনের সাধনা দিচ্ছি ।

যার সিদ্ধ করার প্রয়োজন সে সিদ্ধ করে নিন ।

নির্জন খোলামেলা জায়গায় করলে একদিনেই হয়ে যাবে ।

কিন্তু ঘরে করলে কিছু সময় লাগতে পারে ।

ডাকিনী থাকে ছিন্নমস্তা মায়ের সাথে ।

বা এটা বলা যায় এনার ইষ্ট ছিন্নমস্তা ।

ডাকিনী প্রায় সব কাজ করতে পারে ।

সাধকের সাথে খুব প্রেমপূর্ণ ভালোবাসার সাথে বসবাস করে ।

এনাদের সময়মতো ভোগ দেওয়া দরকার, না হলে তারা মারাত্মক রেগে যায় ।

এনারা অনেক চমৎকার ও অলৌকিক কাজ করে দিতে পারে ।

 

*সাধনা বিধি*

 

হোলির সন্ধ্যায়, সাধক বাড়িতে গুরু, গণেশ, ইষ্ট, কুল দেব/দেবী, পিতর ও স্থান দেব/দেবীর পূজা করে

ছিন্নমস্তার পূজা করুন ।

আর সবার থেকে ডাকিনী সাধনা সফল করার আশীর্বাদ প্রার্থনা করুন ।

তারপর রাতে স্নান সেরে কোনো নির্জন স্থানে গিয়ে উলঙ্গ হয়ে এই সাধনা করুন ।

অথবা নিজের ঘরে করুন ।

দক্ষিণ দিকে মুখ করে কালো আসনে বসে গুরুর পূজা করুন এবং তাঁর কাছ থেকে অনুমতি নিন ।

ছিন্নমস্তার পূজা করুন ।

তারপর ডাকিনীকে আবাহন করুন ।

ওনার পূজা করুন ।

গোলাপ ফুল, কেওরা সুগন্ধি আতর দিন ।

মদ ও মাংসের ভোগ দিন ।

সাত্ত্বিক মিষ্টির ভোগ দিন ।

মনে রাখবেন ডাকিনীকে পোশাক দেওয়া যাবে না ।

একটি লেবুকে চার টুকরো করে কেটে চার দিকে ফেলে দিন ।

আপনার সাথে বেশ কয়েকটি লেবু রাখুন ।

রক্ষা ঘেরা ও কবচ করেই সাধনা করুন ।

রুদ্রাক্ষ জপমালা নিয়ে আসনে দাঁড়িয়ে মন্ত্র পাঠ করুন ।

সম্ভব হলে এক পায়ে দাঁড়িয়ে জপ করুন ।

না হলে উভয় পায়ের উপর দাঁড়িয়ে এটি করুন ।

এই সাধনায় সাধক নির্ভীক হলে খুব ভালো হয় ।

অন্তত ডাকিনী না আসা পর্যন্ত মন্ত্র জপ করতে থাকুন ।

যদি পাঁচ মালা জপ করেও ডাকিনী না আসে তবে একটি লেবু কেটে চার দিকে ফেলে দিন ।

ডাকিনী এলে তাকে ভোগ দিন এবং ওনার থেকে প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিন ।

এরপর যখনই আপনি ডাকবেন ডাকিনী উপস্থিত হয়ে কাজ করবে ।

আপনি যদি ঘরে সাধনা করেন তবে প্রতিদিন পাঁচ মালা করে জপ করুন ।

যতক্ষণ না ডাকিনী সিদ্ধ হয়ে যায় ।

যাইহোক, এই সাধনাটি কোনো নির্জন স্থানে একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থানে এক রাতেই সম্পন্ন হয় ।

সাবধানতা

এই সাধনা করতে হয় উলঙ্গ হয়ে করতে হয় ।

লেবু জপের আগে এবং শেষে কেটে চার দিকে ফেলে দিন ।

কবচ ও ঘেরা লাগিয়েই সাধনা করবেন ।

আপনি যাই দেখুন বা শুনুন না কেন ভয় পাবেন না ।

ডাকিনীর রূপটা একটু অদ্ভুত ধরণের হয় ।

তাই আপনার হৃদয় শক্ত রাখুন এবং তার সাথে কথা বলুন ।



সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

প্রদীপের জ্বীন সাধনা


 

প্রদীপের জ্বীন সাধনা

 



 

           চরণ                 ‌‌পদ্ধতি                   উগ্রতা                     দিন
🏵🏵🏵🏵         🕌        🔥🔥🔥🔥🔥          ৪০      

           দিক                  আসন                     বস্ত্র                       মালা
         পশ্চিম                 সবুজ                     সাদা           তসবী বা কালো হাকীক

          শুরু                    সময়                     জপ                   রক্ষা ঘেরা
         শুক্রবার              রাত ১১টা               ২ মালা                   লাগবে

   

আলাদিনের জাদুর প্রদীপের কথা আমরা নিশ্চয়ই অনেক শুনেছি এবং পড়েছি।

মুভিতে অবশ্যই দেখেছি ।

এই সব দেখে মনে হয় এই প্রদীপ পেলে আমি আনন্দ পাব, কিন্তু এটা শুধুই গল্প, আমি দুঃখিত, গল্পেই এমন হয় যে যা ইচ্ছে হয় তা সঙ্গে সঙ্গে পূরণ হয়ে যায় ।

কিন্তু না ।

আমি যদি বলি যে এই প্রদীপটি সত্যিই আছে এবং আপনি এটি সাধনার মাধ্যমে পেতে পারেন, তবে আপনি হতবাক হবেন যে এটি সত্য নয় ।

কিন্তু বিশ্বাস করুন এটা ১০০% সত্যি ।

আধ্যাত্মিক সাধনার মাধ্যমে জ্বীন প্রদীপে সিদ্ধ হয়।

আর যখন আপনি প্রয়োজনের সময় প্রদীপে ঘষেন, ​​তখন সেই জ্বীন টি উপস্থিত হয়ে আপনার ইচ্ছা পূরণ করে ।

 

এই বিধান সম্পূর্ণ গোপন রাখা হয়েছে এবং গুরু-শিষ্য ব্যবস্থায় দেওয়া হয়েছে এই সংকল্পের সাথে যে এর অপব্যবহার হবে না এবং কেবলমাত্র যোগ্য ও বিশেষ শিষ্যকেই এই সাধনা দেওয়া হয় ।

এই সাধনার মাধ্যমে জ্বীন প্রচণ্ড ক্রোধে আবির্ভূত হয়।

আর সাধনার সময় খুব বেশি ভয় দেখায় ।

কারণ এই সাধনায় জ্বীন কে জোর করে ডেকে বাধ্য করে কাজ করানো হয়।

সাধনার সুবিধা

প্রথমত চিরাগের বা প্রদীপের ভেতর ২ টো যোনি থাকে এবং দুই যোনিতে দুই রকমের জ্বীন থাকতে পারে । একটির নাম "মুরিদ" অন্যটির নাম "তালকোশ" । তালকোশ মুরিদের থেকেও অত্যাধিক শক্তিশালী ও ভয়ানক হয় । 

এই জ্বীন ছোট থেকে বড় পাহাড় সমান কাজ ১ সেকেন্ডে করে ও এনে দিতে পারে । 

এই জ্বীন রা যেকোনো বস্তু এনে দিতে পারে ও যে কারো সম্পর্কে খোঁজ নিতে এবং বলতে পারে ।

রক্ষা করে ।

এবং অনেক টাকা উপার্জন করাতে পারে ।

আরও অনেক অলৌকিক ঘটনা জ্বীনের শক্তি দ্বারা সাধক দেখাতে পারে ।

 

সাধনার বিধান

 

শুক্রবার রাত ১১টা থেকে এই সাধনা করা হয় ।

সাধককে সাদা কাপড় পরে, সাদা মুসলিম টুপি পরে, সবুজ কাপড়ে পা ভাঁজ করে পশ্চিম দিকে মুখ করে বসতে হবে ।

আপনার চারপাশে একটি নিরাপত্তা বৃত্ত তৈরি করুন ।

সামনে চামেলির তেল দিয়ে একটি পিতলের প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখুন ।

 

পাঁচটি ধূপকাঠি জ্বালিয়ে গুরুপূজন করুন ।

তারপর জ্বীনের বাদশার পূজা করুন ।

তার পর প্রদীপের জ্বীনকে ডেকে তার পূজা করুন ।

আতরের ফায়া, পাচমেল মিষ্টি, পাঁচটি গোলাপ ফুল, লোবানের ধূপ, পাঁচটি আগরবাতি দিয়ে পূজা করুন ।

তারপর মন্ত্রের দুটি মালা জপ জপ করুন, মন্ত্রটি দীর্ঘ ।

এক ঘন্টার বা সয়া ঘন্টার মধ্যে দুটি মালা করা হয়ে যায় ।

মালা হতে হবে তসবি বা কালো হকিকের হতে হবে ।

এই প্রয়োগটি সাত দিন করুন, সপ্তম দিনে যখন জ্বীন আবির্ভূত হলে ভয় দেখাবে, ভয় পাবেন না, তার কাছ থেকে প্রদীপে থাকার এবং আপনার কাজ করার প্রতিশ্রুতি নিন ।

সাধনার জন্য একটি নির্জন ঘর প্রয়োজন ।

সাধককে ব্রহ্মচর্যের সাথে জীবনযাপন করতে হবে এবং অন্যান্য সমস্ত মুসলিম অনুশীলনের নিয়ম মেনে চলতে হবে ।

জপমালাটি বাম হাতে উল্টো ঘোরাতে হবে ।

সাধনার আগে ওজু করতে হয় ।

মুসলমান পাক পবিত্র হওয়ার মন্ত্র দিয়ে পাক পবিত্র হতে হবে ।

এই সাধনায় কোন বিশেষ উপাদান প্রয়োজন হয় না ।

কিন্তু এই সাধনা জ্বীনের ভয়ানক উগ্র রূপের সাধনা ।

এই সাধনা উগ্র সাধনার শ্রেণীর মধ্যে আসে, সামান্য ভুল বিপদজনক হয়ে মৃত্য অবধি হতে পারে ।

এই সাধনা অনন্য এবং শুধুমাত্র কিছু নির্বাচিত ব্যক্তিদেরই কাছেই রয়েছে ।

আমার গুরু মহারাজজীর কৃপায়, আমি সেই সৌভাগ্যবানদের মধ্যে একজন ।

এই সাধনার বিধান মন্ত্র আমার কাছে আছে এটা আমার গুরুদেবের কৃপা ।

এটি একটি মহান সাধনা ।

যারা এই সাধনা করতে চান তারা যোগাযোগ করতে পারেন ।


সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

হনুমান সাধনা

 

হনুমান সাধনা

 

     চরণ                 ‌‌পদ্ধতি                    উগ্রতা                দিন
    🏵                  🕉                     🌿                    ৪০

     দিক                 আসন                      বস্ত্র                    মালা
     উত্তর              লাল/সিন্দুরী            লাল/সিন্দুরী      লাল মুংগা/তুলসী


     শুরু                  সময়                       জপ                রক্ষা ঘেরা
     মঙ্গল            রাত ১০টার পর            ৫০০০                 লাগবে

 

আজ আমি আপনাকে ভগবান রামের পরম ভক্ত হনুমানজির সাধনা দিচ্ছি।

এই সাধনার মধ্যে অনেক রহস্য রয়েছে।

এই সাধনার পর আপনি হনুমানজির পূর্ণ কৃপা ও আশীর্বাদ পাবেন।

অনুষ্ঠান পূর্ণ হৃদয় দিয়ে করা হলে দর্শন ও পাওয়া যেতে পারে।

অন্যথায় আপনি কৃপা লাভ তো অবশ্যই পাবেন ।

সাধনার সময় কিছু ভীতিকর অভিজ্ঞতাও ঘটতে পারে যা ভয় পাওয়া উচিত নয়।

যা একটি বিভ্রম ছাড়া কিছুই নয় ।

 

*সাধনা বিধি*


এই সাধনা কোনো নির্জন হনুমানজির মন্দিরে করা সবচেয়ে উপযুক্ত।

যদি তা না হয়, তবে কোনো নির্জন পিপুল বৃক্ষের নীচে বসে এই সাধনা করা উচিত।

যদি এটিও সম্ভব না হয় তবে বাড়ির একটি নির্জন ঘর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে এই সাধানা করতে পারেন ।

 

মনে রাখবেন সাধনার সময় পর্যন্ত অন্য কেউ যেন সেই ঘরে প্রবেশ না করে ।

লাল রঙের কাপড় বা সিঁদুর রঙের কাপড় ব্যবহার করুন ।

স্নান করে রাত ১০টার পর যেকোনো মঙ্গল বার থেকে সাধনা শুরু করুন ।

 

উত্তর দিকে মুখ করে বসুন ।

লাল মুংগার মালা বা তুলসীর মালা দিয়ে জপ করুন ।

প্রথমে প্রাথমিক পূজা করুন ।

গুরু গণেশ ইষ্ট কুল দেব পিতরের পঞ্চোপচার পূজা করুন ।

রাম সীতার পূজা করুন ।

সুরক্ষা ঘেরা দিয়ে আপনার চারপাশে বৃত্ত আঁকুন ।


৪০ দিন বা ২১ দিন, যত দিন আপনি সাধনা করবেন তত দিনের সংকল্প নিন ।


মন্দিরে করলে মূর্তি পুজো করুন ।

বাড়িতে যদি কোনও ছবি থাকে তবে হনুমানজির বসা থাকা লাল মূর্তি নিয়ে আসুন ।

হনুমানজিকে আহবান করুন ।

পূজা দিন ।

ধূপ প্রদীপ সরিষার তেলের জ্বালান, চন্দন ও সিঁদুর দিয়ে তিলক লাগান হনুমানজিকে এবং নিজেকেও ।

মিষ্টিতে বোঁদের লাড্ডুতে তুলসী দিন।

একটি পান সোজা ও একটি পান উল্টে রাখুন এবং তার উপর লবঙ্গ, এলাচ, বাতাসা ও কর্পূর দিয়ে জ্বালিয়ে দিন।

ফুল ও আতর অবশ্যই দিন ।


প্রার্থনা করুন ।

পাঁচ হাজার সংখ্যায় মন্ত্র জপ করুন ।

জপ করার পর ওই ঘরের মাটিতে ঘুমান ।

সকালে ঘুম থেকে উঠে স্নান সেরে পূজা করে আবারও পাঁচ মালা জপ জপ করুন ।

এটি নিত্য সংকল্পিত দিন পর্যন্ত নিয়মিত করুন ।

তো সাধক হনুমানজির কৃপা ও আশীর্বাদ পেয়ে যাবেন ।

সাধক এটা মনে রাখবেন, এই সাধনায় শুদ্ধির দিকে বিশেষ যত্ন রাখুন ।

ঘরে ঋতুমতী মহিলার কাছে যাবেন না । তার করা খাবার খাবেন না ও কোনো জিনিস স্পর্শ করবেন না ।

ব্রহ্মচর্যের সম্পূর্ণ পালন আবশ্যক ।

মাটিতে ঘুমাবেন ।

অ্যালকোহল এবং মাছ মাংস পেঁয়াজ রসুন এই জাতীয় খাবার খাবেন না ।


সিদ্ধি প্রাপ্তির পর মানুষের উপকার করুন ।

কারোর ক্ষতি করবেন না ।

নইলে ফল নিজেকেই ভোগ করতে হবে ।

মন্ত্রের জন্য সম্পর্ক করুন ।



সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218


ষট-চক্র

 ষট-চক্র



●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

🔴মুলাধার চক্র–


গুহ ও মেঢ়ের অন্তরালে যােনিমণ্ডল—ইহাই কন্দ স্থান, ইহা পশ্চিমাভিমুখী। তাহারই মুলদেশে কুণ্ডলিনীশক্তি অধিষ্ঠিতা, সুষুম্নাকে সাড়ে তিন পাকে বেষ্টন করিয়া নাড়ী সমুহে বেষ্টিত হইয়া স্বীয় পুচ্ছদেশে সুষমার মুখে অর্থাৎ ব্রহ্ম রন্ধে নিবেশ করিয়া সুষুম্নারর বিবরে অবস্থান করিতেছেন। কুণ্ডলিনীশক্তি নাগরূপে নিদ্রিত আছেন। অপর একটি মুখ খােলা আছে, সেইটি দিয়া নিঃশ্বাস প্রশ্বাস বহে। এই মুখে তিনি সদা জাগ্রত। তাই জীবের বাহ্যজ্ঞান আছে ও বিভেদবােধ আছে। অন্তর্মুখবন্ধ থাকায় আত্মজ্ঞানের অভাবে একত্ববােধ নাই। ইনি বাক্ দেবী স্বরূপিনী ; কাঞ্চনবৎ প্রভাবশালিনী ;সত্ত্বরজস্তম গুণপ্রসবিনী বিষ্ণুশক্তি।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

সুবর্ণ চতুদ্দল পদ্ম ব, স, শ, ষ, এই মাতৃকাবর্ণ বিরাজিত। এই যােনি-

মণ্ডলে কামকলারূপ রক্তবর্ণ ত্রিকোণ মণ্ডল ও তন্মধ্যে রক্তবর্ণ কামবীজ ক্লীং ও কন্দর্প নামক রক্তবর্ণ স্থিরতর বায়ুর বসতি। এই বীজকে ধৌত সােনার ন্যায় বর্ণরূপে ধ্যান করিতে হয়। তাহার মধ্যে ঠিক ব্রহ্মনাড়ীর মুখে স্বয়ম্ভ-লিঙ্গ অধােমুখে আছেন। ইনি রক্তবর্ণ কোটি সূর্যের ন্যায় তেজোময় । এই কুলকুণ্ডলিনীর অভ্যন্তরে চিৎশক্তি অবস্থিত, তাই ইনি সকলেরই ইষ্টদেবী স্বরূপিনী। এবং মূলাধার চক্র মানবদেহের আধার স্বরূপ। সাধন ভজনের মুল এইখানে। তাই ইহাকে মুলাধার কহে। ইহার ধ্যানে গদ্য পন্য সিদ্ধি ও আরােগ্য ও দাদুবী সিদ্ধি লাভ হয়। অশ্রুতপূর্ব শাস্ত্র সরহস্য জ্ঞাত হন, ত্রিকালজ্ঞ ও সৰ্ব্ব কারণ।ভিজ্ঞ হন ও মনােজয় বিন্দুরণশক্তি ও বায় ধারণ ক্ষমতা জন্মে। ইহলােক ও পরলোক উভয়ে সিদ্ধি লাভ হয়। এইস্থানেই ব্রহ্মগ্রন্থি। সাধক এই গ্রন্থিভেদ করেন । এখানে ক্ষিতিতত্ত্ব, পৃথীবীজ—লং আছে। এই তত্ত্ব খুলিলে নানা প্রকার গন্ধ পাওয়া যায় । দেবতা ব্ৰহ্ম, শক্তি ডাকিনী ।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

🔴স্বাধিষ্ঠান—


পদ্ম—লিঙ্গমূলে যে দ্বিতীয় পদ্ম তাহাই স্বাধিষ্ঠান পদ্ম।

সুপ্রদীপ্ত ছয়টি দল বিশিষ্ট রক্তবর্ণ পদ্ম।

ব, ভ, য, র, ল, এই মাতৃকা বর্ণ ।

কর্ণিকা মধ্যে শ্বেতবর্ণ অদ্ধচন্দ্রাকার বরুণ মণ্ডল ও বরুণ বীজ রং।

রক্তপাণ্ডুর বাণলিঙ্গ। চতুভুজ বিষ্ণ, ক্রোড়ে চতুর্ভুজা গৌরবর্ণ রাকিনী শক্তি।

এই পদ্মধ্যানে অণিমাদি

সিদ্ধিলাভ হয়। মৃত্যুঞ্জয় হওয়া যায়। এখানে অপতত্ত্ব।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

🔴মণিপুর চক্র—


নাভিদেশে নবীন মেঘের বর্ণ দশদল পদ্ম।

দশদলে ড, ঢ, ণ, ত, থ, দ, ধ, ন, প, ফ মাতৃকা বর্ণ আছে। কর্ণিকা মধ্যে ত্রিকোণ বহ্নিমণ্ডল ও রক্তবর্ণ রং বহ্নিবীজ।

চারিহাত রক্তবর্ণ অগ্নিদেব মেযে আরূঢ়। তাহার ক্রোড়ে সিন্দুরবর্ণ—ব্যাঘ্রচর্ম আসীন—দুই হস্তে বর ও অভয়, ত্রিনয়ন পরিধানে ব্যাঘ্রচর্ম, ক্রোড়ে পীতবসনা, চতুর্ভুজ। সিন্দুরবর্ণা লাকিনী শক্তি।

ধ্যানে আরােগ্য ঐশ্বৰ্য্যলাভ ইত্যাদি ক্ষমতা লাভ হয়। এখানে তেজ তত্ত্ব।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

🔴অনাহত চক্র–


হৃদয়ে। কাঞ্চনবর্ণ। দ্বাদশদল পদ্ম। দলে ক, খ, গ, ঘ, ঙ,

চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, ট, ঠ, এই দ্বাদশ মাতৃকা বর্ণ আছে। বাণ ও পিনাকী লিঙ্গ, কাকিনী শক্তি।

এই পদ্ম মধ্যে ধুম্রবর্ণ বায়ুতত্ত্ব ও বায়বীজ যং। বায়, দেবতা কৃষ্ণসারে আসীন, চতুভুজ।

পদ্মের অধিপতি ঈশ্বান বা ঈশ্বর—শুভ্রবর্ণ, দুই হাত।

ক্রোড়ে কাকিনী শক্তি পীতবর্ণা, সালঙ্কারা, ত্রিনেত্রা, কঙ্কালমালা ধারিণী, চারি হাতে পাশ, কপাল বর ও অভয়। ঐ বাণ লিঙ্গের মস্তকে তেজোময় মণি অতিসূক্ষ্ম । তাহার মধ্যে নিবাত দীপ শিখাকার

শ্বেতর্ণ হংস বীজ প্রতিপাদ্য তেজবিশেষ আছে।

এই জীবের জীবাত্মা, এই অনাহত পদ্মে জীব সর্বদা হংস মন্ত্র জপ করেন । শব্দব্রহ্মরূপ ওঁ কার’ অনাহত ধ্বনি এইখানে শােনা যায় । পদ্ম ধ্যানে সৃষ্টি, স্থিতি, সংহার শক্তি, বাক্‌পতিত্ব, পরকায় প্রবেশ শক্তি ইত্যাদি লাভ হয়।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

🔴বিশুদ্ধ চক্র–


কণ্ঠে ঘােড়শ দল পদ্ম ধূম্রবর্ণ। ষােড়শ স্বরবর্ণ ষােড়শ দলে

আছে। শোন ফুলের বর্ণ বিশিষ্ট পদ্ম মধ্যে আকাশতত্ত্ব বৃত্তাকার আকাশ মণ্ডল আছে। কণিকা মধ্যে স্ফটিকের ন্যায় বর্ণের হং বীজ ও তৎ প্রতিপাদ্য আকাশ দেবতা শ্বেতহস্তীতে বসিয়া আছেন, চারি হতে পাশ, অঙ্কশ, বর অভয়। তাহার ক্রোড়ে পদ্মের অধিপতি সদাশিব, সদাশিবের দশহাত, পাঁচমুখ, প্রতিমুখে ত্রিনেত্র—ব্যাঘ্ৰ চৰ্ম পরিধানে, তাহার কোলে অর্ধাঙ্গিনী শাকিনী শক্তি চতুর্ভুজা পীতবসনা, রক্তবর্ণা—এই অর্ধনারীশ্বর মুর্ত্তি।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

বিশুদ্ধাখ্য–পদ্মের কর্ণিকা মধ্যে বিশুদ্ধ চন্দ্রমণ্ডল বিদ্যমান আছে।

শাকিনীশক্তি সর্বদা চন্দ্রমণ্ডল বিগলিত সুধাপানে পুলকিত। এই স্থানে মনস্থির হইলে সাধকের মন আকাশের ন্যায় বিশুদ্ধ হয়। এই জন্য ইহাকে বিশুদ্ধপদ্ম বলে। পদ্মধ্যানে জরামৃত্যু পাশ বিরহিত হয়। এই স্থান জনলােক, জালন্ধর পীঠ।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

🔴ললনাচক্র—


তালুমুলে রক্তবর্ণ দ্বাদশ দল বিশিষ্ট (কেহ বলেন ৬৪ দল)

পদ্মে অমৃতস্থলী আছে। এই চক্ৰধ্যানে উন্মাদ, জ্বর ও পিত্তাদি রােগ নষ্ট হয়।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

🔴আজ্ঞাচক্র বা মানসচক্ৰজ্ব–


যুগলের মধ্যস্থানে আজ্ঞাচক্র ও দ্বিদল পদ্ম

অবস্থিত। এখানে মনঃস্থির হইলে আজ্ঞা বা দৈববাণী লাভ হয়, তাই ইহাকে আজ্ঞাচক্র বলে। এখানে শ্বেতবর্ণ দ্বিদলে হং ক্ষং বর্ণ আছে। দুই দলে প্রবৃত্তি ও নিবৃত্তি নামক দুই বৃত্তি পদ্মের কর্ণিকামধ্যে শরচ্চন্দ্রের ন্যায় নির্মল শ্বেতবর্ণ। ত্রিকোণমণ্ডল যােনিরূপিণী ত্রিকোণের তিন কোণে।

রজঃ, তম এই তিন গুণ, ও এই তিন গুণ আশ্রয়ে ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিব আছেন। ত্রিকোণের মধ্যে শ্বেতবর্ণ চন্দ্ৰবীজ ঠং আছে। অধিপতি দেবতা জ্ঞানদাতা শিব। ইনি শ্বেতবর্ণ দ্বিভুজ ও ত্রিনেত্র। তাহার ক্রোড়ে বিদ্যামুদ্রা পাশ ও ডমরু ধারিণী চতুর্ভুজা হাকিনী শক্তি আছেন। আজ্ঞাচক্রের ধ্যানে যােগের চরম ফল নিৰ্ব্বাণ মুক্তি।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

অজ্ঞাচক্রের উপর ঈড়া পিঙ্গলা ও সুষুম্না মিলন স্থানকে ত্ৰিকুঠী বা

ত্রিবেণী সঙ্গম বলে। এই ত্রিবেণীর উদ্ধে’ সুষুম্নমুখের নিম্নে অৰ্দ্ধচন্দ্রাকার

মণ্ডল আছে। তাহার উপর তেজঃপুঞ্জ একটি বিন্দু, মন বা জ্ঞান তাহার উপরিভাগে দণ্ডাকার নাদ (শিবলিঙ্গ) ইহার বা গুরুচক্র উপর ত্রিকোণমণ্ডল শ্বেতবর্ণ, তন্মধ্যে শক্তিরূপা শিবাকারা হকারাদ্ধ আছে। এই স্থানে বায়ুর ক্রিয়া শেষ। ইহার অপর সত্ত্ব, নাম জ্ঞানচক্র। ওখানে জ্ঞান ও জ্ঞেয়স্বরূপ অন্তরাত্মা আছেন। পরমাত্মা

ইহার অধিষ্ঠাতা, ইচ্ছা তাহার শক্তি। প্রদীপ শিখারূপিণী অন্তঃজ্যোতিঃ

সুপীত সােণার বেণুর ন্যায় আছে। এই যে জ্যোতিঃদর্শন ইহা সাধকের

আত্মপ্রতিবিম্ব। এই পদ্মের ছয়টি দল : শব্দ, স্পর্শ, রূপ, রস, গন্ধ ও স্বপ্ন এই ছয়টি বৃতি। দলগুলি সাদা, লাল, হলদে ইত্যাদি বর্ণের।

মন এই ছয়টী দলের যখন যে দলে ঘােরে তখন সত্ত্ব বা রজঃ বা তমঃ ভাবের উদয় হয়।

ব্ৰহ্মরন্ধ্রে অষ্টদল বা শতদল গুরুচক্র শ্বেতবর্ণ। এই পদ্মের কর্ণিকায় ত্রিকোণমণ্ডল হ, ল, ক্ষ, এই তিন বর্ণ। ইহার তিনদিকে সমুদায় মাতৃকাবর্ণ আছে। এই মণ্ডলই যােনিপীঠ বা শক্তিপীঠ।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

এই শক্তিমণ্ডলমধ্যে

তেজোময়, কামকলা বিরাজমান। বীজ ঐং তাহার পাশ্বে গুরুদেব, হংস পাদপীঠে গুরু-পাদুকা, হংসের দুই পক্ষ আগম-নিগম; চরণ দুটি শিব- শক্তিময়। চঞ্চুপুট প্রণব, নেত্র ও কণ্ঠ কামকলারূপ। গুরুদেব শ্বেতবর্ণ কোটিসূর্যসদৃশ তেজঃপুঞ্জ ; দুই হাতে বরাভয়।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

শ্বেতমালা, শ্বেতগন্ধ, শ্বেত

বস্তু, হাস্যবদন, করুণদৃষ্টি। তাহার বামক্রোড়ে রক্তবসনা, সৰ্বালঙ্কারা,

অরুণ রক্তবর্ণা গুরুপত্নী। তাহার বামকরে পদ্ম, দক্ষিণ করে শ্রীগুরু কলের বেষ্টন করিয়া আছেন । এই গুরু অখণ্ড মণ্ডলাকার চরাচর ব্যাপ্ত করিয়া আছেন। ইনি সকলের গুরু। এই গুরুপদ্ম ধ্যানে সর্বসিদ্ধি ও দিব্যজ্ঞান লাভ হয়।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

🔴সহস্রার—


এই গুরুচক্রের উর্দ্ধে নিরালম্বপুরী বা শূন্যস্থান। এখানেই

ঈশ্বরের সাক্ষাৎ লাভ হয়। ইহার পরেই, সহস্রার পদ্ম, ব্ৰহ্মরন্ধ্রের উপর মহাশূন্যে শ্বেতবর্ণ সহস্রদল পদ্ম বিরাজিত চারিদিকে পঞ্চাশদল উপযুপরি স্তবকে সজ্জিত। প্রত্যেক স্তরে পঞ্চাশদলে ৫০ টি মাতৃকাবর্ণ। কর্ণিকার মধ্যে ত্রিকোণ চন্দ্রমণ্ডল বা শক্তিমণ্ডল তিন কোণে হ, ল, ক্ষ,

বর্ণ আছে ও তিন দিকে সমস্ত স্বর ও ব্যঞ্জনবর্ণ আছে। এই শক্তিমণ্ডলমধ্যে তেজোময় বিসৰ্গাকার মণ্ডল।

তাহার উপর মধ্যাহ্নকালীন কোটি সূৰ্য্যসদৃশ তেজপুঞ্জঃ আর একটী বিন্দু- তাহা বিশুদ্ধ স্ফটিকসদৃশ শ্বেতবর্ণ। এই বিন্দুই পরমশিব নামে জগৎ উৎপত্তি ও নাশ করেন—ইনি পরমেশ্বর, ইনিই অজ্ঞান তিমির নাশকারী পরমাত্মা। ইহাকেই সাধনবলে প্রত্যক্ষ করাকেই ব্ৰহ্মসাক্ষাৎকার বলে।

অ হইতে বিসগান্ত ঘােড়শবর্ণযুক্ত ব্ৰহ্মরেখা প্রজাপতি, ককারাদি তকারান্ত ষােড়শবর্ণযুক্ত পরাৎপর বিষ্ণরেখা থকারাদি সকারান্ত ষােড়শবর্ণযুক্ত শিবরেখা, সত্ত্ব, রজঃ তমযুক্ত রেখায় বিন্দুত্ৰয় হইতে উদ্ভূতা হইয়া যােনি

আকারে ভূষিতা।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

এই বিন্দুত্রয় ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বরাত্মক পরমতত্ত্ব, ত্রিকোণ বিতত্ত্ব হইতে উৎপন্ন । উক্ত ত্রিকোণের মধ্যে মহাশূন্য অবকাশ গুণাতীত। পরমাপ্রকৃতি। আপন আপন সম্প্রদায়ের গুণাতীত জগদগুরু এই পরাপ্রকৃতির অধীশ্বর হইয়া তথায় বিরাজ করিতেছেন।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

পরমশিব ঐ বিন্দু সতত গলিত সুধাস্বরূপ। ইহারই মধ্যে সমস্ত সুধার আধার গােমূত্রবর্ণা অমা নামক কলা আছে। ইনিই আনন্দ ভৈরবী। ইহার মধ্যে অদ্ধচন্দ্রাকার নির্বাণ কামকলা আছেন। এই নির্বাণ কাম কলাই সকলের ইষ্টদেবতা, তাহার মধ্যেই পরম নিৰ্বাণশক্তি আছেন। তাহার পর নিরাকার মহাশূন্য। এই মহাশূন্য নিৰ্বাণতত্বে দিবারাত্র নাই ; তম ও প্রকাশভাব নাই ; আকাশ, বায়ু, অগ্নি, জল, পৃথী পঞ্চতত্ত্ব নাই। সুতরাং তত্ত্বসমূহ হইতে উৎপন্ন ইন্দ্রিয়বর্গের ও বুদ্ধির ও অগােচরের প্রাধানিক

ব্রহ্মস্বরূপ পরমপুরুষ বর্তমান আছেন। নির্বাণ শক্তির অধীশ্বর এই পরমপুরুষ হইতে শ্রেষ্ঠ কিছু নাই—ইনিই চরম সীমা ও পরমগতি। ইহাতে জ্ঞান হইলে জীব সংসার বন্ধন হইতে মুক্ত হয় ও অমৃতস্বরূপত্ব নিৰ্বার্ণ মােক্ষ প্রাপ্ত হয়। শৈবগণ এই নিৰ্বাণপদকে শিবপদ, কৃষ্ণভক্ত বৈষ্ণবগণ শ্রীহরির পরমপদ, ভগবতীর শ্রীচরণসেবী সুরসিক শাক্তগণ দেবীর পদ, সাংখ্যবাদিগণ প্রকৃতি পুরুষ স্থান বলেন। এই স্থানে উপলব্ধি হইলে যােগীর পরিচ্ছিন্ন দেহভ্রান্তি দূর হইয়া বিশ্বসংসারই নিজ দেহরূপ মনে করেন ও আত্মানন্দ ও অমৃতের যুগপৎ অভেদ জ্ঞানের পূর্ণতায় পূর্ণানন্দময় হয়েন।



সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

Tuesday, December 14, 2021

কর্ণপিচাশিনী

 

👽👽কর্ণপিচাশিনী👽👽

 

অনেকের বার বার অনুগ্রহে বিস্তর বিবরণ দিলাম ।

 

আমাদের মানুষের আছে অত্যাধিক লোভ-লালসা আর কামনা-বাসনা! সেই ইচ্ছেগুলো-কে চরিতার্থ করার জন্য আমরা সবকিছুই করতে পারি!  একেক সময়ে কারও ক্ষতিও সাধন করে সেসব পেতে চাই জীবনে.....

তখন অনেকেই তার জন্য নানা অতিপ্রাকৃতিক শক্তির সাহায্য নিতে এই তন্ত্র-শাস্ত্রের নিম্নমুখী সাধনায় রত হন!

 

কিন্তু এইসব শক্তি সিদ্ধি পাওয়াটা যেমন তুলনামূলক সহজ কিন্তু এর ক্ষতিকর দিকটা তার চাইতেও ভয়ংকর!

 

তবু মানুষ, এসবে আকৃষ্ট হয়ে পতঙ্গের ন্যায় ছুটিয়া যায়....

পতঙ্গ যেমন বহ্নিশিখা দেখে পাগলের মতন আকৃষ্ট হয়ে বহ্নিশিখার মধ্যে ছুটে গিয়ে ঝাঁপ দেয় ও আগুনে জ্বলে-পুড়ে মরে....

কিছু লোভী মানুষই এমনি এইসব সাধনা করতে গিয়ে সুখের আশায় নিজেই নিজের দুরাবস্থা বা মৃত্যু ডেকে আনে!

 

এই সাধনায় একবার সিদ্ধি-প্রাপ্তি হয়ে গেলে, সেই সাধক ভূত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ দেখতে পায়, সবার মনের কথা বুঝতে পারে এবং বলে দিতে পারে!

কর্ণপিচাশিনী সাধনায় সন্তুষ্ট হলে, সাধকসিদ্ধের কানে কারও ভূত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের ঘটনাগুলি র্নিভুল ভাবে  ফিসফিস ও স্পষ্টভাবে বলে! এই সাধক তখন যে কোনো ব্যাক্তির সবকিছু বলে দিয়ে নাম-খ্যাতি অর্জন করে, এবং আগাম রেস, জুয়া ও লটারীর ফলাফল বলে দিতে পারে, তাই এর থেকে প্রচুর অর্থ-ঐশ্চর্য্য লাভ করে!

 

#পিচাশের_প্রকৃতিঃ

তন্ত্রে পিশাচ হল অত্যন্ত নিম্ন শ্রেণীর এক জীব। সাধারণ মনুষ্য সমাজে যা কিছু ঘৃণ্য ও উচ্ছিষ্ট তার উপরেই লালিত পালিত হয় এই পিশাচগণ।

মানুষ ও ভুতের মাঝামাঝি একটি স্তরে এদের অবস্থান। #বৌদ্ধিক শক্তিতে এরা মানুষের থেকে অনেক নিম্ন পর্যায়ের হলেও, অন্যান্য সমস্ত ক্ষেত্রে এরা অসীম শক্তিধর। তাই মন্ত্র বলে এদের একবার বশে আনতে পারলে এদেরকে দিয়ে ক্রীতদাসের মতো সব কাজ করিয়ে নেওয়া যায়। বিভিন্ন দুরূহ অসাধ্য! কাজও সহজেই মানুষ করতে পারে এদের সাহায্যে।

#আবার, হিন্দু শাস্ত্র মতে, পিশাচ হলো অত্যন্ত তমোগুণ সম্পন্ন অপার্থিব স্বত্তা অর্থাৎ সাধারণ কথায় বলতে গেলে এরা মদ, মাংস এবং রক্ত এসব আহারের প্রতি অত্যন্ত অনুরাগী হয়। রুক্ষ্ম- শুষ্ক বনভূমি, পাহাড় পর্বত, মরুভূমি, পরিত্যক্ত দূর্গ বা পোড়ো বাড়ি,নদী-নালা, জনহীন প্রান্তর - এই ধরনের স্থান এদের খুব প্রিয় হয়। এই সব জায়গাতেই প্রধানত পিশাচের বাস থাকে।

এছাড়াও বট, অশথ্ব এবং ক্যাকটাস সহ বিশেষ কয়েকটা গাছের ওপর পিশাচের প্রভাব খুব বেশী থাকে বলে শাস্ত্রে উল্লিখিত আছে। মানুষ ছাড়াও যে কোনো পশুরাও মৃত্যুর পর পিশাচযোনি প্রাপ্ত হতে পারে...!

তবে পিশাচ সিদ্ধ তান্ত্রিক বা সাধক হতে গেলে সাধকের মধ্যেও পিশাচের কিছু লক্ষণ প্রকট হয়! না হলেও হতে হয় 

যথাঃ---

১) সেই সাধক তখন আর মাতৃশক্তির বা দৈবিক যে কোনো সাধনা করতে পারে না!

২) যে সাধক পিশাচ সাধনা করে তার দেহ সম্পূর্ণ কালো কয়লার বর্ণ ধারণ করে। এছাড়া সারাক্ষন নোংরার মধ্যে থাকতে হয়, ক্ষেত্র-বিশেষে গায়ে নিজের মল-মুত্র মাখতে হয়! প্রয়োজনে মল-মূত্র ভক্ষণ করতেও এরা পিছুপা হয় না! অনেক সময় মরার বা শবের মাংস খায়, মরার মাথা কেটে নিয়ে গিয়ে নানা ক্রিয়া করে। এইসব অতি নিম্ন গুন তাঁর মধ্যে প্রকাশ পায়!

৩) সাধক যদি বিবাহিত হয় তবে এই কর্ণ-পিচাশিনীর সাধনার পূর্বে প্রায় একমাস ব্রম্ভচর্য পালন করতে হয়! সাধনাকালেও সাধক কোনো মহিলা বা প্রেমিকার সাথে রিলেশনও রাখতে পারবে না! এমন কি নিজের মোবাইলে মহিলাদের নাম্বারও ডিলিট করে দিতে হয়! নাইলে পিচাশিনী এদের ক্ষতিসাধন বা মেরেও ফেলতে পারে!

৪) সিদ্ধি পেয়ে এদের বশ করা গেলেও এদের কাজে লাগানো মানে আগুন নিয়ে খেলা করা। পিশাচসিদ্ধ হওয়ার পর সাধক যদি সামান্য অনিয়ম করে বা অসাবধানতাবশত নিজের দেহ বন্ধন(বিশেষভাবে মন্ত্রপুতঃকরা)  ভুলে যান। তবে ওই পিশাচের হাতেই তাকে মরতে হয়।

৫) কর্ণ পিশাচিনী হলো পিশাচদের এক বিশেষ ভাগ। যাদের সাধনা করে বশ করতে পারলে, সারাক্ষন সাধকের কানে কানে ফিসফিস করে কথা বলতেই থাকে। সাধক সহজেই যে কোনো আসন্ন বিপদ, ভবিষ্যতে কি ঘটতে চলেছে, কোন কাজের কি পরিণাম হতে চলেছে, তা জানতে পেরে যায়। তবে এদের নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই কষ্টসাধ্য। এরা কানে কানে কথা বলা শুরু করলে #আরথামতেচায়_না!

তন্ত্র অনুযায়ী এই বিদ্যা-সাধনায় যৌনতার কিছুটা মিলমিশ আছে! (কিন্তু উচ্চ-মার্গের তন্ত্র এটি সমর্থন করে না)!

সাধক, এই পিশাচিনীকে সাধনায় সিদ্ধ করতে পারলে, পিশাচিনী সাধক-কে জিজ্ঞাসা করে, সাধক তাকে কি রূপে চাই.....#ভার্যা না #প্রেয়সী..?

এবার সাধক যে রূপে নেবে,  পিশাচিনী সেই রূপেই তাঁর কাছে ধরা দেবে, যেমন... ভার্যারূপে এলে বউ বা স্ত্রীর মতনই আদর-যত্ন, সেবা করবে...কিন্তু সেই সাধকের প্রকৃত ভার্যা বা স্ত্রী থাকলে,  তাঁকে পিশাচিনী অবশ্যই বেঁচে থাকতে দেবেনা! মেরে ফেলবেই ফেলবে...

তেমনি করে প্রেয়সী বা প্রণয়নী রূপে চাইলে, অসম্ভব প্রেমভালবাসা দেবে, রতি সুখ দেবে, কিন্তু সেই সাধকের সহিত অন্য-কোনো মহিলার সম্পর্ক তো দুর! কথাবার্তাও মেনে নেবে না! নচেৎ সেই মহিলার বেঘোরে প্রাণ নিয়ে নেবে....

আমার অভিজ্ঞতা অনুসারে, বলছি এই সিদ্ধিগুলি অবিশ্বাস্য সত্য।!এখনে একটি কর্ণ পিশাচিনী মন্ত্র সাধন দিচ্ছি, যা নীচে সামান্য বর্ণিত করছি...... সাধারনতঃ কোনো ফাঁকা জঙ্গলে/মাঠে, বটবৃক্ষ তলা, নাহলে অশথ্ব গাছতলা হলে উওম, নদী-জলাশয়ের পাড়.....

এসব না পেলে আপনি কোথাও না গিয়ে একাকি নিরালা জায়গায় মানে নিজগৃহে সকলের চাইতে আলাদা দোতলার কোনো কক্ষে চাইলে করতে পারেন তবে সেখানে আপনি ব্যাতীত অন্য কোনো প্রানী আসবেনা! 

গৃহবন্ধ করে গভীর-রাতে নগ্ন/ দীগম্বরা-বস্থায় এই সাধনা শুরু করতে হয়,  কেবল তিনদিন করতে হবে যে কোনো মাসের কৃষ্ণপক্ষে ঠিক অমাবষ্যার দুদিন আগে এবং ঠিক তিনদিনের দিন অমাবষ্যার দিন মন্ত্র সিদ্ধি হয়!

তবে গুরুআজ্ঞার অত্যন্ত প্রয়োজন! বিনা গুরু এসব সাধনা কখনও সিদ্ধ হয় না! পাওয়ায় যায় না!!

প্রথমে একটি দিয়া জ্বালাতে হয়, দিয়া খাঁটি ঘি বা অন্য কোন তেল হতে পারে, যা প্রদীপকে আলোকিত করতে ব্যবহৃত হয়! তারপরে সাধক-কে তার আঙ্গুল গুলিকে তেলে ডুবিয়ে রাখতে হবে এবং এর কিছুটা তার পায়ের ত্বকে লাগাতে হবে। আর কিছু বিধি - উপাচার আছে, যা এখানে সব বলবো না!--- যতই হোউক গুরুমুখী বিদ্যে..🙂 এরপরে একমনে এই মন্ত্র নির্দিষ্ট দিনানু-যায়ী জপ করা উচিত.....

মোট মন্ত্রের সংখ্যা ১০০,০০০ (একলক্ষ) এবং সাধক-কে প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সংখ্যার জপ করে যে কোনও ধরণের মালা ব্যবহার করা যেতে পারে। কয়েক দিনের মধ্যে মন্ত্র সাধন করা যায়!

এমনিতে তন্ত্রনুয়ায়ী বিধান আছে যে কোনো নদী তটে বা শশ্মানে যেখানে নিরালা-নীরবতা বিরাজ করে সেখানে গুরু-অনুমতী নিয়ে ২১ দিনের সাধনা করতে হয় পুরো নগ্ন অবস্থায়! এখানে বলে রাখি পিচাশিনী সাধনায় মন্ত্রজপ করতে হয়!

#কালো_আসনে বসে সাধনা করতে হয়! তখন সাধন কালে নানারকম ভয়ংকর সব অনুভূতির ঘটনা ঘটে! সাধকের সাহস-একাগ্রতার পরীক্ষা নেওয়া হয়! কিন্তু ঐ সময় যদি সাধক ভয় পেয়ে মন্ত্রজপ ছেড়ে আসন ছেড়ে উঠে যায় বা মাঝপথে সাধনা ছেড়ে দেয় তবে সেই সাধক-কে মরতে হবেই! তাই গুরু নির্দেশ থাকে যত যাই কিছু ঘটুক সাধক বা চর্চাকারী আসন ছেড়ে ওঠা যাবে না! সে মল-মুত্র ত্যাগ হউক না কেন! ওখানেই তা সারতে হবে!  

যদি সফল হন, তবে কর্ণ পিশাচিনী  সাধকের কাছে আসবে তখন সেই স্থান আঁশটে ও দূর্গন্ধে ভরে যাবে এবং একজন শ্যামাঙ্গি মধ্যম গড়নার ২০ থেকে ২২ বছরের যুবতী মেয়ের বেশে,  এসে সাধককে প্রলুব্ধ করবে তুই আমকে কেন স্মরণ করেছিস! অবশ্যই সাধককে প্রণয়ী/ভার্যা কখনও মাতৃরূপে সেই পিচাশিনীকে গ্রহন করতে হয়! কারন এই সাধনায় পিচাশিনীকে যে রূপেই নেওয়ার অপশন বা সূযোগ থাকলেও! সাধকের ব্যাক্তিগত জীবনে সেই আসল সম্পর্কে মহিলাটিকে পিচাশিনী বেঁচে থাকতে দেয় না! মেরে দেবে..৷৷

তারপর সাধক তার অভিলাস ব্যাক্ত করে যে রূপে গ্রহন করতে চাইবে, পিচাশিনী সাধককে তাতেই আশ্বস্থ করে বলবে আমি তোর প্রশ্নের সব জবাব দেবো আর সর্বক্ষন সাথে থাকবো এবং তোর ইচ্ছানুযায়ী তুই অনেক ধনসম্পত্তি লাভ করবি....

সাধক যে কোনো মানুষের #ভূত #বর্তমান একেবারে নির্ভূল ভাবে বলার ক্ষমতা রাখবে, #ভবিষ্যৎ সমন্ধে সামান্য বলার ক্ষমতা জন্মে....

কিন্ত পিচাশিনী প্রতি ৭/১০ দিন পরে সেই সাধকের নিকট দেহধারী হয়ে আসবে----- তখন সেই পিচাশিনীকে কিন্তু রমন বা সঙ্গম-সুখ দিতেই হবে!

না হলে সাক্ষাৎ মৃত্যু!

আসলে কর্ণপিচাশিনী খুব কামুক প্রকৃতির হয়! আর সাধকের সাথে থাকতে থাকতে এর কাম চাহিদা ক্রমশঃ বাড়তে থাকে, এখানে সাধক যদি ভার্যা রূপে গ্রহন করে থাকে তবে সাধক এর ইচ্ছে পূরণ না করে উপায় নেই! নাহলে একেবারে যমের দুয়ারে.....

প্রথমে সাধক ঠিকভাবে সাধনা শুরু করলেও কোনো কারনে পিচাশিনী তুষ্ট নাও হতে পারে! তবে একেক জন সাধকের সাধনার অভিজ্ঞতা পৃথক হতে পারে।

তাই সাধকগণ দয়া করে মনে রাখবেন, সাধন প্রক্রিয়ায় কেবল সাফল্য বা ব্যর্থতা দেওয়া সবকিছু বিধির হাতে!

তবে এটুকু বলবই এই সাধনা কেহ কখনও গুরুর আজ্ঞা বিনে করতে যাবেন না! ইহা বড়ই একপ্রকার উগ্র-তামসিক সাধনা!

...এই সাধনায় সিদ্ধি লাভ করে পিচাশিনী যতই আপনাকে সব সফলতা, টাকা-পয়সা-সম্পদ দিক না কেন?  আপনার সাথে এ সর্বদা এঁটুলির মতন লেগে থাকবে, আপনি না চাইলেও আপনার ঘাড়ের পাশে অদৃশ্যভাবে বসে থাকবে আর কানে!কানে অনবরত ফিসফিস করে কথা বলে যাবে! আপনার নিজের স্বাচ্ছন্দ-স্বাধীনতা নিয়ে একাকী নিজের মতন করে কখনই বাঁচতে দেবে না! আপনার জিনা হারাম করে দেবে.....

শেষে আপনার জীবনই আপনার কাছে দূর্বিষহ হয়ে যাবে, আপনি তখন একে ছাড়তে চাইবেন এর থেকে নিষ্কৃতি পেতে চাইবেন!  কিন্তু অত সহজ নয় এর হাত থেকে পরিত্রাণ পাওয়া! একমাত্র কোনো উচ্চকোটির মহাত্ম্যা বা অঘোরী-সাধক হলেই বিভিন্ন ক্রিয়া-সাধনের দ্বারা নিষ্কৃতি দিতে পারে.....

বিভিন্ন ক্রিয়া-আচারের মাধ্যমে আপনার কাছ হতে এই পিচাশিনীকে বিদায় করতে পারে....কিন্তু সে ব্যাপার খুবই বিরল!!

এই ভয়ঙ্কর সাধনার পরিবর্তে আপনি অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বলতে চাওয়ার সম্পূর্ন ক্ষমতা অর্জন করতে চাইলে কালী মায়ের সাধনা করুন একদম স্বাত্তিক ভাবে ও মায়ের-কৃপা লাভ করুন....😊



সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218




ছত্তিশগড়ি গুঞ্চি বিদ্যা: छत्तीसगढ़ी गुंची विद्या

ছত্তিশগড়ি গুঞ্চি বিদ্যা:  छत्तीसगढ़ी गुंची विद्या এখানে " সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র " দ্বারা প্রদত্ত ছত্তিশগড়ি গুঞ্চ...