HTML Slides

Friday, April 30, 2021

সাধনার সময় প্রস্তুতি

 

সাধনা সময় প্রস্তুতি


অনেক সাধক তো আছে যারা সাধনা করে কিন্তু সফল হয়না তাদের সবচেয়ে প্রধান সমস্যা এটাই হয় যে তারা সাধনাকে বিনা প্রস্তুতি সাথে করে এর ফলে সাধনা অসফল হয়ে যায় তবুও এরা নিজের দোষ না দেখে তন্ত্র বা পূজা পাঠ কে দোষ দিতে শুরু করে
আজ আমি আপনাদের সাধনার প্রস্তুতি কিভাবে নেওয়া হয় সেই বিষয়ে কিছু কথা জানাচ্ছি অত্যন্ত মন দিয়ে পড়ুন আপনার সফলতা অবশ্যই আসবে

১. সর্বপ্রথম যোগ্য গুরুর থেকে সাধনা বিধি প্রাপ্ত করুন
২. সাধনা করার দিন থেকে কম করে ১০ থেকে ১২ দিন আগে সাধনা বিধি নেওয়া উচিত যাতে করে খুব ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়া যায়
৩. মন্ত্র কে খুব ভালোভাবে মুখস্ত করে নেওয়া উচিত আটকে আটকে করা জপ নিষ্ফল হয়ে যায়
৪. সম্পূর্ণ সামগ্রী টাটকা শুদ্ধ এবং পুরো মাত্রায় কিনে রাখা উচিত কারণ যাতে সাধনার মধ্যে কোন সমস্যা না হয়
৫. ফল, ফুল, মিঠাই, দুধ, দই ইত্যাদি প্রতিদিন টাটকা কিনে আনা উচিত

৬. শরীর-মন ধন ইত্যাদি সবকিছু দিয়ে প্রস্তুতির সাথে সাধনা সম্পূর্ণ মন থেকে সম্পূর্ণ বিশ্বাস থেকে সম্পূর্ণ শ্রদ্ধার সাথে করা উচিত এগুলো ছাড়া সাধনা কখনো সফল হয় না

৭. তন্ত্র, মন্ত্র, গুরু, ইষ্ট এবং কোনো অন্য শক্তির শক্তি বা প্রভাব দেখার জন্য খেলার বসে সাধনা করবেন না এতে করে আপনার অনুষ্ঠান বেকার তো হয়ে যাবে বিরাট বড় ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে
৮. তাড়াহুড়োর বসে সাধনা করবেন না কারণ তাড়াহুড়োয় করা কোন কাজ সফল হয় না তোর সাধনা কি করে সফল হবে
৯. নিজের পরাজয়কে, সমস্যাকে সাধনার উপর আসতে দেওয়া উচিত না এতে করে আপনার কিছুই পাওয়া সম্ভব নয়
১০. জপের সময় আপনার মন সর্বদা মন্ত্রের উপর অথবা মন্ত্রের ওই দেবদেবীর উপর বা সেই শক্তির উপর থাকা উচিত যার জপ করা হচ্ছে সেটা দেব যোনির হোক বা অত্যন্ত নিম্ন যোনির হোক
১১. সাধনা বিধির পুরো প্রক্রিয়া খুব ভালো করে বুঝে নিয়ে তারপর সাধনা করা উচিত
১২. সাধনা সর্বদা প্রেম পরিপূর্ণভাবে এবং শান্তিতে করা উচিত তাড়াহুড়ো করা ঠিক নয়
১৩. সবচেয়ে প্রধান কথা হল যেই গুরুর থেকে সাধনা নেওয়া হয়েছে তার উপর পুরোপুরি বিশ্বাস করা উচিত কারণ সর্বপ্রথম পূজা গুরুকে করা হয় যদি গুরুর উপর ভরসা না থাকে কেবল ই পূজা পাঠ হিসাবের ফরমালিটি করা হয় তো আপনি সম্পূর্ণ জীবন ধরে পূজা পাঠ জপ সাধনা যা কিছুই করে থাকেন তা কখনোই সফল হবে না কারণ গুরুই পূজা পাঠ জপ সাধনা তে সফলতার কুঞ্জী হয় । এই কারণে গুরুর পূজা সবার প্রথমে করা হয় । কিন্তু যদি আমরা গুরুর পূজা সম্পূর্ণ মন, শ্রদ্ধা, বিশ্বাসের সাথে না করি তাহলে বাকি কোন দেবদেবী বা কোন শক্তি তোমার আহবানে সাড়া দেবে না বা প্রত্যক্ষ হবে না এটা মনে রেখো

 

সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

 

 

মুসলিম সাধনার নিয়ম

 

মুসলিম সাধনার নিয়ম


আজ আমি মুসলিম সাধনার নিয়ম বলছি এর দ্বারা জিন,রী, হামজাদ, পীর, জিন্নাত ইত্যাদির সাধনা করা হয়
এই সাধনা সর্বদা বজ্রাসনে করা হয় এর জন্য 2 থেকে 3 ঘন্টা বজ্রাসনে বসার অভ্যাস থাকা জরুরি
মুসলিম সাধনায় জপের সময় মালা সর্বদা বাহাতে বাইরের দিকে করে ঘোরাতে হয় অর্থাৎ মালার দানা গুলিকে আঙ্গুলের থেকে বাইরের দিকে ঘুরাতে হয় হিন্দু নিয়মে মালা ভেতরের দিকে ঘোরানো হয়
এই মালা সর্বদা উল্টো হাত অর্থাৎ বাহাতে নিয়ে জপ করা হয়
কিছু সাধনায় ওযু করা হয় আবার কিছু সাধনায় স্নান করা হয়
সাধনা এবং পূজা শুরু করার আগে সর্বদা বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম এর জ করে তারপর সাধনা এবং পূজা শুরু করতে হয়
মুসলিম সাধনা সম্বন্ধিত পীর ফকির ইত্যাদির পূজা দেওয়া হয়
জিন সাধনা তে জিনের বাদশার পূজা দেওয়া হয়
তাড়াতাড়ি সফলতা পাওয়ার জন্য বাবা আদম এবং মা হওয়া এর পূজা করা উচিত
প্রত্যেক বৃহস্পতিবার কোন দরর্গা বা মাজারে গিয়ে পাঁচটা ধূপকাঠি কিছু প্রসাদ এবং সবুজ রঙের চাদর চড়ানো উচিত
অথবা ৭ জন ফকির কে ভজন করানো উচিত
এই সাধনা পশ্চিম মুখ হয়ে করতে হয়
কোন সাধনা সম্বন্ধিত সমস্যা হলে আপনি ৫টি দ্বীপ জ্বালিয়ে পঞ্চায়েত কে নিমন্ত্রণ দিন আর উনাদের নিজের সমস্যা বলুন তো সমস্যা অতি শীঘ্রই সমাধান হবে
একে পঞ্চায়েত বসানো বলা হয়
এনাদের বসিয়ে আপনি পঞ্চ তন পাকের দোয়া দিন আপনার সমস্যা শেষ হয়ে যাবে
এই জপ হাকিক মালা বা তসবি মালা দিয়ে করা হয়
তসবি মালা দ্বারা আপনি যেকোন মুসলিম সাধনা করতে পারেন
মিষ্টি পানের প্রয়োগ ও আপনি এই সাধনায় করতে পারেন
কিছু সাধনাতে পেঁয়াজ-রসুন বন্ধ রাখা হয়
পাক জিন জিনাক সময় নামাজী হয় তাই তাদের নামাজের সময় বলা বা ডাকা উচিত নয় এবং বলা হলেও বা ডাকা হলেও উনারা আসেনা
যদিও সমস্ত সাধনা গুপ্ত রাখা হয় কিন্তু এনাদের সাধনা সম্পূর্ণরূপে গুপ্ত রাখা হয়
এছাড়াও সাধককে দরুদ শরীফ, আয়াতুল কুরসি চার কুল জানা উচিত
প্রস্রাব করে লিঙ্গ খুব ভালো করে ধুয়ে নেওয়া উচিত

 

সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

Thursday, April 29, 2021

ছোট ছোট কাজের জিনিস

 

ছোট ছোট কাজের জিনিস


সাধনা করার সময় নতুন পুরনো সাধককে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় যা খুবই সামান্য ব্যাপার হয়, কিন্তু আমাদের অজ্ঞানতার কারণেই এই সমস্যায় পড়তে হয় ।

এইজন্য এই পোষ্ট মন দিয়ে পড়ুন ।

শীতকালে পূজাতে ঘীয়ের দীপ জ্বালানোর সময় ঠাণ্ডা দীপ জ্বলতে জ্বলতে বুজে যায় কারণ ঘী জমে যায় । তাই এই সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য দীপ উছুতে রেখে ব্যবহার করুন ।

অনেক লম্বা অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে মালা হাতে নিয়ে জপ করার সময় হাত ধরে আসে বা হাতে ব্যথা শুরু হয়ে যায় । এই সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য জপের যে থলি পাওয়া যায় সেটা ব্যবহার করুন এতে মালা মাটিতে স্পর্শ হবার ভয় থেকে মুক্তি পাওয়া যায় ।

যে কোনো অনুষ্ঠান শুরু করার আগে থেকে আন্দাজে অনুষ্ঠানের মোট সময় অনুমান করে আসনে বসে থাকার অভ্যাস করে নেওয়া উচিত । এতে করে জপের সময় বসে থাকার কষ্ট অনুভব হবে না ।

কিছু সাধক জপের সময় মন্ত্র ভুলে যায় বা দেখে পড়ে জপ করে, এই রকমের জপে ফল পাওয়া যায় না । এই সমস্যার থেকে বাঁচার জন্য মন্ত্র খুব ভালো করে মুখস্ত করেই অনুষ্ঠান শুরু করা উচিত ।

জপের সময় মল-মূত্রের সমস্যা হলে জপ করার ৩ ঘন্টা আগে থেকে জল-খাবার খাওয়া যাবে না । এমন করলে জপের সময় আলস্য ভাব আসবে না ।

যদি কাউকে দেখতে পাওয়ার কোনো ভয় না থাকে তাহলে জপের সময় জানলা খোলা রাখুন । কারণ ধূপ, লোবানের ধোঁয়া ঘরের মধ্যে আটকে না থাকে, এতে মিশানো রাসায়নিক জিনিসের জন্য এলার্জী হয়ে যেতে পারে, শ্বাস নিতে কষ্ট হতে পারে, মাথা ঘোরা, বমি ইত্যাদি হতে পার ।

যতটা পারবেন পূজা সামগ্রী নতুন, টাটকা বাজার থেকে নিয়ে আসা উচিত । ঘরে থাকা সামগ্রী ব্যবহার করা উচিত নয় ।

 

সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

Wednesday, April 28, 2021

মন একাগ্র করার বিধি

 

মন একাগ্র করার বিধি


জপ করার সময় সর্বদা মন একাগ্র থাকে না এবং এটা সবাই জানতে চায় যে মন একাগ্র কি করে করা যায় ।

আমি আপনাদের একটা প্রাক্টিক্যালি অত্যন্ত সফল বিধি দিচ্ছি যাতে করে মন একাগ্র হবে এবং জপের মধ্যে আনন্দ আসবে ।

বিধি

ভগবান শিবের পঞ্চোপচার পূজা করুন । গুরু গণেশ পূজা করতে চাইলে করতে পারেন ।

হাতে চাল ও জল নিয়ে মন একাগ্র করার জন্য ওঁ নমঃ শিবায় মন্ত্র ৫১ মালা জপ করার সঙ্কল্প নিন ।

তারপর পূর্ব মুখ হয়ে বসে মন্ত্র জপ করুন ।

তারপর জপ করার সাথে সাথে কুম্ভক ক্রিয়া করার অর্থাৎ সম্পূর্ণ শ্বাস নিয়ে তা ভেতরে আটকে রেখে মন্ত্র জপ করুন ।

এরপর শ্বাস আটকেই মন্ত্র জপ করার চেষ্টা করুন যাতে মাত্র ২ বার শ্বাসেই সম্পূর্ণ মালা হয়ে যায় বা ২ কুম্ভকেই মালা পূর্ণ হয়ে যায় ।

বাকী সম্পূর্ণ জপ এইভাবেই করে ফেলুন ।

মন নিজে থেকেই একাগ্র হয়ে যাবে ।

আপনার করার কোনো প্রয়োজন নেই ।

এতে তীব্র ক্রিয়া হয় ।

আপনি শ্বাস বাইরে বের করেও জপ করতে পারেন ।

অর্থাৎ পুরো শ্বাস বাইরে ছেড়ে দিয়ে মন্ত্রের জপ করুন ।

পুরো জপ এমন ভাবেই করুন ।

চেষ্টা করুন ২ বার শ্বাস নিয়েই পুরো মালার জপ শেষ হয়ে যায় ।

কিছু অনুভূতি হওয়া শুরু হয়ে যাবে ।

জপে এক অদ্ভুত আনন্দ আসবে, যে অনুভুতি আগে কখনও করেন নি ।

এই ক্রিয়া ২১ দিন ধরে করুন ।

আপনি চাইলে এটা পরেও চালু রাখতে পারেন ।

অবশ্যই আপনার মন একাগ্র হয়ে যাবে এবং সাধনাতে সফলতা আসবে ।

এই পুরো প্রকৃয়াতে মাত্র ১ ঘন্টা লাগবে কিন্তু এই ১ ঘন্টা আপনার জীবন বদলে দেবে ।

 


সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

সাধনা অসফল হবার কারণ

সাধনা অসফল হবার কারণ


আজ আমি আপনাদের এটা বলছি সাধক সাধনা করে পূর্ণ শরীর মন দিয়ে তবুও বার বার সাধনা নিষ্ফল হয়ে যায়, যার প্রত্যক্ষ কারণ দেখতে পাওয়া যায় না ।

তো আজ আমি ঐসব কারণ গুলো আপনাদের কে বলতে চাই । আপনারা সবাই মন দিয়ে পড়ে জানুন ও বুঝুন ।

১. সাধক যেই মন্ত্রের অনুষ্ঠান করছে সেটা গুরু দ্বারা প্রাপ্ত না হয়ে বই থেকে প্রাপ্ত হলে সেই সাধনা নিষ্ফল হয়ে যায় ।                                                                                                            

কারণ সফলতার জন্য প্রথম শর্ত সাধককে গুরুর থেকে মন্ত্র প্রাপ্ত হওয়া ।

২. যেই মন্ত্রের জপ করা হচ্ছে সেই মন্ত্রের উপর সম্পূর্ণ বিশ্বাস না হওয়া, মন্ত্রের সেই দেব/দেবীর উপর সম্পূর্ণ বিশ্বাস না হওয়া, নিজের গুরুর উপর সম্পূর্ণ বিশ্বাস না হওয়া ।

৩. সাধনা করার সময় সঠিক সামগ্রীর অভাব হওয়া ।

৪. মন্ত্রের জপ করার সময় মন ঠিক মত না দেওয়াও প্রধান কারণ ।

৫. সঠিক বিধি বিধানের পালন না করা ।

৬. বিনা সঙ্কল্পেই জপ করা ।

৭. অসফল সাধকের মধ্যে এইসব কারণ গুলো পাওয়া যায় । যদি সাধক চায় তো এই নিয়ম গুলো ঠিক করে সফলতা পেতে পারে ।

 

এবার এমন কিছু কারণ বলছি যেইগুলো কেউ কখনো জানতে বা বুঝতে পারে না ।

১. ঘরের কোনো পিতরো সাধনার শক্তিকে আটকে দিয়ে থাকলে যেই কারণে ওই শক্তি সাধকের কাছে বা সামনে প্রত্যক্ষ হতে পারে না ।

২. ঘরের কুল দেব/দেবী যদি শক্তিকে আটকে রাখে তো যার কারণে সাধনায় অসফলতার মুখ দেখতে হয় ।

৩. স্থান দেব/দেবী যদি শক্তিকে আটকে রাখে তাহলেও অসফল হতে হয় ।

৪. কখনো কখনো ইষ্ট ই চায় না যে শক্তি সিদ্ধি প্রাপ্তি হোক ।

যেমন কারো কারো ইষ্ট শিবজী, আর সাধক শিবজীর খুব ভালো ভক্ত কিন্তু সেই সাধক প্রেত সাধনা করতে চায় তো মৃত্যুর পর ওই সাধককে প্রেত হয়ে জন্মাতে হবে ।                                           

তাই অনেকবার ইষ্ট যদি আপনাকে প্রেত না হতে দিতে চায় তাহলে ইষ্ট সাধনাতে সহযোগ না করে যেই কারণেও সাধনা অসফল হয়ে যায় ।

৫. যেই লোকের প্রাণীর সাধনা করতে চাইছি কিন্তু তারাই আমাদের স্বীকার না করে তো সাধনা নিস্ফল হয়ে যায় । যেমন প্রেত সাধনা করার সময় যদি প্রেতরাজ আমাদের স্বীকার না করে তো তবেও আমাদের প্রেত সিদ্ধ হবে না । এইরকম সমস্ত যোনির ক্ষেত্রেই হয় ।

৬. কখনো কখনো কোনো বাইরের শক্তির হস্তক্ষেপের জন্য সাধনা সফল হয় না ।                                

যেমন কোনো কেউ ঘরের মধ্যে কোনো কিছু ক্রিয়া কর্ম করে রাখলে সফলতা আসবে না ।

৭. কখনো কখনো ভূত বা প্রেত নিন্ম জাতির হলে আর সাধক উচ্চ জাতির হলে ঘরের পিতরো স্বীকার না করে, যেমন সাধক যদি ব্রাক্ষ্মণ হয় এবং কোনো নিন্ম জাতির প্রেত সিদ্ধ করে তো হবে না ।

৮. সাধকের কাছে গুরু বল, ইষ্ট বল, মনোবল কমজোড় হওয়াও সাধনা অসফলতা দেয় ।

৯. কোনো বড় শক্তিকে সিদ্ধ করতে সময় শক্তি সেখানে বসে বসেই সমস্ত পূজা খেয়ে ফেলে এবং আমাদের মন্ত্রের শক্তি দুর্বল হবার কারণে শক্তি সিদ্ধ হয় না ।                                                       

যেমন কোনো নতুন সাধক দ্বারা বেতাল সিদ্ধ করার চেষ্টা করলে অসফলতার কারণ এটাই ।

১০. ঠিক এমনি কোনো নতুন সাধক দ্বারা দশমহাবিদ্যা প্রত্যক্ষ সিদ্ধ করার চেষ্টা ব্যর্থ ধরা হয় ।

১১. দেব/দেবী যোনির সাধনা করার পরে যদি সাধকের দর্শন না হয় তবে কম করে হলেও তার কৃপা অবশ্যই পাওয়া যায় । যার দ্বারা সাধকের অন্যান্য কার্য হতে শুরু করে দেয় ।                                 

যেমন ধরা যাক ৪০ দিনের জন্য যদি কোনো সাধক প্রত্যক্ষ করতে হনুমানজীর সাধনা করে কিন্তু দর্শন না হলেও তার কৃপা পাওয়া যায় ।

১২. কিন্তু নিন্ম যোনির ভুত, প্রেত, জ্বীন, বেতাল, অপ্সরা, পরীর সাধনা করার পরেও এমনটা হয় না এই অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ বেকার হয়ে যায় ।                                                                                            

এতে আপনি এটাই বুঝুন যে দেব/দেবীর সাধনা ১০ নম্বর হলেও যেখানে কোনো কিছু না হবার পরেও কিছু না কিছু নম্বর অবশ্যই পাওয়া যায় ।

কিন্তু নিন্ম যোনির সাধনাতে ১ নম্বরের হলে যেখানে পাওয়া গেলে ১ নম্বর পাওয়া যাবে অথবা ০ পাওয়া যাবে ।

এইরকম অনেক কারণ থাকে যেই জন্য সাধকের সাধনা পূর্ণরূপে সফল হয় না ।

কিন্তু সাধক তন্ত্রকে দোষ দিতে থাকে, যেখানে কিনা সত্য অন্য কিছুই থাকে ।

এইজন্য সাধনা করুন ।

কিন্তু অসফলতা হলেও নিরাশ হবেন না ।

দ্বিতীয় তৃতীয় বা বার বার পূর্ণ শরীর মন দ্বারা পুনরায় চেষ্টা করতে থাকুন ।

যতক্ষণ না অবধি সফলতা না আসে ।

অনেক লোকই তন্ত্রে সফলতা পেয়েছে ।

আপনিও পাবেন ।

আপনি করে তো দেখুন ।

বিশ্বাসের দ্বারা তো ভগবান ও পাওয়া যায় ।

 

সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

 


Tuesday, April 27, 2021

সাধনার সময় জানা কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

 

সাধনার সময় জানা কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য


সাধনা করার সময় সর্বদা সুরক্ষা কবচ করুন ।

বিনা কবচে ঘরের থেকে বাইরে, শ্মশান এবং কোনো উগ্র সাধনা করা উচিত নয় ।

ঘরের মধ্যে নর্মাল সাধনা করার সময় কবচ না করলেও কোনো সমস্যা নেই, ঘরের পিতরো, কুলদেব/দেবী ইত্যাদির শক্তি অধিক হয়, নর্মাল সাধনা হয়ে যায় ।

কিন্তু বাকী প্রত্যেক সাধনাতে কবচ করা জরুরি ।

আর সাধনা করার সময় সমস্ত পূজন সামগ্রী সুরক্ষা ঘেরার মধ্যে রাখা উচিত এবং সমস্ত পূজা পাঠ, ভোগ, জপ সুরক্ষা ঘেরার মধ্যেই করা উচিত ।

সুরক্ষা ঘেরার মধ্যে বা কবচের মধ্যে শক্তি কিভাবে ভোগ নেবে সেটা নিয়ে আপনার কোনো মাথা ব্যাথা করার দরকার নেই । কিন্তু কোনোভাবেই ঘেরার বাইরে যাওয়া যাবে না ।

সাধনার সময় যে অনুভব হয় তা কাউকেই বলা যাবে না ।

কিছু শক্তিরা স্বয়ং গুরুকেও বলতে মানা করে দেয় তো যদি সেটা নর্মাল বিষয় হয় তাহলে গুরুকেও বলা উচিত নয় । কিছু কথা গুরুর থেকেও গোপন রাখতে হয় ।

সাধককে এটা ভুল বুঝলে চলবে না ।

আমি শক্তির দ্বারা হওয়া বিষয়ের কথা বলছি ।

যেমন অপ্সরা পরী ইত্যাদি শারীরিক সম্পর্ক করে থাকে । এই কথা গুরুকে বলাই উচিত নয় ।

গুরু সব কিছুই জানে ।

গুরুর থেকে কোনো কিছুই গোপন থাকে না ।

শুধু নিজের মুখে কিছু বলা উচিত নয় ।

তবুও কোনো প্রকারের অবৈধ কিছু চেয়ে বসে তাহলে সাথে সাথেই গুরুর সাথে আলোচনা করে নেওয়া উচিত ।

যেমন জ্বীন নিজের জাতির পরিচয় নিজের সাধককে ছাড়া অন্য কারোর সামনে বললে অসন্তুষ্ট হয় ।

গুরুকেও ।

সাধনা সিদ্ধ হবার পর অনেক বেশি সাবধানতা বজায় রাখতে হয় ।

যেখানে সেখানে শক্তির প্রদর্শন করা উচিত নয় ।

খুব বেশি প্রয়োজন হলে তবেই চমৎকার দেখানো উচিত ।

এমনি সময় স্বাভাবিক থাকা উচিত ।

কিন্তু যদি কেউ গুরু, ইষ্ট, তন্ত্রকে দোষ দেয় তখন দেখানো আবশ্যক হয়ে যায় ।

যখন জল গড়াতে গড়াতে অনেক দূর গড়িয়ে যায় তখন দেখিয়ে দেওয়া দরকার যে তুমি কোন গুরুর শিষ্য ।

মনে রাখবেন সহন শক্তি থাকা ভালো কিন্তু দূর্বল হলে হবে না ।

তন্ত্র আপনাকে শক্তি দেবে কিন্তু দূর্বল হলে চলবে না ।

কোনো দেব/দেবীর বলার পর গুরুর থেকে গোপন করা সেটা আলাদা ব্যাপার । কিন্তু ইচ্ছা করে বুঝে শুনে গুরুকে ধোকা দেওয়া কথা গোপন করা খুবই খারাপ বিষয় ।

মনে রাখবেন কাউকে গুরু না করুন কিন্তু করলে কখনও সন্দেহ করবেন না ।

যদি কোনো ধান্দাবাজের চক্কোরে পড়েন তাহলে গুরুকে বলে সোজাসুজি না করে দিন এবং দ্বিতীয় কোনো যোগ্য গুরুর খোঁজ করুন ।

যদি কখনও ধান্দাবাজের চক্কোরে কোনো বোকাকে ভূল করে গুরু বানিয়ে নেন তো তার চক্করে ৮৪ লাখ যোনি পার করে আসা মনুষ্য জন্ম বেকার করে দেয় এই বলে যে একটি মাত্র গুরুই বানানো যায় ।

আমি এটা মানি না, না জানি জীবনে আমরা কত কারোর থেকে কত কিছুই না শিখি ।

এমনকি মৃত্যুর আগে অবধি আমরা শিখতেই থাকি ।

তো মানলে সে গুরু না মানলে নয় ।

আজকাল তো অনন্য লীলা তবুও এটাই বলব আপনি মুক্ত তাই নিজেকে বাঁধবেন না ।

যতক্ষন না অবধি যোগ্য গুরু না পাওয়া যায় ততক্ষন অবধি চেষ্টা করে যান ।

তন্ত্র ভুল নয় শুধু এর প্রয়োগ সাবধানতার সাথে করলে তন্ত্র দ্বারা খারাপ না করলে এটা অনেক উত্তম এবং সর্বশ্রেষ্ঠ বিদ্যা ।

এর প্রয়োগ আজকাল লোক ঠকানোর জন্য এবং মানুষকে বোকা বানানোর জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে সেটা আলাদা কথা ।


সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218


সাধনার নিয়ম

 

সাধনার নিয়ম


আজ আমি সাধকদের ঐসব নিয়ম বলছি যার কারণে সাধনা সফল অসফল হয় ।

কিছু সাধক তন্ত্রের প্রাথমিক নিয়ম গুলো জানে না যার ফলে সাধনা সফল হয় না ।

১. তন্ত্রের প্রথম নিয়ম হল এটা একটা গুপ্ত বিদ্যা । এইজন্য এর বিষয়ে আপনি কেবল নিজের গুরুকে ছাড়া অন্য কাউকে নিজের সাধনা বা সাধনাতে হয়ে থাকা অনুভূতি পর্যন্ত অন্য কাউকে বলা যাবে না । সে যাই কেউ হোক না কেন ।

স্বপ্নটাও পর্যন্ত অন্য কাউকে বলা যাবে না ।

যদি এমনটা করা হয় তাহলে যে অনুভূতি পাওয়া যাচ্ছিল তা বন্ধ হয়ে যাবে সাধনা খণ্ডিত বা অসফল হতে পারে এবং যদি উগ্র দেব/দেবীর সাধনা হয় তো প্রাণের ক্ষতিও হয়ে যেতে পারে ।

তাই কাউকে কিছুই বলবেন না শুধুমাত্র গুরুকে ছাড়া ।

২. দ্বিতীয় নিয়ম হল গুরুর থেকে প্রাপ্ত মন্ত্রই সিদ্ধ করার চেষ্টা করুন ।

৩. সাধনা কালে অর্থাৎ যতদিন সাধনা করা হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত ব্রহ্মচর্য রাখুন শারীরিক সম্পর্ক করবেন না ।

মানসিক ব্রহ্মচর্য ভাঙার চিন্তা করার দরকার নেই এর উপরে কারোর বশ নেই যেমন স্বপ্নদোষ ।

৪. সাধনা চলাকালীন সাধনাকক্ষে পাখা, কুলার চালাবেন না । এগুলো তীব্র শব্দ করে যার কারণে ধ্যান ভঙ্গ হয়ে যায় । তবে এসি রুমে বসতে পারেন । অথবা পাখা খুব আস্তে চালিয়ে বসুন । সব থেকে ভালো হয় পাখা, কুলার বন্ধ রাখা ।

কারন সাধনার সময় হয়ে থাকা শব্দ পাখা, কুলারের জন্য শুনতে পাওয়া যায় না ।

৫. সাধনা কক্ষের লাইট বা বাল্বও বন্ধ রাখুন । কারণ পরাশক্তি সুক্ষ্ম হয় । এইসব তীব্র প্রকাশের জন্য প্রত্যক্ষ হতে এদের সমস্যা হয় ।

৬. জপের আগে যার সাধনা করছেন তার সঙ্কল্প নেবার সময় যেই রূপ অর্থাৎ মা, বোন, স্ত্রী, বন্ধু, দাস, রক্ষক যেই রূপের করছেন তার স্পষ্ট উল্লেখ করুন ।

যাতে সেই শক্তির বুঝতে কোনো সমস্যা না হয় এবং প্রথম দিন থেকেই খোলাখুলি ভাবে অনুভূতি করাতে পারে ।

৭. জপের সময় মন মন্ত্রের দিকে দিন ঘরের মধ্যে হওয়া উল্টোপাল্টা শব্দের দিকে মন দেবেন না ।

৮. কোনো উগ্র সাধনা করলে সর্বপ্রথমে রক্ষা মন্ত্র দ্বারা নিজের চতুর্দিকে একটা সুরক্ষা চক্র বানিয়ে নিন ।

আমি সব পরী, অপ্সরা, যক্ষ, গন্ধর্ব, জ্বীনের সাধনা তে কবচ করাই না । কারোর কোনো সমস্যা হয়নি । প্রয়োজন হয় না । এইগুলি বিনা কবচেও করা যায় এগুলি সৌম্য হয় ।

ঘরের বাইরে সর্বদা কবচ করে থাকুন ।

৯. কবচ চাকু, লোহার কীল, জল ইত্যাদি দিয়ে নিজের চতুর্দিকে রক্ষা মন্ত্র পড়তে পড়তে ঘেরা বানান ।

১০. জপের পর অপরাধের জন্য ক্ষমা অবশ্যই চাইবেন ।

১১. জপের পর আসন ছেড়ে ওঠার সময় এক চামচ জল আসনের কোণাতে ফেলে ঐ জপ নিজের মাথায় অবশ্যই লাগান এতে জপ সফল হয়ে থাকে ।

১২. সাধনার সময় ভয় পাবেন না, সৌম্য শক্তি ভয়ানক রূপে আসে না ।

অপ্সরা, যক্ষ, যক্ষিণী, পরী, জ্বীন ইত্যাদি ভয়ানক রূপে আসে না এরা মানুষের রূপেই আসে, এদের সাধনা নির্ভয় হয়ে করুন ।

১৩. অপ্সরা সর্বদা প্রেমিকা রূপে সিদ্ধ করুন ।

১৪. যক্ষিণী যেই রূপে সিদ্ধ করা হয় ওই রূপে একটু সমস্যা থাকে । তবুও এরা কাউকে মারে না ভয়ঙ্কর রুপও দেখায় না । কিছু যক্ষিণী কোনোরকম কষ্ট দেয় না । অতএব নির্ভয় হয়ে সাধনা করুন ।

১৫. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল যেই সাধনা সিদ্ধ হয় বা সফল হয় তা প্রথম বা দ্বিতীয় দিন প্রকৃতিতে কিছু উল্টোপাল্টা শুরু হয়ে যায়, কোনো কিছু শুনতে পাওয়া যায়, কিছু দেখতে পাওয়া যায়, কিছু না কিছু অনুভূতি হয় । যদি এমন কোনো কিছু না হয় তো সাধনা বন্ধ করে দিন কারণ সাধনা সফল হবে না ।

অনেক লম্বা যেমন ৪০ বা ৬০ দিনের সাধনাতে ৭ দিনের মধ্যে অনুভূতি হয় ।

১৬. সাধনা করার জন্য যে কক্ষ বেছে নেবেন সাধনাকাল অবধি আপনি নিজে ছাড়া দ্বিতীয় কোনো ব্যক্তি প্রবেশ করবে না ।

১৭. সাধনা কালে প্রয়োজনীয় শুকনো সামগ্রী সম্পূর্ণ যোগার করে বসুন ।

১৮. ফল, ফুল, মিঠাই প্রতিদিন টাটকা ব্যবহার করবেন ।

১৯. পূর্ণ শ্রদ্ধা বিশ্বাস ও একাগ্রতার সাথে সাধনা করুন এটাই সাফল্যের চাবিকাঠি ।

২০. এইসব পরাশক্তিরা প্রেমের ভাষা বোঝে এইজন্য আপনি যেই ভাষা জানেন ওই ভাষাতেই পুজা পাঠ প্রার্থনা করুন । পরাশক্তিরা সমস্ত রকমের ভাষাই জানে । এদের বাংলা, হিন্দী, সংস্কৃত বা অন্য কোনো ভাষার সাথে কোনো সম্পর্ক নেই ।

২১. আর এরা মহান শক্তিশালী হয় এইজন্য এদের সাথে সম্মান ও শ্রদ্ধাসহিত কথা বলুন ।

২২. সাধনা কোনো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি নয় যে যেইরকম আপনাদের বলা হয় যদি এমনই হত তাহলে এখনও অবধি ভুত প্রেতের অস্তিত্ব বিজ্ঞান প্রমাণ করে ফেলতো ।

এটা একটা জীবিত শক্তির সাধনা যেখানে দেব/দেবী বা কোনো শক্তির আসা বা না আসা ওই শক্তি বা দেব/দেবীর উপর নির্ভর করে সে আপনার প্রতি কতটা খুশি ।

২৩. এমন কখনই হবে না যে ১১ দিন ২১ মালা জপ বিনা শ্রদ্ধা বিশ্বাসের সাথে করলেন আর অপ্সরা, দেব ইত্যাদি এসে আপনার সামনে দাঁড়িয়ে পড়বে ।

২৪. মন্ত্রের ধ্বনি জীবিত ব্যক্তির শ্রদ্ধা বিশ্বাসের সাথে জপ করার পরেই কাজ করে ।

২৫. যেই কক্ষে সাধনা করা হবে সেই কক্ষে কোনো দেব বা দেবী বা কোনো মৃত ব্যক্তির ছবি থাকা চলবে না ।

 

সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

সুরক্ষা চক্র

 

সুরক্ষা চক্র


আমরা সাধনা ক্ষেত্রে সুরক্ষা চক্রের বিষয়ে শুনেছি, আজ আমি চক্রের বিষয়ে কিছু তথ্য প্রদান করছি ।

এটা কি, এর আবশ্যক কি, এটা কিভাবে করতে হয় ।

তন্ত্র সাধনাতে কিছু উগ্র সাধনা আছে, তেমনি সৌম্য সাধনাও আছে যা কোনো বাঁধা ছাড়াই সিদ্ধ করা যায় ।

উগ্র সাধনাতে কোনো ভুলভ্রান্তি হলে আমাদের কখনও কখনও বিরাট মুশকিল ও সমস্যার সম্মুখীন হয়ে পড়তে হয় ।

সাধনাতে কোনো বিঘ্নের কারণে শক্তির কোপের শিকার হতে হয় ।

কিছু সাধনায় ভুলত্রুটির কারণে পাগল বা মৃত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

কিছুতে পরিবারের সদস্যের ক্ষতি বা প্রাণহানিও হতে পারে

তন্ত্রের ক্রিয়া উল্টো হয়ে আমাদের ক্ষতি হতে পারে ।

তাই এইসমস্ত প্রকার সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য সাধনা করার সময় একটা সুরক্ষা ঘেরা বানিয়ে সাধনাতে বসি । এই ঘেরাকেই সুরক্ষা চক্র বলা হয় ।

যা কোনো ভুলত্রুটির পরেও আমাদের সব কিছু থেকে রক্ষা করে ।

কি করে লাগানো হয় এই সুরক্ষা চক্র ।

যখন আমরা সাধনা করতে বসি তখন সর্ব্বপ্রথম নিজের আসনের চতুর্দিকে চাকুর সাহায্যে একটা গোল ঘেরা টেনে নিতে হবে এবং ঘেরা টানার সময় নিজের কোনো সুরক্ষা মন্ত্রের জপ করে তা করতে হবে যেই মন্ত্র আগে থেকেই সিদ্ধ করে রাখা আছে ।

আপনি কোনো রক্ষা স্তোত্রের পাঠও করতে পারেন ।

কোনো কবচ পড়তে পড়তেও ঘেরা বানাতে পারেন ।

কিছু না হলে নিজের গুরুমন্ত্র জপ করতে করতেও ঘেরা বানাতে পারেন ।

নিজের ইষ্ট মন্ত্র দ্বারাও দাগ টানতে পারেন ।

ঘেরা চাকু দিয়ে, লোহার ছুঁচালো কোনো বস্তু দিয়েও টানতে পারেন ।

নিজের চতুর্দিকে জল দিতেও ঘেরা বানাতে পারেন ।

মন্ত্র পড়তে পড়তে ভস্ম বা ছাই দিয়েও ঘেরা বানাতে পারেন ।

কিছু সাধনাতে সিন্দুর দ্বারাও ঘেরা বানানো হয় ।

যা কিছুই হোক সাধনার সময় সর্বদা ঘেরা বানিয়ে বসে পুজা পাঠ জপ ইত্যাদি শুরু করুন ।

কোনো সাধনাতে ভীষণ ভয়ানক অনুভব হয় ।

তো ঐসব উপদ্রব ঘেরার বাইরে হবে ঘেরার ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে না ।

শ্মশানে সাধনা করার সময় অবশ্যই ঘেরা বানিয়ে বসুন ।

ভুত প্রেত ভীষণ উপদ্রবী হয় যা সাধকের সাধনা করার সময় জিনিসপত্র উঠিয়ে নিয়ে চলে যায় আর ভীষণ রকমের বিরক্ত করে ।

তাই এদের সাধনা চাইলে ঘরে করুন বা বাইরে কিন্তু সর্বদা সুরক্ষা চক্র বানিয়েই বসুন ।

কিছু সাধনাতে মল মূত্রের বর্ষা হয় ।

কিছুতে আগুনের গোলার আবার কিছুতে কাটা মানুষের টুকরো বর্ষা হয় ।

তো যদি সাধক ঘেরা না লাগায় তো বড় রকমের ক্ষতি করে বসে ।

তাই সর্বদা সুরক্ষা চক্র বানিয়েই সাধনাতে বসুন ।

আর হ্যাঁ সব থেকে জরুরি কথা হল চাইলে যে সাধনা প্রথম থেকেই সিদ্ধ করে রাখা আছে চাইলে নিজের ইষ্ট বা অন্য কেউ হোক সর্বদা সুরক্ষা চক্রের ভেতরে রেখেই সাধনা করতে বসুন ।

আর যা কিছুই হয়ে যাক সাধনার মধ্যে আসন থেকে উঠে দাঁড়ানো যাবে না ।

সাধনা পূর্ণ না হওয়া অবধি ভুলেও ঘেরার বাইরে যাওয়া যাবে না ।

সাধক যদি এমন করে তাহলে তাকে বিরাট ক্ষতির মুখে পড়তে হবে ।

সাধনার সময় যে ঘেরা আপনি বানিয়েছেন তার ভেতরেই আপনি সত্য দেখতে পাবেন ।

ঘেরার বাইরের দুনিয়া আপনার জন্য অসত্য ।

ঘেরার বাইরে আপনার পরিবারের সদস্যের কাউকে প্রাণে মেরে ফেলা হচ্ছে এমন যা কিছুই দেখতে পান বা বিরাট বড় গাছ আপনার উপরে পড়তে দেখতে পান তবুও নিজের আসনের উপর পাথর হয়ে বসে থাকতে হবে আপনার কোনো কিছুই হবে না ।

যদি গুরু এবং শিষ্যের বিশ্বাস কাজে আসে, গুরু বলেছে যে ঘেরার ভেতর কোনো কিছুই হবে না তাহলে পরিপূর্ণ বিশ্বাস করে বসুন আপনার কোনো কিছুই হবে না ।

যদি গুরু কথা বিশ্বাস না করেই গাছ পড়তে দেখে আসন ছেড়ে দৌড় লাগান ঘেরার বাইরে যান হতে পারে সেটা আপনার শেষ দৌড় ।

হতে পারে ভয়ে মলের বেগ চলে আসুক বা আসনের উপর বসে বসেই প্রস্রাবও হয়ে যায় তাহলেও সাধনা খণ্ডিত হবে না কিন্তু তাও ভুল করেও সাধনা ছেড়ে বাইরে যাওয়া যাবে না ।

এইজন্য বলা আছে যে *যো ডর গ্যয়া সো মর গ্যয়া* ।

এইজন্য সাহস কম হলে বেশি উগ্র সাধনা করা উচিত নয় ।

যদি শ্মশান সাধনা, প্রেত সাধনা এইরকম উগ্র সাধনা করলে গুরুর সান্নিধ্যে গুরুর সাথে থাকা অবস্থায় করা উচিত ।

তো আপনার অবশ্যই বুঝতে পেরেছেন সুরক্ষা চক্র আমাদের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ ।

বাকি সব বিস্তারিত নিজের গুরুর থেকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন ।


সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

নজর বা উতারা বা কিছু করে রাখা ক্রিয়া নষ্ট করার উপায়

 

নজর বা উতারা বা কিছু করে রাখা ক্রিয়া নষ্ট করার উপায়


যার বিধি বিধান এতকাল গুপ্ত ছিল আজ সার্বজনীন ভাবে সকলের জন্য দেওয়া হল ।

হোলি ও দীপাবলি বিশেষ

সবাই জ্যোত ক্রিয়া অবশ্যই করুন ।

নিজের সিদ্ধি করা সমস্ত মন্ত্র জাগ্রত করুন ।

সমস্ত শক্তিকে ভোগ দিন ।

নিজের পরিবারের সমস্ত সদস্যদের এক জায়গায় বসিয়ে তাদের মাথা থেকে পা অবধি ২১ বার ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে নিন ।

এতে নজর, গুজর, অল্প-সল্প সমস্যা, কারোর দ্বারা করে রাখা কোনো ক্রিয়া নষ্ট হয়ে যায় । এই ক্রিয়া হোলি, দীপাবলি রাতে অবশ্যই করুন ।

এতে পরিবারে সুখ, খুশি ও প্রেম-ভালোবাসা বৃদ্ধি পায় ।

ঘরের নেগিটিভিটি নষ্ট হয়ে যায় ।

সামগ্রী

২১ টি লবঙ্গ

পাঁচ বাতাসা

একটি বোঁদের লাড্ডু বা একপিস মিষ্টি

একটি লেবু

গাঢ় কালো লঙ্কার দানা

পাঁচ গোটা লাল লঙ্কা

একটা কর্পূরের টুকরো

এইসব সামগ্রী নিয়ে নিজের পরিবারের সদস্যের উপর ভালো করে ঘুরিয়ে কোনো নির্জন জায়গায় রেখে আসুন ঘরের বাইরে ।

নোট— কারোর যদি খুব বেশি সমস্যা থাকে তাহলে একটা জায়ফল রাখুন । এই ক্রিয়া নিজের কুলদেব/দেবী বা ইষ্ট দেব/দেবীর নাম নিয়ে করুন ।

সামগ্রী খুবই সরল ঘরেই পাওয়া যায় ।

এতে দিক, কাপড় এইরকম কোনো কিছুর কোনো বন্ধন নেই ।


সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

Monday, April 26, 2021

দীক্ষা কি এবং দীক্ষার প্রয়োজন কেন ?

 

দীক্ষা শব্দটির অর্থ কি ?

দুটি শব্দ— দ্বীয়তে (দেওয়া) এবং ক্ষীয়তে (ক্ষয় পাওয়া)— এই দুটি শব্দের সমন্বয়ে দীক্ষা শব্দটির ব্যুৎপত্তি। আলো আর অন্ধকারের খেলা । আলো জ্বেলে অন্ধকার দূর করা ।


দীক্ষা কি ?

*দীয়ন্তে জ্ঞানমত্যন্তং ক্ষীয়তে পাপসঞ্চয়ঃ ।

তস্মাদ্ দীক্ষেতি সা প্রোক্তা মুনির্ভিস্তত্ত্ বদর্শিভিঃ ।।

দিব্যজ্ঞানং যতো দদ্যাৎ কৃত্যা পাপস্য সংক্ষয়ম্ ।

তস্মাদীক্ষেতি সা প্রোক্তা মুনির্ভিস্তত্ত্ববেদিভিঃ* ।।

(রুদ্রযামল ও যোগিনী তন্ত্রে)

 

শাস্ত্রে বলে—যে কার্যে পাপক্ষয় করে অন্ধকারাচ্ছন্ন হৃদয়ে দিব্য জ্ঞানের আলো প্রজ্জ্বলিত (প্রকাশ) করে শ্রীভগবানের রূপ প্রাপ্তির সক্ষম করায় এবং সঞ্চিত পাপ রাশি বিনাশ করায়, তাহাই দীক্ষা । স্বকর্ণে শ্রীগুরুদেব কর্তৃক ইষ্টমন্ত্র দানের নাম দীক্ষা । প্রকৃতপক্ষে দীক্ষার অর্থ বর্ণ বা শব্দ বিশেষ, শ্রবণ করা নহে । বর্ণ বা বর্ণগুলি শব্দব্রহ্ম বা নাদব্রহ্ম বলিয়া পরিকীর্তিত আছে । সেই শব্দব্রহ্ম বা নাদব্রহ্মই বর্ণ । সেই বর্ণই ভগবানের নাম । নাম এবং নামী অভেদ, কিছুই প্রভেদ নাই । এই ভাবে যেই নাম বা মন্ত্র গ্রহণ করা হয় তাহাই দীক্ষা । শ্রীগুরুর নিকট হতে যথাবিধি মন্ত্রোপদেশ গ্ৰহণ করার নামই দীক্ষা ।

*গুরু ব্রহ্মা গুরু বিষ্ণু গুরুদেব মহেশ্বর।

গুরু রেব পরং ব্রহ্ম তস্মৈ শ্রী গুরুবে নমঃ* ।।

দীক্ষার ভাগ

দীক্ষার মোট ৩ টি ভাগ ।                                                                                                

প্রথম- নাম দীক্ষা যা দীক্ষার প্রথম স্তর বা শুরু । যে দীক্ষায় ব্যক্তিকে শুধুমাত্র ইষ্টের নাম বা একটি শব্দ প্রদান করা হয় । যেই নাম বা শব্দ জপের মাধ্যমে সেই ব্যক্তির ভেতরে প্রেম ভাবের জন্ম হয়, ভক্তির সঞ্চার হয়, মন শরীর শান্ত হয় তাই নাম দীক্ষা ।

দ্বিতীয়- পূর্ণাঙ্গ দীক্ষা যা দীক্ষার দ্বিতীয় স্তর । যে দীক্ষায় ব্যক্তিকে ইষ্টের নামের সাথে প্রণব ধ্বনি *ওঁ* এবং সেই সাথে ইষ্টের *বীজাক্ষর* যুক্ত মন্ত্র প্রদান করা হয় । যেই মন্ত্র জপের মাধ্যমে সেই ব্যক্তির অবচেতন মনে আধ্যাত্মিক অনুভূতির সাথে আত্মশুদ্ধি, জ্ঞান, বুদ্ধি, শক্তির বৃদ্ধি, চৈতন্য ভাবের মাধ্যমে ইষ্টের দর্শন এবং মুক্তির পথে অগ্রসর হয় তাই পূর্ণাঙ্গ দীক্ষা । কারণ এই দীক্ষায় পূর্ণাঙ্গ মন্ত্র প্রদান করা হয় । যা আমাদের মুক্তির পথে অগ্রসর করায় ।

তৃতীয়- সন্ন্যাস বা নাম করণ যা দীক্ষার সর্বশেষ স্তর । যে দীক্ষায় ব্যক্তিকে মন্ত্রের সাথে সেই ব্যক্তির নতুন নাম করণ করা হয় । তাই সন্ন্যাস বা নাম করণ । 

এখন নাম করণের পরে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্র জপেই মানুষের মুক্তি লাভ হয়ে যায় । এরজন্য পূর্ণাঙ্গ মন্ত্র ১ কোটি জপের প্রয়োজন । সাধনা বা ঈশ্বর লাভের জন্য নামকরণের দরকার নেই । জপের দ্বারাই তা সম্ভব । কারণ গুরু এবং ইষ্ট ভক্তি হলেই ভগবান স্বয়ং তার ভক্তকে দর্শন দেন । 

দীক্ষা গ্ৰহণের প্রয়োজন কেন ?


বিনা দীক্ষায় মন্ত্র জপ দূষিত হয় । পূজা, ক্রিয়া কর্ম নষ্ট হয় । যিনি নামে এবং মন্ত্র এ মন্ত্রের অভীষ্ট দেবতাকে এক ভাবেন, তিনি প্রকৃত দীক্ষিত। দীক্ষামন্ত্র গ্রহণ করিলে শব্দব্রহ্ম বা নাদব্রহ্ম অভীষ্ট দেবতার না হয় এবং হৃদয়ে নিজ ইষ্ট দেবতার ভাব উদ্দীপন না হয়, তবে সেই রূপে মন্ত্র বা দীক্ষা গ্রহণ করিয়া দীক্ষা বা মন্ত্র গ্রহণ শব্দ প্রয়োগ না করাই শ্রেয়ঃ।

 

দৃঢ় বিশ্বাস বা ভক্তিই মূল। দীক্ষা গ্ৰহণের প্রয়োজনীয়তা ভগবানের কৃপা লাভের জন্যই দীক্ষা (মন্ত্র) গ্ৰহণের প্রয়োজন। বিধিমত দীক্ষা গ্ৰহণ না করলে সাধন ভজন রাজ্যে প্রবেশ করা যায় না। দীক্ষা ব্যতিত গুরুর কৃপা হয় না। দীক্ষিত হলে ক্ষণকালের মধ্যেই লক্ষ উপপাতক ও কোটি মহাপাপ দগ্ধ হয় ।

 

"দ্বীয়তে বিমলং জ্ঞানং ক্ষীয়তে কর্মবাসনা।"—

অর্থাৎ দীক্ষা গ্রহণের পর মন্ত্রজপের দ্বারা বিশেষ জ্ঞানের উৎপত্তি হয় আর কর্মবাসনার নিবৃত্তি ঘটে। "

 

দীক্ষা ছাড়া শ্রী ভগবানের কৃপা, সেবা ও অর্চনাদি ভজনাঙ্গের অধিকার হয় না এবং পরমাত্মার সাথে জীবাত্মার মিলন বা সংযোগের উপায় থাকে না। সংসার বাসনা ক্ষয়,জন্ম-মৃত্যু বারণ এবং সৎকার্যের সিদ্ধি হয় না । যেমন–ধ্রুব দীক্ষা ছাড়া সাধন শুরু করেন কিন্তু কৃপা পাননি । শেষে নারদের নিকট হতে দীক্ষা পেয়ে কৃপা পান ।

 

অদীক্ষিতাং লোকানাং দোষং শৃনু বরাননে।

অন্নং বিষ্ঠা সমং তস্য জলং মূত্র সমং স্মৃতম্।

যৎ কৃতৎ তস্য শ্রাদ্ধং সর্বং যাতিহ্যধোগতিম্।।১

(তথাহি মৎস্যর্সূক্তে)

 

অনুবাদঃ- র্অদীক্ষিত ব্যক্তি অন্ন বিষ্ঠার সমান, জল মূত্রতুল্য। তাহারা শ্রাদ্ধাদি কার্য যাহা কিছু করে,তাহা সমস্তই বৃথা।

 

ন দীক্ষিতস্য কার্যং স্যাৎ তপোভির্নিয়মব্রতৈ।

ন তীর্থ গমনে নাপি চ শরীর যন্ত্রণৈঃ।।২

অদীক্ষিতা যো কুর্বন্তি তপো জপ পূজাদিকাঃ।

ন ভবতি ক্রিয়া তেষাং শিলায়ামুপ্ত বীজবৎ।।৩

 

অনুবাদঃ- দীক্ষা গ্রহণ না করিলে কোন কার্য করিবার অধিকার জন্মে না । সেই জন্য জপ, তপ, নিয়ম, ব্রত, তীর্থ, ভ্রমণ উপবাসাদি শারীরিক কষ্ট দ্বারা কোন ফল দর্শিবে না ।

 

অদীক্ষিতোহপি মরণে রৌরবং নরকং ব্রজেৎ।

অদীক্ষিতস্য মরণে পিশাচত্বং ন মুঞ্চতি।।

 

অনুবাদঃ- অদীক্ষিত ব্যক্তিগণ মৃত যদি হয়।

রৌরব নরকে বাস জানিবে নিশ্চয়।।

স্কন্ধ পুরাণেতে তার আছয়ে বর্ণন।

মৃত্যু পরে হবে তার পিশাচে জনম।।

 

দীক্ষা মূলং জপং সর্বং দীক্ষা মূলং পরং তপঃ।

দীক্ষামাশ্রিত্য নিবসেৎ কৃত্রশ্রমে বসদ্।।

 

অনুবাদঃ- জপ, তপ, তন্ত্র, মন্ত্র, দীক্ষা মূল হয়।

দীক্ষা ভিন্ন সর্বকার্য হইবেক ক্ষয়।।

এরপরে শুরু হয় শিক্ষা । যা জীবনের অন্য আরেক স্তর । 

 

সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

Sunday, April 25, 2021

হোমের পদ্ধতি

 

হোমের পদ্ধতি

 

আমরা যখন কোনো মন্ত্রের জপ করি তো তার দশাংশ বা ১০% হোম করা হয় ।

এখানে মন্ত্রের দেব/দেবীকে যজ্জ আহুতি দিয়ে সন্তুষ্টি করা হয় ।

কিছু বিশেষ সাধনাতে মন্ত্র জপ পূর্ণ করার পরেই হোম/যজ্ঞ করার বিধান আছে ।

 

হোমের শাস্ত্রীয় বিধি খুবই জটিল যা প্রত্যেকের করা সম্ভব নয় ।

এইজন্য আমি নিজের করা নিয়ম বিধি দিচ্ছি । যে প্রক্রিয়াতে আমি হোম করে আসছি, এতে কোনোরকম কোনো সমস্যা হয় না এবং হোমের পরিপূর্ণ ফল পাওয়া যায় ।

 

বাজার থেকে শুদ্ধ এবং ভালো হবন সামগ্রী নিয়ে আসুন ।

তার মধ্যে গম, চাল, তিল, কর্পূর, ঘী, পঞ্চমেবা যথা পরিমান মিশিয়ে নিন ।

কিছু বিশেষ সাধনাতে সামগ্রীতে বিশেষ কিছু জিনিস মিলাতে হয় । পদ্মফুলের বীজ, দুধ, চিনি ইত্যাদি মিশিয়েও হোম করা হয় ।

কেবল পদ্মফুলের বীজ ও ঘী দিয়ে মা লক্ষ্মী প্রাপ্তির জন্য হোম করা হয় । এতে হবন সামগ্রীর প্রয়োগ করা হয় না । কেবল পদ্মফুলের বীজ ও ঘী দিয়েই হোম করা হয় ।

রাই, লবণ, তেল, লাল লঙ্কা দিয়ে ইত্যাদি দিয়ে উগ্র কাজের জন্য হোম করা হয় ।

সমস্ত সামগ্রী ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে একটি পাত্রে রাখুন ।

চাইলে একটা হোমকুণ্ড বানিয়ে নিন । সম্ভব না হলে মাটিতেই চৌকোন করে আম কাঠ যাকে সমিধা বলা হয় তা তৈরী করে নিয়ে বসুন ।

বসার সময় দিক ওইটাই রাখুন যা জপ করার সময় রেখেছিলেন । সমিধা যত পাতলা আর ছোট হবে তত ভালো করে জ্বলবে ।

মাঝে কর্পূর রাখুন । আর সমিধা ভালো করে সাজিয়ে নিন ।

পাশে দ্বীপ, ধূপ বা আগরবাতি যা জ্বালানোর জ্বালিয়ে দিন ।

হাতে চাল ও জল নিয়ে সঙ্কল্প নিন ।

একটি পাত্রে ঘী গলিয়ে রাখুন । ঘী ঢালার জন্য চামচ ব্যবহার করুন ।

কর্পূর জ্বালিয়ে অগ্নি প্রজ্জ্বলন করুন ।

হাতে চাল নিয়ে অগ্নিকে আহবান করুন এবং চাল হোম কুণ্ডে দিয়ে দিন ।

ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুল, মধ্যমা ও অনামিকা আঙুল দ্বারা একত্রিত করে আহুতি দিতে হয় ।

এরপর সর্বপ্রথম গুরুমন্ত্রের তিনবার আহুতি দিন ।

এরপর নিচে লেখা ক্রমানুসারে সবাইকে তিনবার করে আহুতি দিন ।

ওঁ রিদ্ধি সিদ্ধি সহিতায় শ্রীমন মহা গণাধিপতয়ে নমঃ স্বাহা ।

ওঁ শ্রী ইষ্ট দেবতায়ৈ নমঃ স্বাহা ।

ওঁ শ্রী কুল দেবতায়ৈ নমঃ স্বাহা ।

ওঁ সর্বভ্যো পিত্রভ্যো নমঃ স্বাহা ।

ওঁ গ্রাম দেবতাভ্যো নমঃ স্বাহা ।

ওঁ স্থান দেবতাভ্যো নমঃ স্বাহা ।

ওঁ সর্বভ্যো লোকপালভ্যো নমঃ স্বাহা ।

ওঁ সর্বভ্যো দিকপালভ্যো নমঃ স্বাহা ।

ওঁ নব গ্রহায়ৈ নমঃ স্বাহা ।

ওঁ শ্রী শচী পুরন্ধরভ্যো নমঃ স্বাহা ।

ওঁ শ্রী লক্ষ্মী নারায়ণভ্যো নমঃ স্বাহা ।

ওঁ শ্রী উমা মহেশ্বরভ্যো নমঃ স্বাহা ।

ওঁ শ্রী বাণী হিরণ্যগর্ভভ্যো নমঃ স্বাহা ।

ওঁ শ্রী মাতৃপিতৃচরণ কমলভ্যো নমঃ স্বাহা ।

ওঁ সর্বভ্যো দেবতভ্যো নমঃ স্বাহা ।

ওঁ সর্বভ্যো ব্রাক্ষ্মণভ্যো নমঃ স্বাহা ।

ওঁ রিদ্ধি সিদ্ধি সহিতায় শ্রীমন মহা গণাধিপতয়ে নমঃ স্বাহা ।

এরপর মূল মন্ত্রের যত প্রয়োজন হোম করার দরকার করুন ।

জপের গুনতি করার জন্য মালা বাঁ হাতে নিয়ে ঘোরান ।

মাঝে মাঝে ঘীয়ের আহুতি দিতে থাকুন ।

অগ্নি নিভে গেলে আবারও অগ্নি জ্বালিয়ে আহুতি দিন । নেভা অগ্নিতে আহুতি দেওয়া যাবে না ।

অগ্নি জ্বালানোর জন্য কর্পূর ব্যবহার করুন ।

 

একটি শুকনো গোবরের তৈরী ঘুটে নিয়ে ঘী মাখিয়ে একটু কেটে বা তার মাঝে হবন সামগ্রী, ফল, মিঠাই, পান ও রেখে হাতের কাছে রাখুন ।

পূর্ণ আহুতির সময় নিন্ম মন্ত্র বলে হোম কুণ্ডে দিয়ে দিন ।

*ওঁ পূর্ণ দেব পূর্ণ আহুতি আগম অলখ সুখ শ্রীং হ্রীম স্বাহা*

পাত্রে থেকে যাওয়া বাকী সামগ্রী ও ঘী হোম কুণ্ডে দিয়ে দিন ।

উঠে দাঁড়িয়ে হোমকুণ্ডের পরিক্রমা করুন এবং প্রার্থনা করুন ।

আপনার হোম পূর্ন হল ।

তবুও এটা প্রাক্টিকাল জিনিস গুরুর সামনে থেকে বসে একবার দেখে ভালো করে বুঝে নিন ।  


সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

ছত্তিশগড়ি গুঞ্চি বিদ্যা: छत्तीसगढ़ी गुंची विद्या

ছত্তিশগড়ি গুঞ্চি বিদ্যা:  छत्तीसगढ़ी गुंची विद्या এখানে " সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র " দ্বারা প্রদত্ত ছত্তিশগড়ি গুঞ্চ...