HTML Slides

Tuesday, May 4, 2021

গুরু কথার অর্থ কি ? গুরু কে ? গুরু বিনে গতি নাই কেন ? গুরু শব্দের আক্ষরিক অর্থ কি ?




গুরু কথার অর্থ কি ?

গুকারশ্চান্ধকারঃ স্যাদ্‌ রুকারন্তন্নিরোধকঃ।

অন্ধকারনিরোধিত্বৎ গুরুরিত্যভিধীয়তে ।। (শ্রীশ্রীগুরুগীতা)

 

গুরু—গু+রু=গুরু । গু শব্দের অর্থ খারাপ বা অন্ধকার আর রু শব্দের অর্থ ভালো বা আলো তাই যে অন্ধকার থেকে আলোয় নিয়ে আসে তিনিই গুরু । গুরুই পরমব্রহ্ম, গুরুই পরমগতি, গুরুই পরাবিদ্যা, গুরুই পরম আশ্রম, গুরুই পরম উৎকর্ষ, গুরুই পরমধন ।

গুরু শব্দের আক্ষরিক অর্থ—

গ’ কার উচ্চারণ মাত্র ব্রহ্ম হত্যা পাপ দূর হয়, ‘উ’ কার উচ্চারণ মাত্র সারা জীবনের পাপ থেকে মুক্তি হয়, পুনরায় ‘উ’ কার উচ্চারণ মাত্র কোটি জন্মজাত পাপ মুক্ত হয় মানুষ ।

আবার গুরু কথার অনুবাস করলে দাঁড়ায়— গ-কার সিদ্ধিদান করে, র-কার পাপের দহনকারী বা হরণকারী এবং উ-কারকে বিষ্ণু বা মহাদেব বলে জানি ।

তারক উপনিষদে কথিত আছে, ‘ও’ শব্দ অন্ধকার, ‘রু’ শব্দ তার নিরোধক ।

পৌরাণিক আমলে গুরুর একটা বিশেষ সম্মানের কথা জানি । সেই সময় গুরুকে সবাই পরম দেবতা জ্ঞান করতেন । তখন আশ্রমে গুরুর কাছে শিক্ষা নিতে হত এবং শিষ্যকে গুরুগৃহে গিয়ে বাস করতে হত । গুরুর কাজ ছিল পঠন, পাঠন এবং যজ্ঞ, পূজা ইত্যাদি সম্বন্ধে শিষ্যকে শিক্ষা দেওয়া। সেই সময় শিষ্যকে গুরুগৃহে কঠিন পরিশ্রম করতে হত । আবার গুরুর কাছ থেকে ফেরার সময় গুরুর বাসনা অনুযায়ী গুরুদক্ষিণা দিতে হত । বলা হয় গুরুর ঋণ শোধ করা যায় না । তবে শাস্ত্রে আছে, গুরু হবেন শান্ত, সদ্‌বংশীয়, বিনীত এবং শুদ্ধাচারী, শুদ্ধবেশী, সুবুদ্ধিসম্পন্ন এবং তন্ত্রমন্ত্র বিশারদ । প্রচলিত মতে গুরু দেবতাস্বরূপ বা ইষ্টদেব । গুরু সামনে থাকলে নিত্যপূজা বা দেবতাপূজা না করে গুরুর পূজা করাই কর্তব্য । এখানে একটা কথা বলি, পিতা-মাতা জন্মের কারণ বলে প্রযত্নপূর্বক পূজনীয় । তবে গুরু ধর্ম-অধর্মের প্রদর্শক বলে তাদের অপেক্ষা অধিকতর পূজ্য । অর্থাৎ পিতা শরীর দান করেন, গুরু জ্ঞান দান করে থাকেন, এই জন্য দুঃখ-সাগর সংসারে গুরু থেকে গুরুতর কেউ নেই ।

আমাদের ভারতবর্ষ গুরুর দেশ । শাস্ত্রে আছে গুরুর স্মরণ না করলে কোনও কাজ সিদ্ধ হয় না । মানুষের পঞ্চভৌতিক দেহে পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের সংস্কার শুদ্ধির জন্য গুরুর মন্ত্র গ্রহণ বাঞ্ছনীয় । গুরুর সাহায্যে পরমজ্ঞান উৎপন্ন হয় । কাম, ক্রোধ, তৃষ্ণা, বিদ্বেষ প্রভৃতি থাকে না এবং মুক্তি হয় । এই মুক্তির জন্য জ্ঞানের অভ্যাস করতে হয়। আবার জ্ঞান ছাড়া ধ্যান হয় না । জ্ঞানী ব্যক্তি তৈজস, বিশ্ব, প্রাজ্ঞ ও তুরীয় এই চতুর্জ্ঞান করে ধ্যান অভ্যাস করতেন। অগ্নি যেমন শুষ্ক কাঠকে দগ্ধ করে, তেমনই জ্ঞান সমস্ত প্রকার পাপকে দগ্ধ করে । এই কারণেই ধ্যান অভ্যাস করা দরকার ।

গুরু কে ?

শ্রীরামকৃষ্ণ এক কথায় বলেছেন ‘গুরু হল ঘটক’। যিনি ভগবানের সঙ্গে ভক্তের যোগ ঘটিয়ে দেন । গুরু শিষ্যের ভাব অনুযায়ী মন্ত্র ও ইষ্ট ঠিক করে দেন । যে দক্ষ ব্যক্তির কাছে দীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে মানুষ অন্ধকার থেকে আলোয় আসার ঠিকানা পায় বা পথ দেখতে পায় তিনিই গুরু । আরও বিশদে বলা যায়, গুরু হলেন আধ্যাত্মিক পথের দিশারী । মানুষকে জাগতিক চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে উন্নীত করে পরম সত্যস্বরূপ ঈশ্বরের সাক্ষাৎ ঘটিয়ে দেন ।

শাস্ত্রে বলেছে—

যিনি অজ্ঞানরূপ তিমির অন্ধকারে জ্ঞানরূপী অঞ্জন দ্বারা চক্ষুর উন্মিলন ঘটান তিনিই হলেন গুরু ।

একটা মজার কথা বলি, ‘ইঞ্জিন স্বরূপ গুরু’ ‘গাড়ি স্বরূপ শিষ্যকে’ বিভিন্ন টানাপড়েন, ওঠা-পড়া, শোক-তাপ, দুঃখ-কষ্ট অথবা আনন্দ-উল্লাসের মধ্য দিয়ে টেনে নিয়ে চলে উত্তরণের পথে । স্বামী ব্রহ্মানন্দ বলতেন, চুরিবিদ্যা জানতেও একজন গুরুর দরকার হয় । আর এত বড় ব্রহ্মবিদ্যা লাভ করতে তো গুরুর দরকার হবেই ।

গুরুর দীক্ষা তিন প্রথায়- শৈব, বৈষ্ণব ও শাক্ত । এঁদের প্রত্যেকের গুরুপরম্পরা থাকে । শৈবমতে সর্বপ্রথম শুরু শিব । বৈষ্ণব মতে শ্রীকৃষ্ণ এবং শাক্তমতে শ্রীচণ্ডী । এঁদেরই চিরাচরিত গুরু বলে মানা হয়। এঁদের মাধ্যমই গুরু পরম্পরা শুরু হয়েছে ।

 

গুরু বিনে গতি নাই কেন ?

গুরু আমাদের মুক্তির পথ দেখান । এ ভব যন্ত্রণাক্লিষ্ট মায়ার সংসার থেকে মানসিক মুক্তি দিয়ে ভব সাগর পার করিয়ে দেন । তাই জীবনযন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে মানব জীবনে গুরুর ভূমিকা অপরিসীম । একজন সন্তানের প্রথম গুরু হলেন মাতা পিতা । সন্তানের কাছে তাঁরাই ভগবানের ন্যায় বা পরম গুরু । তবুও কেন জীবনে গুরুর প্রয়োজন হয় ?

সকল জন্মে পিতামাতা সবে পায় ।

কৃষ্ণ গুরু নাহি মিলে, ভজহ হিয়ায়্‌ ।। (চৈতন্যমঙ্গল)

 

মানুষ বদ্ধজীব হিসাবে সহস্র যোনি ভ্রমন করে পশুপাখি, জীবজন্তু, কীটপতঙ্গ রুপের শেষে মানব দেহ ধারণ করে । প্রতি জন্মে আমরা কত মাতা পিতা পাই । কিন্তু সব জন্মে পারমার্থিক গুরুকে পাওয়া যায় না । ফলে আমাদের মুক্তি লাভ হয় না, আমাদের অন্ধকারাচ্ছন্ন মন আলোকিত হয় না । তাই গুরুই হলেন পরমেশ্বরের প্রতিনিধি ।

ব্রহ্মান্ড ভ্রমিতে কোন ভাগ্যবান জীব ।

গুরু-কৃষ্ণ-প্রসাদে পায় ভক্তিলতা বীজ ।। (চৈঃ চঃ ১৯/১৫১)

 

গুরু সবাই হতে পারে না । শ্রীমদ্ভগবতে বলা হয়েছে, “যিনি তার আশ্রিত জনকে জন্ম-মৃত্যুর সংসার আবর্ত থেকে উদ্ধার করতে পারেন না, তার গুরু হওয়া উচিত নয়” (ভাঃ ৫/৫/১৮) । তাই গুরু তাকেই করা উচিত যে আপনাকে মুক্ত করিয়ে আপনার অন্তরে ঈশ্বর দর্শন করাবেন । মনে রাখবেন কাউকে গুরু না করুন কিন্তু করলে কখনও সন্দেহ করবেন না ।

যদি কোনো ধান্দাবাজের চক্কোরে পড়েন তাহলে সেই গুরুকে বলে সোজাসুজি না করে দিন এবং দ্বিতীয় কোনো যোগ্য গুরুর সন্ধান করুন ।

যদি কখনও ধান্দাবাজের চক্কোরে কোনো মূর্খকে ভূল করে গুরু বানিয়ে নেন তো তাঁর চক্করে ৮৪ লাখ যোনি পার করে আসা মনুষ্য জন্ম বেকার করে দেয় এই বলে যে একটি মাত্র গুরুই বানানো যায় ।

আমি এটা মানি না, না জানি জীবনে আমরা কত কারোর থেকে কত কিছুই না শিখি । সে নিজের থেকে ছোট হোক বা বড় হোক । পুরুষ হোক বা স্ত্রী যে কী হোক ।

এমনকি শিশু অবস্থা থেকে মৃত্যুর আগে অবধি আমরা শিখতেই থাকি ।

তো মানলে সে গুরু না মানলে নয় । কারণ গুরু হলেন ঠেকা মাত্র । যে কিনা আপনাকে মুক্ত করিয়ে আপনার অন্তরে ঈশ্বর দর্শন করাবেন, কিন্তু তার পরে আপনাকে যোগ্য স্থানে ঈশ্বরের হাতে আপনাকে সমর্পিত করে দিয়ে নিজে সরে আসবেন ।

আজকাল তো অনন্য লীলা তবুও এটাই বলব আপনি মুক্ত তাই নিজেকে বাঁধবেন না ।

যতক্ষন না অবধি যোগ্য গুরু না পাওয়া যায় ততক্ষন অবধি চেষ্টা করে যান ।

শ্রীগুরুই তার জ্ঞানলোক দ্বারা শিষ্যের মনকে আলোকিত করেন । সকল শিষ্যের কাছে তাঁর নিজ গুরু সাক্ষাৎ পরমব্রহ্ম । তিনি শিষ্যের ব্রহ্মা, বিষ্ণু এবং মহেশ্বর ।

 

কেমন হতে পারে একজন আদর্শ গুরুর গুণাবলী জেনে নিন
) যার আচরণে বার বার প্রমাণিত হয় তিনি লোভ-লালসা মুক্ত । 
২) যিনি মাস, দিন, তিথি, নক্ষত্রের সঠিক বিচারান্তে শিষ্যের মনের ভাব বুঝে যোগ্য ইষ্ট শক্তির নির্বাচনের সাথে সঠিক মন্ত্রে দীক্ষা দান করে থাকেন । 
) যিনি দীক্ষা দানের পূর্বে ভক্ত-শিষ্যের নিকট দীক্ষার যথাযথ বিশ্লেষণ করে তাকে দীক্ষা গ্রহণের যোগ্য করে তুলতে সক্ষম । 
৪) যিনি অতিসাধারণ জীবন-যাপন করেন এবং নিজের জ্ঞানের পরিধি সর্বসমক্ষে ব্যক্ত করেন না । 
) যিনি সকলকে সদুপদেশ দিয়ে নাস্তিকের মনেও ঐশ্বরিক চেতনা প্রদান করে, সাধন পথের সঠিক পরিচালনায় সক্ষম । 
) যিনি কারও ক্ষতির চিন্তা মনেও আনেন না। কারও আচরণে আঘাত পেলেও তার শুভ বুদ্ধি উদয়ের কামনা করেন ঈশ্বরের কাছে ।  
) যিনি নারকেল সম, অর্থাৎ যার বাইরের রূপ অত্যন্ত কঠিন, কিন্তু অন্তর ক্ষুধা-তৃষ্ণা নিবৃত্ত করে । 
) যাকে মনে মনে স্মরণ করলে বা যার ছবি দর্শনেও মানুষ বিপদ মুক্ত তথা সর্বকার্যে সফল হয়ে থাকে । 
) যার সামান্য স্পর্শে সকল প্রাণী রোগ, ভয় তথা পাপ-শাপ মুক্ত হয়ে থাকে । 
শুধু যে শিব, শক্তি বা বিষ্ণু মন্ত্রেই দীক্ষিত হতে হবে এর কোনও মানে নেই। দীক্ষা গ্রহণের পূর্বে আরাধ্য বা ইষ্ট দেবদেবী সম্বন্ধে জেনে, মনের চেতনা শক্তির দ্বারা তাকে জাগিয়ে তার কৃপা লাভ করেই দীক্ষা গ্রহণ বাঞ্ছনীয়। যে কাজে গুরুই তাকে সাহায্য করতে পারবেন। অন্যথায় কোনও কর্মই সফল হয় না ।

 

আজকালকার দিনে বেশিরভাগই দেখা যায় গুরুতে গুরুতে রেষারেষি - সেই অনুযায়ী শিষ্যরাও 'আমার গুরুই শ্রেষ্ঠ' এমন একটা ভাব নিয়ে ঝগড়া চালিয়ে যায় । কিন্তু ঘটনা হলো - গুরু কিন্তু আদতে কোনো ব্যক্তি নয় ; গুরু হলেন মহাদেবের শক্তি । সেই শিবশক্তি প্রতিটি মানুষের মধ্যে থেকে তাকে পথ দেখিয়ে এগিয়ে নিয়ে যায় । কিন্তু মুশকিল হলো - ভিতরের সেই গুরু থাকেন সুপ্ত অবস্থায় । তাঁকে জাগাতে হয় । আর সেজন্যেই প্রয়োজন হয় মানব দেহধারী একজন গুরুকে । সেই গুরু হলেন অনেকটা চাঁদের মত যিনি সাধনার মাধ্যমে নিজে পৌঁছতে পেরেছেন সেই আলোকিত স্তরে যেখানে ইষ্টকৃপা তাঁর মধ্যে সঞ্চারিত হয়ে শিষ্যকে আলোকিত করে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে আলোর পথে । তাই শিষ্যের উত্তরণ গুরুর মাধ্যমে হলেও সেটি কিন্তু তিনি ঘটান না ; তাঁর শিষ্যের প্রতি ভালবাসা,স্নেহ ও কৃপা এবং শিষ্যের অধ্যবসায় ও গুরুভক্তি দেখে ইষ্ট কৃপা করেন । এমনকি অনেকসময়ে গুরুর রূপ ধরেই ইষ্ট শিষ্যের কল্যাণ করেন – এমন অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গেছে । তাই সকল গুরুর শক্তিই সেই এক - মহাদেবের শক্তি । মহাদেবই আসল গুরু - বাকিরা সবাই তাঁর প্রতিনিধি । তবে ইষ্টের প্রতিনিধি বলেই শিষ্যের কাছে ইষ্টের সমতুল্য হলেন গুরু ।


এ বার আসি গুরুপূর্ণিমার কথায় । এই উৎসব উপলক্ষ্যে সমস্ত জায়গাতেই অর্থাৎ সব মন্দিরে বা ভক্তদের বাড়িতে তাদের নিজ নিজ গুরুদেবের পূজাপাঠ হয় । যদি গুরুদেব জীবিত থাকেন, তবে তাঁর পাদুকা ধুয়ে কাপড় দিয়ে মুছে একটি জলচৌকির ওপর রেখে গুরুদেবকে নতুন বস্ত্র পরিধান করিয়ে মালা, মুকুট এবং অলঙ্কারাদি দিয়ে সাজিয়ে পাদুকা পূজা শুরু হয় । যদি গুরুদেব সশরীরে না থাকেন তবে তাঁর পাদুকা বা চরণ বা খড়মে এই একই রূপে দুধ, গঙ্গাজল, ঘি, মধু, দই, অগরু ইত্যাদি দিয়ে মন্ত্র সহযোগে ধোয়াতে হয়। এরপর সেই চরণ পরিষ্কার করে তা কোনও থালায় বা রেকাবিতে রেখে চন্দন দিয়ে সাজিয়ে ফুলমালা দিয়ে পূজা করা হয় । এটা গুরুর প্রতিকৃতির সামনে রেখে করা হয় । এরপর শিষ্যরা তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী খাওয়া-দাওয়া, নামকীর্তন, গান ও গুরুকে নানারকম উপহার দিয়ে দিনটি পালন করে । এই দিনটি প্রত্যেক ভক্তেরই আনন্দ উপভোগের দিন । অনেক সময় গুরুও এই দিন দীক্ষাদানের ব্যবস্থা করেন, নামপ্রদান করেন । এই ভাবেই গুরুপূর্ণিমার দিনটি পালিত হয় ।


গুরুধ্যান

ধ্যায়েচ্ছরসি শুক্লাব্জে দ্বিনেত্রং দ্বিভুজং গুরুম্ ।

শ্বেতাম্বরপরিধানং শ্বেতমাল্যা নুলেপনম্ ।।

বরাভয়করং শান্তং করুণাময় বিগ্রহম্ ।

বামেনোৎপলধারিণ্যাশক্ত্যা-লিঙ্গিত বিগ্রহম্ ।

স্মেরাননং সুপ্রসন্নং সাধকাভীষ্টদায়কম্ ।।


গুরুস্তোত্রম

ওঁ অখন্ডমন্ডলকারং ব্যাপ্তং যেন চরাচরম্ ।

তৎ পদং দর্শিতং যেন তস্মৈ শ্রীগুরুবে নমঃ ।।

গুরুর্ব্রহ্মা গুরুর্বিষ্ণু গুরুদেবো মহেশ্বরঃ ।

গুরুরের পরং ব্রহ্মা তস্মৈ শ্রীগুরুবে নমঃ ।।

একং নিত্যং বিমলচলং সর্বৃধী সাক্ষীভূতম্ ।

ভাবাতীতং ত্রিগুণরহিতং সদ্ গুরুং তং নমাম্যহম্ ।।

 

সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

 


No comments:

Post a Comment

ছত্তিশগড়ি গুঞ্চি বিদ্যা: छत्तीसगढ़ी गुंची विद्या

ছত্তিশগড়ি গুঞ্চি বিদ্যা:  छत्तीसगढ़ी गुंची विद्या এখানে " সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র " দ্বারা প্রদত্ত ছত্তিশগড়ি গুঞ্চ...