HTML Slides

Tuesday, April 27, 2021

সুরক্ষা চক্র

 

সুরক্ষা চক্র


আমরা সাধনা ক্ষেত্রে সুরক্ষা চক্রের বিষয়ে শুনেছি, আজ আমি চক্রের বিষয়ে কিছু তথ্য প্রদান করছি ।

এটা কি, এর আবশ্যক কি, এটা কিভাবে করতে হয় ।

তন্ত্র সাধনাতে কিছু উগ্র সাধনা আছে, তেমনি সৌম্য সাধনাও আছে যা কোনো বাঁধা ছাড়াই সিদ্ধ করা যায় ।

উগ্র সাধনাতে কোনো ভুলভ্রান্তি হলে আমাদের কখনও কখনও বিরাট মুশকিল ও সমস্যার সম্মুখীন হয়ে পড়তে হয় ।

সাধনাতে কোনো বিঘ্নের কারণে শক্তির কোপের শিকার হতে হয় ।

কিছু সাধনায় ভুলত্রুটির কারণে পাগল বা মৃত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

কিছুতে পরিবারের সদস্যের ক্ষতি বা প্রাণহানিও হতে পারে

তন্ত্রের ক্রিয়া উল্টো হয়ে আমাদের ক্ষতি হতে পারে ।

তাই এইসমস্ত প্রকার সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য সাধনা করার সময় একটা সুরক্ষা ঘেরা বানিয়ে সাধনাতে বসি । এই ঘেরাকেই সুরক্ষা চক্র বলা হয় ।

যা কোনো ভুলত্রুটির পরেও আমাদের সব কিছু থেকে রক্ষা করে ।

কি করে লাগানো হয় এই সুরক্ষা চক্র ।

যখন আমরা সাধনা করতে বসি তখন সর্ব্বপ্রথম নিজের আসনের চতুর্দিকে চাকুর সাহায্যে একটা গোল ঘেরা টেনে নিতে হবে এবং ঘেরা টানার সময় নিজের কোনো সুরক্ষা মন্ত্রের জপ করে তা করতে হবে যেই মন্ত্র আগে থেকেই সিদ্ধ করে রাখা আছে ।

আপনি কোনো রক্ষা স্তোত্রের পাঠও করতে পারেন ।

কোনো কবচ পড়তে পড়তেও ঘেরা বানাতে পারেন ।

কিছু না হলে নিজের গুরুমন্ত্র জপ করতে করতেও ঘেরা বানাতে পারেন ।

নিজের ইষ্ট মন্ত্র দ্বারাও দাগ টানতে পারেন ।

ঘেরা চাকু দিয়ে, লোহার ছুঁচালো কোনো বস্তু দিয়েও টানতে পারেন ।

নিজের চতুর্দিকে জল দিতেও ঘেরা বানাতে পারেন ।

মন্ত্র পড়তে পড়তে ভস্ম বা ছাই দিয়েও ঘেরা বানাতে পারেন ।

কিছু সাধনাতে সিন্দুর দ্বারাও ঘেরা বানানো হয় ।

যা কিছুই হোক সাধনার সময় সর্বদা ঘেরা বানিয়ে বসে পুজা পাঠ জপ ইত্যাদি শুরু করুন ।

কোনো সাধনাতে ভীষণ ভয়ানক অনুভব হয় ।

তো ঐসব উপদ্রব ঘেরার বাইরে হবে ঘেরার ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে না ।

শ্মশানে সাধনা করার সময় অবশ্যই ঘেরা বানিয়ে বসুন ।

ভুত প্রেত ভীষণ উপদ্রবী হয় যা সাধকের সাধনা করার সময় জিনিসপত্র উঠিয়ে নিয়ে চলে যায় আর ভীষণ রকমের বিরক্ত করে ।

তাই এদের সাধনা চাইলে ঘরে করুন বা বাইরে কিন্তু সর্বদা সুরক্ষা চক্র বানিয়েই বসুন ।

কিছু সাধনাতে মল মূত্রের বর্ষা হয় ।

কিছুতে আগুনের গোলার আবার কিছুতে কাটা মানুষের টুকরো বর্ষা হয় ।

তো যদি সাধক ঘেরা না লাগায় তো বড় রকমের ক্ষতি করে বসে ।

তাই সর্বদা সুরক্ষা চক্র বানিয়েই সাধনাতে বসুন ।

আর হ্যাঁ সব থেকে জরুরি কথা হল চাইলে যে সাধনা প্রথম থেকেই সিদ্ধ করে রাখা আছে চাইলে নিজের ইষ্ট বা অন্য কেউ হোক সর্বদা সুরক্ষা চক্রের ভেতরে রেখেই সাধনা করতে বসুন ।

আর যা কিছুই হয়ে যাক সাধনার মধ্যে আসন থেকে উঠে দাঁড়ানো যাবে না ।

সাধনা পূর্ণ না হওয়া অবধি ভুলেও ঘেরার বাইরে যাওয়া যাবে না ।

সাধক যদি এমন করে তাহলে তাকে বিরাট ক্ষতির মুখে পড়তে হবে ।

সাধনার সময় যে ঘেরা আপনি বানিয়েছেন তার ভেতরেই আপনি সত্য দেখতে পাবেন ।

ঘেরার বাইরের দুনিয়া আপনার জন্য অসত্য ।

ঘেরার বাইরে আপনার পরিবারের সদস্যের কাউকে প্রাণে মেরে ফেলা হচ্ছে এমন যা কিছুই দেখতে পান বা বিরাট বড় গাছ আপনার উপরে পড়তে দেখতে পান তবুও নিজের আসনের উপর পাথর হয়ে বসে থাকতে হবে আপনার কোনো কিছুই হবে না ।

যদি গুরু এবং শিষ্যের বিশ্বাস কাজে আসে, গুরু বলেছে যে ঘেরার ভেতর কোনো কিছুই হবে না তাহলে পরিপূর্ণ বিশ্বাস করে বসুন আপনার কোনো কিছুই হবে না ।

যদি গুরু কথা বিশ্বাস না করেই গাছ পড়তে দেখে আসন ছেড়ে দৌড় লাগান ঘেরার বাইরে যান হতে পারে সেটা আপনার শেষ দৌড় ।

হতে পারে ভয়ে মলের বেগ চলে আসুক বা আসনের উপর বসে বসেই প্রস্রাবও হয়ে যায় তাহলেও সাধনা খণ্ডিত হবে না কিন্তু তাও ভুল করেও সাধনা ছেড়ে বাইরে যাওয়া যাবে না ।

এইজন্য বলা আছে যে *যো ডর গ্যয়া সো মর গ্যয়া* ।

এইজন্য সাহস কম হলে বেশি উগ্র সাধনা করা উচিত নয় ।

যদি শ্মশান সাধনা, প্রেত সাধনা এইরকম উগ্র সাধনা করলে গুরুর সান্নিধ্যে গুরুর সাথে থাকা অবস্থায় করা উচিত ।

তো আপনার অবশ্যই বুঝতে পেরেছেন সুরক্ষা চক্র আমাদের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ ।

বাকি সব বিস্তারিত নিজের গুরুর থেকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন ।


সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

No comments:

Post a Comment

ছত্তিশগড়ি গুঞ্চি বিদ্যা: छत्तीसगढ़ी गुंची विद्या

ছত্তিশগড়ি গুঞ্চি বিদ্যা:  छत्तीसगढ़ी गुंची विद्या এখানে " সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র " দ্বারা প্রদত্ত ছত্তিশগড়ি গুঞ্চ...