HTML Slides

Friday, May 28, 2021

ধ্যান কিভাবে করবেন

ধ্যান কিভাবে করবেন এবং কেমন করে করবেন


*ধ্যান*
ধ্যান একটি ছোট্ট শব্দ যা আমরা একদম ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি যে ধ্যান দিয়ে পড়ো, ধ্যান দিয়ে বসো, ধ্যান দিয়ে চলো, ধ্যান দিয়ে সবকিছু করো, কোন কিছুতে অন্যমনস্ক হলে আমাদের বলা হয় যে ধ্যান কোথায় তোমার ?
ছোট থেকেও ছোট কাজ ধ্যান ছাড়া করা যায় না ।
তো এই পূজা পাঠ সাধনা তন্ত্র আমরা কি করে মানবো যে বিনা ধ্যানেই এই সব হয়ে যাবে ।
ধ্যানের মানে চোখ বন্ধ করে কোন চক্রতে ধ্যান লাগানো আমি বলছি না আমি আপনাদের বলতে চাইছি আপনারা ধানকে বুঝুন যে কেবল চোখ বন্ধ করাই ধ্যান হয়না আমাদের চারদিকে যা কিছুই হচ্ছে সবকিছুই ধ্যান দ্বারাই হচ্ছে ।
রাজস্থানে স্ত্রীরা নিজেদের মাথায় অনেক বড় বড় অনেকগুলো হাড়ি নিয়ে খুবই স্বাভাবিক ভাবেই নৃত্য করে কিন্তু কিভাবে ?
ধ্যান দ্বারাই ।
কোন চমৎকার এই শক্তি নেই ওনাদের কাছে । স্থূল ভাবে ওই ওই হাঁড়িগুলো কে কেউ ধরে রাখে না কিন্তু তাদের সুক্ষ রূপে লাগানো ধ্যান ওই হাঁড়ি গুলোকে ধরে রাখে ।
ধ্যান দ্বারাই ওই হাঁড়ি গুলোকে মাথার উপর সুন্দর করে ধরে আটকে রাখে ফলে পিছলে পড়ে যায় না ।
ওই স্ত্রীরা তাদের ধ্যানকে কেন্দ্র করে ওই সমস্ত হাঁড়িতে দিয়ে রাখে ফলে হাঁড়ি সম্পূর্ণ স্থির হয়ে থাকে ।
জপ, সাধনা, তন্ত্রে একে সিদ্ধি পাওয়া বলা যেতে পারে ।

আপনারা রাস্তা ঘাটে দড়ির উপর দিয়ে ছোট ছোট ৭/৮ বছর বয়সের বাচ্চাদের হাঁটাচলা দৌড় ঝাপ খেলা দেখাতে দেখেছেন । তো একটু ভাবুন যে কেমন করে একটা বাচ্চা দড়ির উপর দিয়ে কোনো রকম বাধা ছাড়াই লাফিয়ে লাফিয়ে দৌড়ে দৌড়ে খেলা দেখাচ্ছে । উত্তর একটাই ধ্যানের মাধ্যমে ।

বাচ্চাটা অনেক ধ্যান ও অভ্যাসের দ্বারা কয়েক মাস বা বছর দড়ির উপর দিয়ে পথ চলা অভ্যাস করেছে । যে কারণে সে বিনা বাঁধায় চলতে পারছে ।

জপ, সাধন, তন্ত্রের ভাষাতেও ঠিক এমনি দড়ির উপর চলার মতো সিদ্ধি প্রাপ্তি করাই বলা যায় ।

আমরাও ঠিক যেই কাজ ধ্যান দ্বারা করি তো সেটা আমাদের সিদ্ধি প্রদান করে ফলে পরে অতি সহজেই বিনা বাঁধায় সেই কাজ আমরা করে ফেলতে পারি ।

আমাদের সকলের চলাও এমনি হুশিয়ারি পূর্ণ ভাবে হয় । কারোর কোনো সন্দেহ হলে দশ তলা বিল্ডিং এর রেলিং এ উঠে বাইরের দিকে করে হাঁটুন তাহলেই বুঝতে পারবেন আমাদের ধ্যান চলার সময় কোন দিকে আছে ।

ধ্যানের মানে হল নিজের চেতনাকেও সেই কাজের সাথে জুড়ে দেওয়া ।

যেমন সাইকেল চালানোর সময় হাত সাইকেলের হ্যান্ডেলের থেকে সরিয়ে নিলেও ধ্যান দ্বারাই আমরা পুরো সাইকেলকে ধরে রাখি । যেই কারণে আমরা সাইকেল থেকে পরে যাই না ।

যদি আমাদের পায়ের আঙুল থেকে ধ্যান সরে যায় তাহলে আঙুল কেটে গেলেও আমাদের কোনো ব্যাথা বেদনা হবে না ।

কারণ সম্পূর্ণ শরীরে চেতনা আমাদের ধ্যান দ্বারা পুরো শরীরে বিস্তার করে আছে । যেই স্থান থেকে আমরা ধ্যান সরিয়ে ফেলবো চেতনাও কমে গিয়ে সেই স্থান থেকে সরে যাবে ।

ঠিক তেমনি যেখানে আমরা ধ্যান লাগাবো আমাদের চেতনাও ঠিক সেই সেখানে পৌছে যাবে । অর্থাৎ সেই বস্তু বা কোনো ক্রিয়াতে প্রাণ এসে যাবে ।

চেতনাই হল জীবন বা আমরা জীবিত আছি যার কারণে এই স্থূল বা মৃত শরীরটাও নড়া-চড়া করে তা নাহলে সব কিছুই নির্জীব ।

এই চেতনাকেই আমরা ধ্যান দ্বারা একাগ্র করেই চমৎকার দেখাতে পারি ।

এই চেতনাকেই প্রাণ-প্রতিষ্ঠার সময় মূর্তি বা কোনো বস্তুর মধ্যে দিয়ে তাকে জীবিত করার চেষ্টা করা হয় ।

তো যখন আমরা মন্ত্র জপ করি আর আমাদের ধ্যান/মন অন্য কোথাও থাকে তখন ওই মন্ত্র বেজান নির্জীব হয়ে বেকার নিস্ফল হয়ে যায় । এই বেজান নির্জীব মন্ত্রের জপ আমরা হাজার লাখ কোটি বার করলেও মন্ত্র জাগ্রত হবে না আমাদের যে সমস্যা বা যা প্রাপ্তি হোক বা ঈশ্বরের কৃপা লাভের জন্য হোক যাই কিছু করি না কেন আমাদের কোনো ফল প্রাপ্ত হয় না যার মূল এবং মূখ্য কারণটাই এটা হয় ।

মন্ত্র জপের সময় যদি আমরা মন্ত্রের দিকে ধ্যান/মন দেই তো আমাদের ধ্যান/মন দেওয়াতেই মন্ত্রতে চেতনা যাওয়া শুরু হয়ে যায় এবং ওই মন্ত্র জীবিত হয়ে কার্য করা শুরু করে দেয় যেমন ইষ্ট মন্ত্র ইষ্টের সাথে সাধকের সম্পর্ক তৈরী করে ইষ্টের সাথে মিলিয়ে আত্মা ও পরমাত্মার মিল করিয়ে দেয় ও মন্ত্র শক্তিশালী করে দেয়, কাউকে বন্ধন করা হলে তাকে বেঁধে দেয়, রক্ষা করার মন্ত্র তাকে রক্ষা প্রদান করে, বশীকরন মন্ত্র হলে বশীভূত করে দেয়, মারণ মন্ত্র হলে মেরে ফেলার কার্য করে । যেমন মন্ত্র তেমন কাজ করে ।

মন্ত্র জপের সময় আমরা যখনই মন্ত্রের দিকে ধ্যান/মন দেই তখন মন্ত্র জাগ্রত হওয়া শুরু হয়ে যায় । যদি আমরা পূর্ণ একাগ্রতার সাথে পুরো ধ্যান/মন মন্ত্রতেই লাগিয়ে দেই তো মুখ থেকে বের হওয়া ওই মন্ত্র এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডে ঘুরতে থাকবে এবং ওই দেবী/দেবতাকে আপনার সামনে নিয়ে এসে দাঁড় করিয়ে দেবে যেই মন্ত্রের জপ আপনি করছেন ।

এখন যদি এই ধ্যানের সাথে সাথে দেবী/দেবতার প্রতি প্রেম, শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস থাকে তো কিছু বলার অপেক্ষাই রাখে না কারণ সব থেকে তো অধিক শক্তিশালী ওই দেবী/দেবতার প্রতি প্রেমের বিচার মনোভাব, শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস হয় ।

আজ আমাদের এই চেতনাই বিচারের রূপে নষ্ট হতে থাকে যা আমরা হামেশাই করতে থাকি ।

তাই ওই বিচারকে আটকানো এবং যে শক্তি বিচার দ্বারা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে তাকে কোনো না কোনো কাজে আমাদের লাগানো উচিত ।

সয়া লাখ ওই সময়ের সংখ্যা ছিল যে এত সংখ্যক হয়াত পরে ওই সময়ের সাধক মন্ত্রতে চেতনা ভরিয়ে তাকে চৈতন্য করে ফেলতো আর সিদ্ধি প্রাপ্ত করে নিত । এই নিয়ম আজও আছে কিন্তু এখানে বিষয় টা হল ধ্যানের ।

ধ্যান বিষয়টা হল একে যেখানে লাগিয়ে দেওয়া যায় সেটাই জাগ্রত হয়ে যায় চৈতন্য হয়ে যায় সেটা মন্ত্র হোক বা শরীর বা যেকোনো বস্তুই হোক ।

এখন এটা আপনার উপর নির্ভর করছে আপনি আপনার এই ধ্যান কোথায় কিসে লাগাবেন ।

পড়ার জন্য হলে পড়তে থাকবেন,

কিছু করার জন্য হলে করতে থাকবেন,

সাইকেল চালানোর জন্য হলে চালাতে থাকবেন,

তর্ক করতে লাগালে তর্কশীল হয়ে উঠবেন,

গাওয়ার জন্য হলে গায়ক হয়ে উঠবেন,

কোনো কেন্দ্রতে তাকে জাগ্রত করতে লাগালে ওই কেন্দ্র চৈতন্য হয়ে জাগ্রত হয়ে উঠবে ,

মন্ত্রতে লাগালে মন্ত্র জাগ্রত হওয়ার সাথে সাথে কার্য করতে শুরু করবে এবং সেই মন্ত্রের দেবী/দেবতাতে লাগালে দেব/দেবী জাগ্রত হয়ে প্রত্যক্ষীকরণ হয়ে যাবে ।

যন্ত্রতে লাগালে যন্ত্র চৈতন্য হয়ে কার্য করতে থাকবে ।

 

সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

Sunday, May 23, 2021

কলুয়া সাধনা

 

কলুয়া সাধনা

পরিচয়


কলুয়া বলতে ছোট ছোট বাচ্চা ৫-৮ বছরের মধ্যে বা তার চেয়ে একটু বড়, সেই সব বাচ্চা কোনো অস্বাভাবিক ভাবে মরে যাবার পর যখন তাদের কবর, সমাধি বা দাফন করা হয় ।
এরাই কলুয়া নামে পরিচিত ।
কলুয়া অত্যন্ত চমৎকার কার্য করতে পারে এরা যেকোন জায়গায় যেতে সক্ষম তা মন্দির হোক মসজিদ বা যেকোনো ঘর হোক ।
এদের কোন তান্ত্রিক বা সাধক বা কোন তৃতীয় শক্তি এদেরকে বাধা প্রদান করেনা এরা ছোট ছোট বাচ্চা হয় বলে এরা অবুঝ হয় ।
এদের অজ্ঞতার কারণে শিশু সুলভ আচরণে তাই দেবী দেবতারা এদের ঠিক ভুল যে কোন কার্যে অতি সহজেই মাফ করে দেয় । তাই এরা যে কোন স্থানে যেতে সক্ষম এমনকি মন্দিরের প্রবেশ করে মন্দির থেকে পূজা সামগ্রী বা পূজার থালা, ভোগ ইত্যাদি সবই আনতে সক্ষম ।
এই সাধনা অতি উগ্র সাহসী ব্যক্তিই চেষ্টা করবেন ।

বিধি

মাবস্যা বা শনিবারের দিন সকাল যেকোনো চৌমাথা বা কোন নির্জন ফাঁকা জায়গাতে গিয়ে বা এমন কোন জায়গা যেখানে বাচ্চাদের দাফন বা সমাধি করা হয় অথবা কোন শ্মশান বা কবরস্থান নিয়ে গিয়ে হলুদ চাল যা হলুদ দিয়ে রং করা এমন চাল নিয়ে গিয়ে কলুয়া কে নিন্ত্রণ দিন ।
যেমন হলুদ চাল মাটিতে ফেলে বলুন যে আমি একটা কলুয়া সাধনা করতে চাই রাতে আমি তোমাকে সাথে করে নিয়ে যাব আমার সাথে যাবে এবং আমার সকল কার্য সিদ্ধ করতে হবে ।
আমি তোমাকে নিমন্ত্রণ দিচ্ছি এমনটা বলে চাল ফেলে ওই স্থান থেকে পিছনদিকে না ফিরে সোজা ঘরে চলে আসুন ।
রাত ঠিক আট টার দিকে বা আট টার আশেপাশে ওই স্থানে আবার গিয়ে বলুন যে কলুয়া আমি তোমাকে নিতে এসেছি তুমি আমার সাথে চলো এমনটা বলে ওই স্থানে পড়ে থাকা অল্প চালের দানা বা মাটি উঠিয়ে নিয়ে আসুন ।
মনে রাখবেন পিছনে মুড়ে বা পিছন দিক ফিরে দেখা যাবে না এতে যা কিছুই ঘটে যাক ।
ঘরে এসে সমস্ত সামগ্রী আগেই তৈরী করে রাখুন ।
.২৫ লিটার বা সোয়া তিন লিটার দুধ ।
৩.২৫ কিলো বা সোয়া তিন কিলো আটা ।
একটা বড় গামলা যার মধ্যে দুধ, আটা পুরোটাই ধরে যায় ।
এরপর নিয়ে আসা চাল বা মাটি আটায় ভাল করে মিশিয়ে দিন এবং পর্যাপ্ত জল দিয়ে আটা মাখুন এবং একটি মূর্তি বানান ।
খেয়াল রাখবেন মূর্তিটি যেন শক্ত হয় ।
এরপর কাল বস্ত্র, কাল আসন নিয়ে দক্ষিণ মুখ হয়ে বসুন ।
সুরক্ষা ঘেরা বানিয়ে নিন ।
তারপর ওই মূর্তিতে কলুয়া কে আহবান করুন এবং বলুন কলুয়া আমি তোমার পূজা করছি তুমি এখানে উপস্থিত হও ।
গুরু এবং ইষ্টকে পঞ্চোপচার পূজা দিন ।
এরপর গামলায় দুধ ঢেলে তারমধ্যে মূর্তিটিকে দাঁড় করিয়ে দিন বা বসিয়ে দিন অথবা কোন কিছুর সাহায্য নিন ।
তারপর দুটো আগরবাতি বা ধূপকাঠি, ঘিয়ের দীপ জ্বালিয়ে দিন ।
দুটো বোদের লাড্ডু এবং লবণের মিশ্রিত টক-মিষ্টি কিছু ভোগ দিন ।
কিছুটা দই পাশে রাখুন ।
এরপর মন্ত্রের জপ রুদ্রাক্ষ মালাতে ৫ মালা জপ করুন ।
জপের সময় হতে পারে মূর্তিতে কোন নড়াচড়া হচ্ছে, ভয় পাওয়ার কিছুই নেই ।
মানুষের বাচ্চার কান্নার শব্দ আসতে পারে ।
যদি মনে হয় কলুয়া কথা বলেছে তাহলে মনে সাহস নিয়ে কথা বলুন ।
কলুয়া প্রত্যক্ষ হলে তার সঙ্গে কথা বলুন ।
কলুয়া কোন উল্টোপাল্টা কথা বললে দুষ্টুমি করলে তাকে বকা দিন ।
এরপর কলুয়ার থেকে প্রতিশ্রুতি করিয়ে নিন ।
এই অবস্থায় আপনি কলুয়ার থেকে নোট চাইতে পারেন ।
লটারি নম্বর নিতে পারেন ।
সামনে ভবিষ্যতে নানান প্রকার কার্য করাতে পারেন ।
সবশেষে মূর্তি কে নিয়ে গিয়ে মাটিতে পুতে দিন ।
চাইলে দ্বিতীয় দিনেও করে দিতে পারেন ।
এরপর গামলার দুধ গরম করে তা ঠান্ডা করে তারমধ্যে দই মিলিয়ে জমিয়ে দিন ।
দ্বিতীয় দিনে তার থেকে ঘি তৈরি করে নিন ।
যদি কখনো কলুয়ার থেকে কোন কার্য করানোর হয় তাহলে ওই ঘিয়ের দীপ জ্বালিয়ে কলুয়াকে আহবান করুন তো কলুয়া সামনে হাজির হয়ে যাবে এবং কার্য সম্পন্ন করবে ।
কলুয়া অত্যন্ত চমৎকার কার্য করতে পারে ।
এর থেকে অনেক কিছু হয় ।
শুধুমাত্র সেই সাধনা করুন যিনি অত্যন্ত সাহসী ।
কিন্তু এই সাধনায় তেমন ভয় লাগেনা ।
মন্ত্রের জন্য সম্পর্ক করুন ।

 

সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

 

Friday, May 14, 2021

গুরু মন্ত্রের মহিমা গুরুর মুখ থেকে

 

গুরু মন্ত্রের মহিমা গুরুর মুখ থেকে


গুরু মন্ত্রের মহিমা কি আজ আমি আপনাদের বলছি ।
গুরু এবং শিষ্যের মধ্যে যে সম্পর্ক স্থাপন হয় তা হল গুরু মন্ত্র এবং এই সম্পর্কের মধ্যে যে শক্তি বা ক্ষমতা যাই কিছু হোক তা হল শুধুমাত্র গুরু মন্ত্র ।
গুরু মন্ত্র একটি এমন মন্ত্র যে যা সাধক, ভক্ত, প্রত্যেক ব্যক্তির সর্বোপরি সাধকের সাধনা শুরু, ভক্তের ভক্তি শুরু, ব্যক্তির ভগবানের প্রতি প্রেম ভালোবাসা অদ্ভুত বন্ধনের শুরু হয় এবং প্রত্যেক ব্যক্তির ক্ষেত্রে সমস্ত কিছু করার সামর্থ্য প্রদানকারী হয় ।
এই দুনিয়ায় এমন কোন কাজ নেই যা শুধুমাত্র গুরু মন্ত্র দ্বারা করা যায় না ।
যখন আপনারা কোন গুরুর কাছে যান গুরুর সান্নিধ্যে পৌঁছালে গুরু স্বয়ং দীক্ষা প্রদান করেন ।
ওই দীক্ষাতে আপনার কানে মন্ত্র বলা হয় এই গুরু মন্ত্র সম্পূর্ণরূপে সিদ্ধ হয়ে থাকে, এই মন্ত্র কে সিদ্ধ করার ও কোন প্রয়োজন নেই ।
এরমধ্যে সম্পূর্ণ শক্তি নিহিত থাকে ।
যিনি আপনার গুরু হন তিনি আপনার হৃদয়ের কথা অনুভব এবং আপনার ইষ্ট দেবদেবীর গুরু মন্ত্র প্রদান করেন এবং কোন কোন জায়গায় আলাদা আলাদা গুরু মন্ত্র দেওয়া হয়ে থাকে ।
এটা গুরুর উপর নির্ভর করে সে কেমন গুরু যে আপনাকে আপনার গুরু মন্ত্র প্রদান করবেন ।
আমি আপনাদের যিনি ইষ্টশক্তি বা দেব দেব দেবী হন ওনার গুরু মন্ত্র বা ইষ্টমন্ত্র প্রদান করি ।
কারণ আপনার যখন মৃত্যুর সময় আসে বা আপনার মৃত্যু হয় তখন আপনার মৃত্যুর পর আপনি আপনার প্রিয় ইষ্টকে পেতে পারেন বা সেই ইষ্ট দেব/দেবীর সান্নিধ্যে যেতে পারেন ।
এর অর্থ এটাই যে যদি আপনার ইষ্ট মাতা কালী হন তাহলে মৃত্যুর পর আপনি মাতা কালীর কাছে যাবেন বা যদি আপনার ইষ্ট ভগবান রাম হন তাহলে আপনি মৃত্যুর পর ভগবান রামের কাছে যাবেন বা যদি আপনার ইষ্ট ভগবান কৃষ্ণ হন তো আমি কৃষ্ণ মন্ত্র প্রদান করি, এরফলে আপনি যতই ওই মন্ত্র জপ করেন বা গ্রহণ করেন পরিপূর্ণ ভাব দ্বারা করেন শরীর মন থেকে সেবা করেন তাহলে মৃত্যুর পর আপনি আপনার ইষ্ট কৃষ্ণের কাছে যাবেন ।
গুরু মন্ত্র দ্বারা আপনি ষটকর্ম মারন, স্তম্ভন, বিদ্বেষণ, বশীকরণ এমনকি সংসারের সকল ক্রিয়া বিদ্যা জ্ঞান প্রাপ্ত করতে পারবেন । যেকোনো শক্তির প্রত্যক্ষ রূপ আপনি সাধনার দ্বারা দর্শন করতে পারবেন ।
এই সব বিশেষ ক্রিয়ার জন্য আপনাকে আলাদাভাবে কিছু নিয়ম পালন করতে হবে বা জানতে হবে, যা আপনারা আমার ব্লগে পেয়ে যাবেন ।
মানুষ অন্যান্য সাধনা অন্যান্য শক্তির প্রত্যক্ষ রূপ দেখতে গিয়ে বা পেতে গিয়ে অনেক সময় নষ্ট করে যা শুধুমাত্র গুরু মন্ত্র জপ দ্বারা অতি সহজেই করে ফেলতে পারে এবং নিজের জীবনকে অনেক উঁচু এবং পর্বতের শিখরে পৌঁছে দিতে পারেন ।
গুরু মন্ত্র এমনই একটি সত্ত্বা যা আপনাকে আপনার মৃত্যুর পরও অসীম সুখ প্রদান করে যা আপনার মৃত্যুর পরও আপনার গুরু, আপনার ইষ্ট এবং আপনার প্রতি একটি বিশেষ সম্পর্কের স্থাপন করে ।
আপনার ইষ্টের ইচ্ছা অনুযায়ী যখন আপনি পরবর্তী জন্ম নেন বা জীবন ধারণ করেন তখনো গুরু মন্ত্রের সম্পূর্ণ প্রভাব থাকে ।
নবজন্মেও আপনার ইষ্ট আপনার গুরু আপনার সাথে সম্পূর্ণ জুড়ে থাকেন ।
কিছু মানুষ গুরু মন্ত্র নিয়ে ভুলে যান বা জপ ঠিকমতন করেন না ।
গুরু মন্ত্র কখনো ভুলে যাওয়ার জিনিস নয় বা ঠিক মতন জপ না করার জিনিস নয় ।
গুরু মন্ত্র নিজেই একটি অদ্ভুত শক্তি ।
আপনারা গুরু মন্ত্র কে ছেড়ে অন্যান্য পূজা পাঠ অন্যান্য শক্তি, ভুত-প্রেত, জ্বীন-জ্বীন্নাত, পরী, অপ্সরা ইত্যাদি তে এতটাই মগ্ন হয়ে যান কিন্তু গুরুর সাথে যে একটি বিশেষ সম্পর্ক থাকে তা চিনে উঠতে পারেন না । আপনারা সেই সম্পর্ক স্থাপন করে উঠতে পারেন না ।
যদি আমরা গুরু মন্ত্র প্রতিনিয়ত করতেই থাকে তাহলে গুরুর সম্পূর্ণ কৃপা আমাদের উপর এসে পড়ে গুরু স্বয়ং আমাদের খেয়াল রাখেন ।
ওই গুরু থেকে যে সকল প্রকার বিদ্যা আমাদের প্রাপ্ত হয় তা সম্পূর্ণরূপে কার্য করতে থাকে ।
কিন্তু আমরা এই সব ছেড়ে ভুত-প্রেত,জ্বীন-জিন্নাত ইত্যাদির সিদ্ধির জন্য উঠে পড়ে লাগি আর গুরু মন্ত্রের জপ করাই ভুলে যাই বা জপ করাই বন্ধ করে দেই ।
যা কিনা আমাদের নিত্য প্রতিদিন গুরু মন্ত্র জপ করা ইচ্ছা থাকা উচিত একটা নির্দিষ্ট সময় কম করে এক ঘণ্টার বেশি জপ করা উচিত ।
শুরু শুরু তে দুই থেকে আড়াই ঘন্টা জপ করাই উচিত কিন্তু পরিস্থিতি না থাকলে খুব কম করে এক ঘণ্টার বেশি জপ করা উচিত ।
আমি গুরু মন্ত্র জপ দুই থেকে আড়াই ঘন্টার বেশি সময় করতে বলি কারণ এটা অনেক ভেবে চিন্তে বলেছি ।
আপনারা গুরুর আদেশ মনে করেই অন্তত দুই মাস গুরু মন্ত্র দুই থেকে আড়াই ঘন্টা জপ করে দেখুন আপনার কায়া পাল্টে যাবে, আপনার সমস্যা মুহূর্তেই শেষ হয়ে যাবে ।
এটা ভেবে করুন যে আমার ইষ্টকে খুশি করতে আমি জপ করব বা আমার গুরুকে প্রসন্ন করতে গুরুর সম্পূর্ণ কৃপা পেতে আমি জপ করব কারণ গুরু কৃপা লাভ হলে ইষ্ট কৃপা এমনিতেই লাভ হয়ে যায় ।
এতে করে গুরু মন্ত্রের সম্পূর্ণ ফল প্রাপ্ত হয় ।
তো গুরু মন্ত্র অন্যান্য ভুত-প্রেত দেবী দেবতা বা অন্যান্য শক্তি যা করবে এর চেয়ে অনেক অনেক বেশি প্রভাব নিয়ে কাজ করবে ।
আপনি আপনার গুরু মন্ত্র ছেড়ে অন্যান্য যত সাধনায় করুন যত পূজায় করুন গুরুর প্রতি এবং গুরু মন্ত্রের প্রতি আপনার সম্পূর্ণ আস্থা প্রেম শ্রদ্ধা ভালোবাসা বিশ্বাস না হলে কোন সাধনা কেন কোন দেবী দেবতা কোন পূজা পাঠ শুরু হবে না তো সফল কি করে হবে ।
সাধনা, পূজা-পাঠ, গুরু, ইষ্ট কৃপা, তন্ত্র ইত্যাদি সবকিছু শুরুর জন্য নিজের প্রেম শ্রদ্ধা বিশ্বাস এবং সম্পূর্ণ সমর্পণ গুরুর প্রতি হওয়া আবশ্যক এসব ছেড়ে আপনি আজ এই গুরু কাল ওই গুরু এমন ১০০ গুরু খুঁজে যান কোনোটাই পাবেন না ।
যতক্ষন না আপনি গুরুর প্রতি নিজের ভাব শরীর-মন আত্মা সবকিছু নিয়ে সমর্পিত না হন ততক্ষণ কোনটাই সম্ভব নয় ।
ইষ্ট পূজা পাঠ সাধনা যতটাই এখন আপনার থেকে দূরে ঠিক ততটাই আপনার থেকে দূরেই থাকবে ।
ইষ্ট গুরু কৃপা পূজা পাঠ সাধনা তন্ত্র কারোর অধিকারের জিনিস নয় আপনি এটা পরিশ্রম দ্বারা প্রাপ্ত করতে পারবেন যা আপনাকেই করতে হবে । এই দুনিয়া সকল গুরু, সকল শক্তি, এমনকি যদি স্বয়ং মহাদেব আপনার সামনে আসেন আপনাকে শুধু রাস্তা দেখাবেন সেই রাস্তায় চলে সফল প্রাপ্তি আপনাকেই পরিশ্রম দ্বারাই করতে হবে শ্রদ্ধা বিশ্বাস সমর্পণ পরিশ্রম আপনাকে করতে হবে ।
তাই এটাই বলব যতটুকু পারবেন যত বেশি পারবেন শুধু গুরু মন্ত্র জপ করুন যতটুকু সময় পান ততটুকু সময় গুরু মন্ত্র মানসিক জপ করতে থাকুন ।
গুরু মন্ত্রের জন্য কোন বিশেষ অনুষ্ঠানের ব্যাপার নেই কোন আলাদা পূজা পাঠের ব্যাপার নেই কোন আলাদা বস্তুর প্রয়োজন নেই শুধু বসে মানসিক ভাবে গুরু মন্ত্র করতে থাকুন অতি শীঘ্রই কয়েক ঘন্টা তে আপনার কায়া পাল্টে যাবে ।
মানুষেরা পরিশ্রম করতে চায়না মানুষ অতি সহজেই সবকিছু প্রাপ্ত করতে চায় ।
লোক কিছু বুঝতে চায় না কিছু শিখতে চায় না কিছু জানতে চায় না ।
তাই সর্বদা গুরু মন্ত্র জপ করতে থাকুন কারণ গুরু মন্ত্র ছাড়া কোন শাস্ত্র নেই কোন শক্তি নেই ।
গুরু মন্ত্র ছাড়া আপনার গতি কেউ করতে পারবে না ।
যদি নিজেকে সম্পূর্ণরূপে গুরু মন্ত্রে লীন করা যায় তাহলে ইষ্ট স্বয়ং মুক্তির দরজা খুলে দিয়ে মুক্তি প্রদান করে দেন ।
গুরু মন্ত্র এমনই শক্তি যা আপনার এই জন্ম-জন্মান্তরের বন্ধন কেটে ফেলে আপনাকে মোক্ষ প্রদান করতে পারে ।
তাই সর্বদা গুরু মন্ত্র জপ করতে থাকুন ।

 

সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

Thursday, May 13, 2021

জ্যোত করার বিধি

 

জ্যোত করার বিধি


নতুন পুরানো এবং সকল সাধারণকে জ্যোত করার বিষয় বলছি যাকে যদিও আরতি বলা যেতে পারে এই মাধ্যম দিয়ে দেবী দেবতা বা অন্যান্য শক্তিকে একদম ছোট হবন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোগ নিবেদন করা হয়
গুরু, গণেশ,ষ্ট, স্থান দেব, কুল দেব, পিতৃদেব ইত্যাদি সকলকে ভোগ প্রদান করা হয় যা উনাদের প্রাপ্ত হয়
সমস্ত সাধক গন নিজের ইষ্ট শক্তি বাড়ানোর জন্য উনাকে ভোগ নিবেদন করবে সপ্তাহে কম করে একবার তাই জ্যোত অবশ্যই করা উচিত, যেই দিন আপনার দেব বা দেবীর দিন ঐদিন জ্যোত করা উচিত স্বাভাবিক ভাবে প্রত্যেক শনিবার করা যেতে পারে


বিধি


কোন পাত্রে তেল রাখুন এবং অল্প কিছু হবন সামগ্রীর ধুপ রাখুন

এরপর গোবরের তৈরী শুকনো উপলা বা ঘুটে জ্বালিয়ে নিয়ে লাল হয়ে যাওয়ার পর তার উপর ধূপ বা হবন সামগ্রী অল্প অল্প করে ছড়িয়ে দিন ও অল্প একটু করে করে চামচে করে সরষের তেল ঢালুন কিছু বিশেষ কাজে ঘী দ্বারাও করা হয় । তারপর কর্পূর গুঁড়া ছড়িয়ে দিন ।

এরপর একটা কোনায় আগুন ধরিয়ে দিন, প্রদীপের থেকে দূরে সরিয়ে রাখুন তা না হলে প্রদীপের পাশে রাখলে অত্যাধিক পরিমাণে গ্যাস হয় বিস্ফোরণের মতন আগুন জ্বলে উঠতে পারে

কেউ কেউ কর্পূদ্বারাও জ্বালিয়ে দেয় যেমন করেই হোক জ্বেলে নিন একে জ্যোজ্বালানো বলে যখন চারি দিক থেকে খুব ভালো করে চলে যাবে তারা তখন মানসিকভাবে দেবী দেবতা কেবাহকরে ভোগ নেওয়ার প্রার্থনা করুন । 

এরপর জোড়া লবঙ্গ নিয়ে মন্ত্র পড়তে পড়তে ঘী বা তেল যা কিছু আছে লাগিয়ে মন্ত্র শেষ হবার সাথে সাথেই আগুনের 🔥 মাঝে দিয়ে দিন । এই ভাবে ১১ বার ২১ বার যত সংখ্যা ইচ্ছা জ্যোত করুন । 

এরপর একটি বাতাসার উপর জোড়া (দুটো) লবঙ্গ নিয়ে মন্ত্র পড়তে পড়তে বা সেই দেবী দেবতা বা ইষ্ট বা যেই শক্তির নামে ভোগ দিতে চাইছেন তার নাম নিয়ে তার উদ্দেশ্যে বাতাসা ও লবঙ্গ আগুনের 🔥 মাঝে দিয়ে দিন ।

আপনি আপনার গুরুমন্ত্রের শক্তি বৃদ্ধির জন্য এটা করতে পারেন । এতে হবন সামগ্রীর দ্বারা ২১ বার জ্যোত দিতে পারেন । এরপর ২ টি করে লবঙ্গ নিয়ে ১১/২১/৫১/১০৮/অধিক বার জ্যোত করুন । তারপর জোড়া লবঙ্গ ও বাতাসার ভোগ দিন । লবঙ্গ সর্বদা ফুল সমেত ব্যবহার করতে হবে।

যেই ভোগ লবঙ্গ, বাতাসা বা মিঠাই, জায়ফল, লেবু যা-কিছুই হোক তা দেওয়ার হলে আগুনের মাখানে ছড়িয়ে দিন

ছড়ানো সময় দেবতার নাম বলা উচিত সবাইকে আলাদা আলাদা করে ভোগ দিন এবং মাঝে মাঝে হবন সামগ্রী ও তেল দিতে থাকুন দেবতা কে লবঙ্গ দিয়ে বাতাসা অবশ্যই দেওয়া উচিত

এতে দেবতাদের শক্তি বৃদ্ধি হয় আগুন জ্বালানোর জন্য কর্পূরের ব্যবহার করা যেতে পারে

এই ভাবে আপনি আপনার কবচ মন্ত্র, গুরুমন্ত্র বা অন্য সিদ্ধ মন্ত্র বা আপনার ঘরের কুল দেব/দেবী, স্থান দেব/দেবী র জ্যোত করতে পারেন ।

কোন গোবরের ঘুটে খুব ভালো করে জ্বালানো উচিত নয় তো জ্যোতের আগুন ভালোভাবে জ্বলে না

মাঝে মাঝে আবারও হবন সামগ্রী, আমের সমিধা (ছোট ছোট আম কাঠের টুকরো)  তেল/ঘী দেওয়া উচিত

জ্যোত বন্ধ কক্ষে করা উচিত নয় খোলা জায়গায় করা উচিত

জ্যোত করার পর শিশুদের থেকে কিছুটা দূরে রাখা উচিত, কারণ এতে বেশ কিছু সময় আগুনের গরম থাকে

জ্যোত যখন খুশি করা যেতে পারে কিন্তু এর জন্য সন্ধ্যাকালীন সময় সবচেয়ে ভালো

 

সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218




Tuesday, May 11, 2021

হনুমান্ চালীসা

হনুমান্ চালীসা

দোহা
শ্রী গুরু চরণ সরোজ রজ নিজমন মুকুর সুধারি ।
বরণৌ রঘুবর বিমলযশ জো দাযক ফলচারি ॥
বুদ্ধিহীন তনুজানিকৈ সুমিরৌ পবন কুমার ।
বল বুদ্ধি বিদ্যা দেহু মোহি হরহু কলেশ বিকার ॥

চৌপাঈ
হনুমান জ্ঞান গুণ সাগর ।
কপীশ তিহু লোক উজাগর ॥ 1

রামদূত অতুলিত বলধামা ।
অংজনি পুত্র পবনসুত নামা ॥ 2

মহাবীর বিক্রম বজরঙ্গী
কুমতি নিবার সুমতি কে সঙ্গী3

কংচন বরণ বিরাজ সুবেশা ।
কানন কুংডল কুংচিত কেশা ॥ 4

হাথবজ্র ঔ ধ্বজা বিরাজৈ ।
কাংথে মূংজ জনে সাজৈ ॥ 5

শংকর স্বয়ং কেসরী নন্দন ।
তেজ প্রতাপ মহাজগ বন্দন ॥ 6

বিদ্যাবান গুণী অতি চাতুর ।
রাম কাজ করিবে কো আতুর ॥ 7

প্রভু চরিত্র সুনিবে কো রসিয়া
রামলখন সীতা মন বসিয়া8

সূক্ষ্ম রূপধরি সিহি দিখাবা ।
বিকট রূপধরি লংক জলাবা ॥ 9

ভীম রূপধরি অসুর সংহারে ।
রামচন্দ্র কে কাজ সংবারে ॥ 10


লায় সংজীবন লখন জিয়ায়ে
শ্রী রঘুবীর হরষি উর লায়ে11

রঘুপতি কীন্হী বহুত বডাঙ্গী
তুম মম প্রিয ভরত সম ভা12

সহস্র বদন তুম্হরো যশ গাবৈ ।
অস কহি শ্রীপতি কন্ঠ লগাবৈ ॥ 13

সনকাদিক ব্রহ্মাদি মুনীশা ।
নারদ শারদ সহিত অহীশা ॥ 14

যম কুবের দিগপাল জহাং তে ।
কবি কোবিদ কহি সকে কহাং তে ॥ 15

তুম উপকার সুগ্রীবহি কীন্হা ।
রাম মিলায় রাজপদ দীন্হা ॥ 16

তুম্হরো মন্ত্র বিভীষণ মানা ।
লংকেশ্বর ভযে সব জগ জানা ॥ 17

যুগ সহস্র যোজন পর ভানূ ।
লীল্যো তাহি মধুর ফল জানূ ॥ 18

প্রভু মুদ্রিকা মেলি মুখ মাহী ।
জলধি লাংঘি গযে অচরজ নাহী ॥ 19

দুর্গম কাজ জগত কে জেতে ।
সুগম অনুগ্রহ তুম্হরে তেতে ॥ 20

রাম দুআরে তুম রখবারে ।
হোত ন আজ্ঞা বিনু পৈসারে ॥ 21

সব সুখ লহৈ তুম্হারী শরণা ।
তুম রক্ষক কাহূ কো ডর না ॥ 22

আপন তেজ সম্হারো আপৈ ।
তীনোং লোক হাংক তে কাংপৈ ॥ 23

ভূত পিশাচ নিকট নহি আবৈ ।
মহাবীর জব নাম সুনাবৈ ॥ 24

নাসৈ রোগ হরৈ সব পীরা ।
জপত নিরংতর হনুমত বীরা ॥ 25

সংকট সে হনুমান ছুডাবৈ ।
মন ক্রম বচন ধ্যান জো লাবৈ ॥ 26

সব পর রাম রাজ সির তাজা ।
তিনকে কাজ সকল তুম সাজা ॥ 27

ঔর মনোরধ জো কো লাবৈ ।
সৌঈ অমিত জীবন ফল পাবৈ ॥ 28

চারো যুগ প্রতাপ তুম্হারা ।
হৈ প্রসিদ্ধ জগত উজিযারা ॥ 29

সাধু সন্ত কে তুম রখবারে ।
অসুর নিকংদন রাম দুলারে ॥ 30

অষ্ঠসিদ্ধি নব নিধি কে দাতা ।
অস বর দীন্হ জানকী মাতা ॥ 31

রাম রসাযন তুম্হারে পাসা ।
সাদর হো রঘুপতি কে দাসা ॥ 32

তুম্হরে ভজন রামকো পাবৈ ।
জন্ম জন্ম কে দুখ বিসরাবৈ ॥ 33

অংত কাল রঘুপতি পুরজা
জহাং জন্ম হরিভক্ত কহা34

ঔর দেবতা চিত্ত ন ধর
হনুমত সে সর্ব সুখ কর35

সংকট ক(হ)টৈ মিটৈ সব পীরা ।
জো সুমিরৈ হনুমত বল বীরা ॥ 36

জৈ জৈ জৈ হনুমান গোসা
কৃপা করহু গুরুদেব কী না37

যো শত বার পাঠ কর কো
ছূটহি বন্দি মহা সুখ হোঈ38

জো হ পডৈ হনুমান চালীসা ।
হো সিদ্ধি সাখী গৌরীশা ॥ 39

তুলসীদাস সদা হরি চেরা ।
কীজৈ নাথ হৃদ মহ ডেরা ॥ 40

দোহা
পবন তন সঙ্কট হরণ - মঙ্গল মূরতি রূপ্ ।
রাম লখন সীতা সহিত - হৃদ বসহু সুরভূপ্ ॥
সিয়াবর রামচন্দ্রকী জ । পবনসুত হনুমানকী জ । বোলো ভা সব সন্তনকী জ

 

ধ্যানম্
গোষ্পদীকৃত বারাশিং মশকীকৃত রাক্ষসম্ ।
রামাণ মহামালা রত্নং বংদে-(অ)নিলাত্মজম্ ॥
ত্র ত্র রঘুনাথ কীর্তনং তত্র তত্র কৃতমস্ত কাংজলিম্ ।
ভাষ্পবারি পরিপূর্ণ লোচনং মারুতিং নমত রাক্ষসাংতকম্ ॥

 

 

সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

Contact: 7980327001 / 9804582218

 

Sunday, May 9, 2021

কাল ভৈরব সাধনা

কাল ভৈরব সাধনা


ভগবান শিবের এক সাক্ষাৎ রূপের নাম হল ভৈরব রূপ । যা শক্তির এক বিশেষ এবং অনন্য রূপ । 

ইনি যেই সাধকের উপর প্রসন্ন হয়ে যান সেই সাধককে তন্ত্রতে অনেক উচ্চকোটি সাধক বানিয়ে তার নাম যশ খ্যাতি বানিয়ে দেন ।

ভৈরবের সাধনা অনেক রকম এবং অনেক প্রকারের হয় ।

এই সাধনা উগ্র সাধনার ক্রমের মধ্যে পরে ।

কিছু মানুষ এনার পূজা তামসিক পূজা বলে মানে কিন্তু আপনারা এনার পূজা স্বাত্তিক রূপেই করতে পারেন । আমি এনার পূজা স্বাত্তিক রূপেই করাই এবং করিয়ে আসছি ।

ইনি অনেক শীঘ্র পরিণাম দেন ।

আমি এনার স্বাত্তিক পূজা বিধি দিচ্ছি আপনারা সাধনা করে লাভ করতে পারেন ।

এই সাধনায় ভৈরবের রূপের প্রত্যক্ষ দর্শন এনার পরিপূর্ণ প্রসন্ন হবার পর হয় । কিছু বিরল সাধকের মানসিক এবং স্বপ্নের মধ্যে ইনি দর্শন দিয়ে মনোকামনা পূর্ণ করেন ।


সাধনা বিধি

এই সাধনা অষ্টমী বা রবিবার বা অমাবস্যাতে শুরু করা যেতে পারে ।

সাধক ভালো করে স্নান করে কালো আসনের উপর বসুন ।

কালো কাপড় পরতে হবে ।

দক্ষিন দিকে মুখ করে সাধনায় বসতে হবে ।

একটি ত্রিকোণা পাথর নিয়ে তার উপর সিন্দুর মাখিয়ে একটি থালার উপর কালো কাপড় পেতে তার উপর পাথরটিকে স্থাপনা করতে হবে ।

যতদিনের পূজা করা হবে ততদিনের সংকল্প নিতে হবে ।

এরপর প্রাথমিক পূজা করতে হবে ।

তারপর ভৈরব জীর আবাহন ঐ পাথরে করতে হবে ।

এরপর সিন্দুরের টীকা ঐ পাথরে লাগিয়ে নিজেকেও লাগাতে হবে ।

পঞ্চোপচার পূজা দিন মাসকলাই ডালের সাথে মুঁগ ডাল এবং ২ টো লবঙ্গ জোড়া করে বাতাসায় লাগিয়ে ভোগ দিন ।

সাধনাতে দর্শন প্রাপ্তির জন্য প্রার্থনা করুন ।

এরপর রুদ্রাক্ষ মালা দিয়ে সর্বপ্রথম গুরুমন্ত্রের ১ মালা জপ করুন ।

তারপর মূল মন্ত্রের ২১ মালা জপ করুন ।

কিছু অনুভূতি হলে ভয় করবেন না ।

এটাই সফলতার নিশান ।

জপের পর জপ দেবতাকে অর্পিত করে ক্ষমা প্রার্থনা করুন ।

তারপর ওই সাধনা কক্ষের মাটিতে শুয়ে পড়ুন ।

এইরকম টানা ৪০ দিন করুন । ৪০ দিন না করতে পারলে ২১ দিন করুন কৃপা প্রাপ্তি হয়ে যাবে ।

কাল ভৈরব মন্ত্রের জন্য সম্পর্ক করুন ।

 

সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

 

Friday, May 7, 2021

অশৌচ

 

অশৌচ

 

আমাদের ধর্মে যদি কোনো কারোর মৃত্যু হয়ে যায় তখন সেই সময় সবথেকে বড় কথা উঠে দাঁড়ায় অশৌচের বিষয় । এই সময় পূজা পাঠ সাধনা ইত্যাদি করা যাবে কিনা বা কতদিন পরে তা করা যাবে ইত্যাদি ইত্যাদি ।

তো আজ এই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছি ।

পরিবারের কোন ব্যক্তির মৃত্যু হলে কাল অশৌচ লাগে ।

তাই পুরো ১৩ দিন পর্যন্ত কোনো ধরণের পূজা পাঠ করা যাবে না ।

পরিবারের সদস্য যদি বাইরে হাজার কিলোমিটার দুরেও থাকে তাও পরিবারের কারোর মৃত্যু হলে ১৩ দিন পর্যন্ত সব ধরণের পূজা পাঠ বন্ধ থাকবে ।

 

পরিবারের যদি কারোর যদি বাচ্চা জন্ম হয় তাহলে জননা অশৌচ লাগে ।

এটা ততদিন পর্যন্ত পালন করা হয় যতদিন না অবধি সেই বাচ্চার নামকরণ না করা হয় বা ব্রাহ্মণ ভোজন না করানো হয় ।

যদি বাচ্চার মূল এসে যায় মূল শান্তি না হয়, নাম করণ না হয়ে যায় ততদিন অশৌচ পালন করা হয় ।

ততদিন পূজা পাঠ বন্ধ রাখা হয় ।

মেয়ের জন্য মাতা-পিতার কেবল ১দিনের অশৌচ লাগে ।

গর্ভপাত হলে কেবল ১দিনের অশৌচ লাগে ।

বাচ্চার জন্মের কিছুদিনের মধ্যে বাচ্চার মৃত্যু হয়ে গেলে বাচ্চা যত মাসের হয় তত দিনের অশৌচ লাগে ।

১ বছরের বাচ্চার মৃত্যু হলে পুরো ১৩ দিনের অশৌচ মানা হয় ।

 

অশৌচ কালে কোনো সাধনা শুরু করতে নেই ।

যদি আগে থেকেই কোনো সাধনা করা হয়ে থাকে সাধনার ক্রিয়াকর্ম চলতে থাকে তাহলে সেটা স্বাভাবিক রাখা যেতে পারে এতে কোনো সমস্যা নেই । যদি কোনো বিশেষ কারোর মৃত্যু না হয় তাহলে সাধনা চালু রাখা যেতে পারে ।

আগে থেকেই করা সাধনা বন্ধ না করলে কোনো সমস্যা নেই ।

উগ্র সাধনা করলে কখনই কোনো কারণে মাঝপথে বন্ধ করা যাবে না । এতে নিজেরই প্রাণ নাশের আশঙ্কা থাকে ।

পরিবারের মৃত ব্যক্তির ১৩ দিনের অশৌচ, বাচ্চার মৃত্যুর অশৌচ, গর্ভপাত ইত্যাদি অশৌচ মিটে গেলে পুনরায় পূজা পাঠ সাধনা ইত্যাদি করা যেতে পারে । মন্দিরে পুজা পাঠও দেওয়া যেতে পারে ।

 

স্ত্রী সাধিকার মাসিক ধর্ম চলাকালীন সাধনা বন্ধ রাখতে হবে ।

রজঃস্রাবের দিন শেষ হলে সাধনা নিয়মিত করা যাবে ।

 

এই সমস্ত অশৌচের দিন গুলোতে সাধক সাধিকা গুরুমন্ত্রের মানসিক জপ করে যেতে পারবেন ।

মানসিক জপ কখনো খন্ডিত এবং অপবিত্র হয় না ।

 

এইসব বিষয় সাধক সাধিকা বা সাধারণের প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই পালন করা উচিত ।

 

সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

Contact: 7980327001 / 9804582218

 

Thursday, May 6, 2021

সিফলী জ্বীন সাধনা

 

সিফলী জ্বীন সাধনা


আজ আমি আপনাদের এক জ্বীনের সিফলী জ্ঞান প্রদান করছি ।

এই জ্ঞান বা সাধনা দ্বারা যে জ্বীনের সিদ্ধি হয় তা ভীষণ শক্তিশালী হয় ।

সেকেন্ডের মধ্যে অনেক কিছু করে ফেলতে সক্ষম ।

এটি একটি উগ্র সাধনা ।

তাই এই সাধনা বেশ অনেকটাই সাবধানতার সাথে করা উচিত । প্রাণও চলে যাবার ভয় থাকে ।

দূর্বল মনের ভীতু মনের লোকেরা এই সাধনা করবেন না ।

এই সাধনাতে ভয় লাগে । হার্ট এটার্ক হবার সম্ভাবনা থাকে ।

এই জ্বীন পরীক্ষা নিতে অনেক ভয় দেখায় ।

কোনো জিনিস আনার কাজ মুহূর্তের মধ্যে করে ফেলতে পারে । এছাড়াও অনেক কাজ করে দেয় ।

 

সাধনা বিধি

এই সাধনা মাত্র দিনের হয় ।

দিনেই জ্বীন সিদ্ধ হয়ে যায় ।

বৃহস্পতিবার রাতে ভালো করে স্নান করে এই সাধনা করা উচিত । রাত দশটার পরে

সাদা বস্ত্র এবং মাথায় মুসলিম সাদা টুপি পড়ুন এবং সবুজ আসন বা জায়নামাজ নিন ।

পশ্চিম মুখ হয়ে সাধনার সকল সামগ্রী নিয়ে বসুন ।

সুরক্ষা ঘেরা লাগিয়ে নিন । নিজেকে সুরক্ষা কবচ করে নিন কবচ মন্ত্র দ্বারা ।

লোবানের ধূপ ধরিয়ে দিন ।

মনে রাখবেন আগরবাতি বা ধূপকাঠি জ্বালাবেন না ।

সর্ষের তেলের প্রদীপ জ্বালুন ।

মুসলিম নিয়মে সব পূজা দিন । (মুসলিম পূজা বিধির পোষ্ট দেখুন) ।

কেবল উস্তাদের পূজা দিন । উনাকে কেবল মিঠাইয়ের ভোগ দিন ।

এরপর সিফলী জ্বীনকে আবাহন করুন । বন্ধুর রূপে স্মরণ করুন এবং ডাকুন ।

কেওড়ার আতর দিন ।

সিগারেট, মদ, মাংস বা ডিমের ভোগ দিন ।

এরপর গুরু মন্ত্রের ১ মালা জপ করুন ।

তারপর সিফলী জ্বীনের মন্ত্র জপ করুন ।

মন্ত্রের জপ কালো হাকিক মালা দিয়ে করুন ।

মন্ত্র ১১ মালা জপ করুন ।

জপের সময় কিছু দেখলে বা শুনতে পেলে ভয় পাবেন না ।

জপ করতে থাকুন ।

জপের পর মাটিতে ঘুমিয়ে পড়ুন ।

ঘুমের মধ্যে বা রাতে কিছু অনুভব হলে ভয় পাবেন না ।

 

সিফলী জ্বীনের মন্ত্রের জন্য সম্পর্ক করুন ।

 

সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

 

 

বিজয় প্রাপ্তির জন্য মাতঙ্গী সাধনা

 

বিজয় প্রাপ্তির জন্য মাতঙ্গী সাধনা

 



এই সাধনা যেকোনো কাজের সফলতা প্রাপ্তির করতে পারেন ।

চাকরি, পরীক্ষা, সাক্ষাৎকার, মামলা-মোকদ্দমা ইত্যাদির জন্য এই মন্ত্র অনেক শীঘ্র তীব্র পরিণাম দেয় ।

বিধি

এই সাধনা কোনো অষ্টমী অথবা শুক্রবার থেকে শুরু করা যেতে পারে । রাত দশটার পরে

উত্তর দিকে মুখ হয়ে বসুন ।

সামনে মাতঙ্গী মাতার চিত্র রাখা হয়ে অত্যন্ত ভালো হয় ।

সর্বপ্রথম সংকল্প নিন আমি অমুক কার্যে সফলতা প্রাপ্তির জন্য সাধনা করছি ।

সাধনার জন্য পূজা সামগ্রী সাদা রঙের নিন । আসন, কাপড়, বস্ত্র ইত্যাদি ।

সর্বপ্রথম গুরু, গণেশ, ইষ্ট, কুল দেব/দেবী স্থান দেব/দেবীর পঞ্চোপচার পূজা দিন ।

এরপর মাতাকে আবাহন করে পঞ্চোপচার পূজা দিন ।

মন্ত্র প্রতিদিন ৬০০০ বার জপ করুন ।

মালা স্ফটিক বা চন্দন পাওয়া গেলে ঠিক আছে নাহলে রুদ্রাক্ষ মালাতেও চলবে ।

এই প্রয়োগ ২১ দিন করতে হবে ।

৬০০০ বার জপের দশাংশ ৬০০ হোম প্রতিদিন করতে পারলে ঠিক আছে নাহলে ২২ তম দিনে পুরো মোট জপের দশাংশ হোম করতে হবে ।

হোমের দশাংশ অর্পণ ।

অর্পণের দশাংশ তর্পণ ।

তর্পণের দশাংশ মার্জন করতে হবে ।

এরপর একজন ব্রাহ্মণ ভোজন করিয়ে সাধনা সমর্পিত করুন ।

যেখানে প্রয়োজন মাতার সিদ্ধ মন্ত্র জপ করুন এবং নিজেই চমৎকার দেখুন ।

মন্ত্রের জন্য সম্পর্ক করুন ।

 

সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

গুরু মন্ত্র মালাতে করার নিয়ম

গুরু মন্ত্র মালাতে করার নিয়ম


আমি যে গুরুমন্ত্র আপনাদের প্রধান করি সেই মন্ত্র সর্বদাই কম করে ঘন্টা মানসিক জ করতে হবে

বাকি ২২ ঘন্টা চলাফেরা খাওয়া-দাওয়া সমস্ত কাজকর্ম সবকিছুতে মিলিয়ে জ করে যেতে হবে কোনো কারণবশত যদি মানসিক জ করতে সমস্যা হয় তো তখন মালা নিয়ে জ করা যেতে পারে

মালা দিয়ে জ করতে গেলে নিন্ম নিয়ম অবশ্যই পালন করতে হবে ।

নিয়ম

১. গুরু মন্ত্র কে কম করে প্রতিদিন ১১ হাজার বার জ করতে হবে অতিরিক্ত হলে আরো ভালো

২. উপাংশ করতে হবে অর্থাৎ অস্পষ্ট গুনগুন করে

৩. মালা

শিব, কালী, ভৈরব এনারা ইষ্ট হলে রুদ্রাক্ষ মালাতে করতে হবে

কৃষ্ণের জ বৈজন্তী মালা করতে হবে

রুদ্রাক্ষ মালায় রাম,নুমানের জ তুলসীর মালা

হনুমানের জপ মুঙ্গা, তুলসী, রুদ্রাক্ষ মালা দিয়ে

মুসলিম জ বা হাকিক মালা দিয়ে

দুর্গা মায়ের জপ লাল মুঙ্গা, রুদ্রাক্ষ দিয়ে

বগলামুখী মায়ের জপ হলদির মালা, রুদ্রাক্ষ মালা দিয়ে

এইসব বিশেষ মালা না পাওয়া গেলে সমস্ত জ আপনারা রুদ্রাক্ষ মালা দিয়ে করতে পারেন

৪. দিক

     ১. ধন প্রাপ্তি কাজ করতে চাইলে পশ্চিম মুখে করা উচিত

     ২. শক্তি প্রাপ্তি করতে চাইলে উত্তর মুখে করা উচিত

     ৩. জ্ঞান প্রাপ্তি করতে চাইলে পূর্ব মুখী হয়ে জ করা উচিত

     ৪. শত্রু সংহার, শত্রু নাশ, শত্রু থেকে রেহাই পেতে দক্ষিণ মুখী হয়ে করা উচিত

৫. জপের সংখ্যা ১১০০০ এর থেকে কম হলে চলবে না

৬. কখনো বাইরে গেলে যদি তিন-চারদিন পূজা না করতে পারলে কোন সমস্যা নেই নিসংকোচে বাইরে যেতে পারেন

৭. উপাংশু সর্বদা একান্ত বা নির্জন স্থানে গোপনীয় ভাবে করা উচিত কারণ গুরু মন্ত্র অতি গোপনীয় রাখা উচিত

৮. গুরু মন্ত্রের জন্য কোন অন্য নিয়ম পালনের প্রয়োজন নেই যেমন ব্রহ্মচর্য, মাটিতে শোয়া, মাছ মাংস ডিম ইত্যাদি খাওয়া-দাওয়া । মাছ মাংস খেয়ে জ না করাই উচিত তাই স্নান করে শুদ্ধ হয়েমন করে জ করা যেতে পারে

৯. সংকল্প নিয়ে করা উচিত যদি সংকল্প নিয়ে করা হয় তাহলে শীঘ্রই অধিক পরিমাণ শক্তি আশীর্বাদ প্রাপ্ত হয় জপের পর জষ্ট কে সমর্পিত করে দিন

১০. যেসব ব্যক্তিমুক্তিপ্রাপ্ত বা মোক্ষলাভ করার ইচ্ছা আছে তারা অবশ্যই মানসিক করবেন মালা দিয়ে নয় মালা দিয়ে তারাই করবেন যাদের মুক্তি বা মোক্ষলাভ নিয়ে কোন মাথা ব্যথা নেই কারণ মানসিক জপের ফল অনেক বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় উপাংশু জপের কম


তো এই সামান্য নিয়ম পালন করে আপনি গুরু মন্ত্র দ্বারা মন পছন্দ কার্য করতে পারেন এবং সকল মনোকামনা পূর্ণ করতে পারবেন

 

সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

দ্বীপ প্রদান

 

দ্বীপ প্রদান

 

দৈবীয় সাধনাতে ঘীয়ের দ্বীপ জ্বালানো হয় ।

কালী, ভৈরব, প্রেত, খব্বীস ইত্যাদি সাধনাতে তেলের দ্বীপ জ্বালানো হয় ।

হনুমান পূজা বা সাধনাতে ঘী এবং তেল দুই দ্বীপ জ্বালানো যায় ।

দেবী পূজা বা সাধনাতে ঘী এবং তেল দুই দ্বীপ জ্বালানো হয় ।

লক্ষ্মী, কুবের পুজাতে ঘীয়ের দ্বীপ জ্বালানো উচিত ।

অপ্সরা, যক্ষিণী, যোগিনী, যক্ষ, গন্ধর্ব ইত্যাদি পুজাতে ঘীয়ের দ্বীপ জ্বালানো উচিত ।

নিত্য পূজাতে মন্দিরে তেলের দ্বীপ জ্বালানো উচিত ।

সমস্ত মুসলিম সাধনাতে পীর ফকির ইত্যাদিতে সর্বদা ঘীয়ের দ্বীপ জ্বালানো উচিত ।

 

সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

মধুরাষ্টকং

       মধুরাষ্টকং


অধরং মধুরং বদনং মধুরং

নয়নং মধুরং হসিতং মধুরম |
হৃদয়ং মধুরং গমনং মধুরং
মধুরাধিপতেরখিলং মধুরম || 1 ||

বচনং মধুরং চরিতং মধুরং
বসনং মধুরং বলিতং মধুরম |
চলিতং মধুরং ভ্রমিতং মধুরং
মধুরাধিপতেরখিলং মধুরম || 2 ||

বেণু-র্মধুরো রেণু-র্মধুরঃ
পাণি-র্মধুরঃ পাদৌ মধুরৌ |
নৃত্য়ং মধুরং সখ্য়ং মধুরং
মধুরাধিপতেরখিলং মধুরম || 3 ||

গীতং মধুরং পীতং মধুরং
ভুক্তং মধুরং সুপ্তং মধুরম |
রূপং মধুরং তিলকং মধুরং
মধুরাধিপতেরখিলং মধুরম || 4 ||

করণং মধুরং তরণং মধুরং
হরণং মধুরং স্মরণং মধুরম |
বমিতং মধুরং শমিতং মধুরং
মধুরাধিপতেরখিলং মধুরম || 5 ||

গুঞ্জা মধুরা মালা মধুরা
য়মুনা মধুরা বীচী মধুরা |
সলিলং মধুরং কমলং মধুরং
মধুরাধিপতেরখিলং মধুরম || 6 ||

গোপী মধুরা লীলা মধুরা
য়ুক্তং মধুরং মুক্তং মধুরম |
দৃষ্টং মধুরং শিষ্টং মধুরং
মধুরাধিপতেরখিলং মধুরম || 7 ||

গোপা মধুরা গাবো মধুরা
য়ষ্টি র্মধুরা সৃষ্টি র্মধুরা |
দলিতং মধুরং ফলিতং মধুরং
মধুরাধিপতেরখিলং মধুরম || 8 ||

|| ইতি শ্রীমদ্বল্লভাচার্য়বিরচিতং মধুরাষ্টকং সংপূর্ণম ||

 

সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

 

ছত্তিশগড়ি গুঞ্চি বিদ্যা: छत्तीसगढ़ी गुंची विद्या

ছত্তিশগড়ি গুঞ্চি বিদ্যা:  छत्तीसगढ़ी गुंची विद्या এখানে " সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র " দ্বারা প্রদত্ত ছত্তিশগড়ি গুঞ্চ...