HTML Slides

Wednesday, December 15, 2021

ষট-চক্র

 ষট-চক্র



●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

🔴মুলাধার চক্র–


গুহ ও মেঢ়ের অন্তরালে যােনিমণ্ডল—ইহাই কন্দ স্থান, ইহা পশ্চিমাভিমুখী। তাহারই মুলদেশে কুণ্ডলিনীশক্তি অধিষ্ঠিতা, সুষুম্নাকে সাড়ে তিন পাকে বেষ্টন করিয়া নাড়ী সমুহে বেষ্টিত হইয়া স্বীয় পুচ্ছদেশে সুষমার মুখে অর্থাৎ ব্রহ্ম রন্ধে নিবেশ করিয়া সুষুম্নারর বিবরে অবস্থান করিতেছেন। কুণ্ডলিনীশক্তি নাগরূপে নিদ্রিত আছেন। অপর একটি মুখ খােলা আছে, সেইটি দিয়া নিঃশ্বাস প্রশ্বাস বহে। এই মুখে তিনি সদা জাগ্রত। তাই জীবের বাহ্যজ্ঞান আছে ও বিভেদবােধ আছে। অন্তর্মুখবন্ধ থাকায় আত্মজ্ঞানের অভাবে একত্ববােধ নাই। ইনি বাক্ দেবী স্বরূপিনী ; কাঞ্চনবৎ প্রভাবশালিনী ;সত্ত্বরজস্তম গুণপ্রসবিনী বিষ্ণুশক্তি।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

সুবর্ণ চতুদ্দল পদ্ম ব, স, শ, ষ, এই মাতৃকাবর্ণ বিরাজিত। এই যােনি-

মণ্ডলে কামকলারূপ রক্তবর্ণ ত্রিকোণ মণ্ডল ও তন্মধ্যে রক্তবর্ণ কামবীজ ক্লীং ও কন্দর্প নামক রক্তবর্ণ স্থিরতর বায়ুর বসতি। এই বীজকে ধৌত সােনার ন্যায় বর্ণরূপে ধ্যান করিতে হয়। তাহার মধ্যে ঠিক ব্রহ্মনাড়ীর মুখে স্বয়ম্ভ-লিঙ্গ অধােমুখে আছেন। ইনি রক্তবর্ণ কোটি সূর্যের ন্যায় তেজোময় । এই কুলকুণ্ডলিনীর অভ্যন্তরে চিৎশক্তি অবস্থিত, তাই ইনি সকলেরই ইষ্টদেবী স্বরূপিনী। এবং মূলাধার চক্র মানবদেহের আধার স্বরূপ। সাধন ভজনের মুল এইখানে। তাই ইহাকে মুলাধার কহে। ইহার ধ্যানে গদ্য পন্য সিদ্ধি ও আরােগ্য ও দাদুবী সিদ্ধি লাভ হয়। অশ্রুতপূর্ব শাস্ত্র সরহস্য জ্ঞাত হন, ত্রিকালজ্ঞ ও সৰ্ব্ব কারণ।ভিজ্ঞ হন ও মনােজয় বিন্দুরণশক্তি ও বায় ধারণ ক্ষমতা জন্মে। ইহলােক ও পরলোক উভয়ে সিদ্ধি লাভ হয়। এইস্থানেই ব্রহ্মগ্রন্থি। সাধক এই গ্রন্থিভেদ করেন । এখানে ক্ষিতিতত্ত্ব, পৃথীবীজ—লং আছে। এই তত্ত্ব খুলিলে নানা প্রকার গন্ধ পাওয়া যায় । দেবতা ব্ৰহ্ম, শক্তি ডাকিনী ।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

🔴স্বাধিষ্ঠান—


পদ্ম—লিঙ্গমূলে যে দ্বিতীয় পদ্ম তাহাই স্বাধিষ্ঠান পদ্ম।

সুপ্রদীপ্ত ছয়টি দল বিশিষ্ট রক্তবর্ণ পদ্ম।

ব, ভ, য, র, ল, এই মাতৃকা বর্ণ ।

কর্ণিকা মধ্যে শ্বেতবর্ণ অদ্ধচন্দ্রাকার বরুণ মণ্ডল ও বরুণ বীজ রং।

রক্তপাণ্ডুর বাণলিঙ্গ। চতুভুজ বিষ্ণ, ক্রোড়ে চতুর্ভুজা গৌরবর্ণ রাকিনী শক্তি।

এই পদ্মধ্যানে অণিমাদি

সিদ্ধিলাভ হয়। মৃত্যুঞ্জয় হওয়া যায়। এখানে অপতত্ত্ব।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

🔴মণিপুর চক্র—


নাভিদেশে নবীন মেঘের বর্ণ দশদল পদ্ম।

দশদলে ড, ঢ, ণ, ত, থ, দ, ধ, ন, প, ফ মাতৃকা বর্ণ আছে। কর্ণিকা মধ্যে ত্রিকোণ বহ্নিমণ্ডল ও রক্তবর্ণ রং বহ্নিবীজ।

চারিহাত রক্তবর্ণ অগ্নিদেব মেযে আরূঢ়। তাহার ক্রোড়ে সিন্দুরবর্ণ—ব্যাঘ্রচর্ম আসীন—দুই হস্তে বর ও অভয়, ত্রিনয়ন পরিধানে ব্যাঘ্রচর্ম, ক্রোড়ে পীতবসনা, চতুর্ভুজ। সিন্দুরবর্ণা লাকিনী শক্তি।

ধ্যানে আরােগ্য ঐশ্বৰ্য্যলাভ ইত্যাদি ক্ষমতা লাভ হয়। এখানে তেজ তত্ত্ব।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

🔴অনাহত চক্র–


হৃদয়ে। কাঞ্চনবর্ণ। দ্বাদশদল পদ্ম। দলে ক, খ, গ, ঘ, ঙ,

চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, ট, ঠ, এই দ্বাদশ মাতৃকা বর্ণ আছে। বাণ ও পিনাকী লিঙ্গ, কাকিনী শক্তি।

এই পদ্ম মধ্যে ধুম্রবর্ণ বায়ুতত্ত্ব ও বায়বীজ যং। বায়, দেবতা কৃষ্ণসারে আসীন, চতুভুজ।

পদ্মের অধিপতি ঈশ্বান বা ঈশ্বর—শুভ্রবর্ণ, দুই হাত।

ক্রোড়ে কাকিনী শক্তি পীতবর্ণা, সালঙ্কারা, ত্রিনেত্রা, কঙ্কালমালা ধারিণী, চারি হাতে পাশ, কপাল বর ও অভয়। ঐ বাণ লিঙ্গের মস্তকে তেজোময় মণি অতিসূক্ষ্ম । তাহার মধ্যে নিবাত দীপ শিখাকার

শ্বেতর্ণ হংস বীজ প্রতিপাদ্য তেজবিশেষ আছে।

এই জীবের জীবাত্মা, এই অনাহত পদ্মে জীব সর্বদা হংস মন্ত্র জপ করেন । শব্দব্রহ্মরূপ ওঁ কার’ অনাহত ধ্বনি এইখানে শােনা যায় । পদ্ম ধ্যানে সৃষ্টি, স্থিতি, সংহার শক্তি, বাক্‌পতিত্ব, পরকায় প্রবেশ শক্তি ইত্যাদি লাভ হয়।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

🔴বিশুদ্ধ চক্র–


কণ্ঠে ঘােড়শ দল পদ্ম ধূম্রবর্ণ। ষােড়শ স্বরবর্ণ ষােড়শ দলে

আছে। শোন ফুলের বর্ণ বিশিষ্ট পদ্ম মধ্যে আকাশতত্ত্ব বৃত্তাকার আকাশ মণ্ডল আছে। কণিকা মধ্যে স্ফটিকের ন্যায় বর্ণের হং বীজ ও তৎ প্রতিপাদ্য আকাশ দেবতা শ্বেতহস্তীতে বসিয়া আছেন, চারি হতে পাশ, অঙ্কশ, বর অভয়। তাহার ক্রোড়ে পদ্মের অধিপতি সদাশিব, সদাশিবের দশহাত, পাঁচমুখ, প্রতিমুখে ত্রিনেত্র—ব্যাঘ্ৰ চৰ্ম পরিধানে, তাহার কোলে অর্ধাঙ্গিনী শাকিনী শক্তি চতুর্ভুজা পীতবসনা, রক্তবর্ণা—এই অর্ধনারীশ্বর মুর্ত্তি।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

বিশুদ্ধাখ্য–পদ্মের কর্ণিকা মধ্যে বিশুদ্ধ চন্দ্রমণ্ডল বিদ্যমান আছে।

শাকিনীশক্তি সর্বদা চন্দ্রমণ্ডল বিগলিত সুধাপানে পুলকিত। এই স্থানে মনস্থির হইলে সাধকের মন আকাশের ন্যায় বিশুদ্ধ হয়। এই জন্য ইহাকে বিশুদ্ধপদ্ম বলে। পদ্মধ্যানে জরামৃত্যু পাশ বিরহিত হয়। এই স্থান জনলােক, জালন্ধর পীঠ।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

🔴ললনাচক্র—


তালুমুলে রক্তবর্ণ দ্বাদশ দল বিশিষ্ট (কেহ বলেন ৬৪ দল)

পদ্মে অমৃতস্থলী আছে। এই চক্ৰধ্যানে উন্মাদ, জ্বর ও পিত্তাদি রােগ নষ্ট হয়।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

🔴আজ্ঞাচক্র বা মানসচক্ৰজ্ব–


যুগলের মধ্যস্থানে আজ্ঞাচক্র ও দ্বিদল পদ্ম

অবস্থিত। এখানে মনঃস্থির হইলে আজ্ঞা বা দৈববাণী লাভ হয়, তাই ইহাকে আজ্ঞাচক্র বলে। এখানে শ্বেতবর্ণ দ্বিদলে হং ক্ষং বর্ণ আছে। দুই দলে প্রবৃত্তি ও নিবৃত্তি নামক দুই বৃত্তি পদ্মের কর্ণিকামধ্যে শরচ্চন্দ্রের ন্যায় নির্মল শ্বেতবর্ণ। ত্রিকোণমণ্ডল যােনিরূপিণী ত্রিকোণের তিন কোণে।

রজঃ, তম এই তিন গুণ, ও এই তিন গুণ আশ্রয়ে ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিব আছেন। ত্রিকোণের মধ্যে শ্বেতবর্ণ চন্দ্ৰবীজ ঠং আছে। অধিপতি দেবতা জ্ঞানদাতা শিব। ইনি শ্বেতবর্ণ দ্বিভুজ ও ত্রিনেত্র। তাহার ক্রোড়ে বিদ্যামুদ্রা পাশ ও ডমরু ধারিণী চতুর্ভুজা হাকিনী শক্তি আছেন। আজ্ঞাচক্রের ধ্যানে যােগের চরম ফল নিৰ্ব্বাণ মুক্তি।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

অজ্ঞাচক্রের উপর ঈড়া পিঙ্গলা ও সুষুম্না মিলন স্থানকে ত্ৰিকুঠী বা

ত্রিবেণী সঙ্গম বলে। এই ত্রিবেণীর উদ্ধে’ সুষুম্নমুখের নিম্নে অৰ্দ্ধচন্দ্রাকার

মণ্ডল আছে। তাহার উপর তেজঃপুঞ্জ একটি বিন্দু, মন বা জ্ঞান তাহার উপরিভাগে দণ্ডাকার নাদ (শিবলিঙ্গ) ইহার বা গুরুচক্র উপর ত্রিকোণমণ্ডল শ্বেতবর্ণ, তন্মধ্যে শক্তিরূপা শিবাকারা হকারাদ্ধ আছে। এই স্থানে বায়ুর ক্রিয়া শেষ। ইহার অপর সত্ত্ব, নাম জ্ঞানচক্র। ওখানে জ্ঞান ও জ্ঞেয়স্বরূপ অন্তরাত্মা আছেন। পরমাত্মা

ইহার অধিষ্ঠাতা, ইচ্ছা তাহার শক্তি। প্রদীপ শিখারূপিণী অন্তঃজ্যোতিঃ

সুপীত সােণার বেণুর ন্যায় আছে। এই যে জ্যোতিঃদর্শন ইহা সাধকের

আত্মপ্রতিবিম্ব। এই পদ্মের ছয়টি দল : শব্দ, স্পর্শ, রূপ, রস, গন্ধ ও স্বপ্ন এই ছয়টি বৃতি। দলগুলি সাদা, লাল, হলদে ইত্যাদি বর্ণের।

মন এই ছয়টী দলের যখন যে দলে ঘােরে তখন সত্ত্ব বা রজঃ বা তমঃ ভাবের উদয় হয়।

ব্ৰহ্মরন্ধ্রে অষ্টদল বা শতদল গুরুচক্র শ্বেতবর্ণ। এই পদ্মের কর্ণিকায় ত্রিকোণমণ্ডল হ, ল, ক্ষ, এই তিন বর্ণ। ইহার তিনদিকে সমুদায় মাতৃকাবর্ণ আছে। এই মণ্ডলই যােনিপীঠ বা শক্তিপীঠ।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

এই শক্তিমণ্ডলমধ্যে

তেজোময়, কামকলা বিরাজমান। বীজ ঐং তাহার পাশ্বে গুরুদেব, হংস পাদপীঠে গুরু-পাদুকা, হংসের দুই পক্ষ আগম-নিগম; চরণ দুটি শিব- শক্তিময়। চঞ্চুপুট প্রণব, নেত্র ও কণ্ঠ কামকলারূপ। গুরুদেব শ্বেতবর্ণ কোটিসূর্যসদৃশ তেজঃপুঞ্জ ; দুই হাতে বরাভয়।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

শ্বেতমালা, শ্বেতগন্ধ, শ্বেত

বস্তু, হাস্যবদন, করুণদৃষ্টি। তাহার বামক্রোড়ে রক্তবসনা, সৰ্বালঙ্কারা,

অরুণ রক্তবর্ণা গুরুপত্নী। তাহার বামকরে পদ্ম, দক্ষিণ করে শ্রীগুরু কলের বেষ্টন করিয়া আছেন । এই গুরু অখণ্ড মণ্ডলাকার চরাচর ব্যাপ্ত করিয়া আছেন। ইনি সকলের গুরু। এই গুরুপদ্ম ধ্যানে সর্বসিদ্ধি ও দিব্যজ্ঞান লাভ হয়।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

🔴সহস্রার—


এই গুরুচক্রের উর্দ্ধে নিরালম্বপুরী বা শূন্যস্থান। এখানেই

ঈশ্বরের সাক্ষাৎ লাভ হয়। ইহার পরেই, সহস্রার পদ্ম, ব্ৰহ্মরন্ধ্রের উপর মহাশূন্যে শ্বেতবর্ণ সহস্রদল পদ্ম বিরাজিত চারিদিকে পঞ্চাশদল উপযুপরি স্তবকে সজ্জিত। প্রত্যেক স্তরে পঞ্চাশদলে ৫০ টি মাতৃকাবর্ণ। কর্ণিকার মধ্যে ত্রিকোণ চন্দ্রমণ্ডল বা শক্তিমণ্ডল তিন কোণে হ, ল, ক্ষ,

বর্ণ আছে ও তিন দিকে সমস্ত স্বর ও ব্যঞ্জনবর্ণ আছে। এই শক্তিমণ্ডলমধ্যে তেজোময় বিসৰ্গাকার মণ্ডল।

তাহার উপর মধ্যাহ্নকালীন কোটি সূৰ্য্যসদৃশ তেজপুঞ্জঃ আর একটী বিন্দু- তাহা বিশুদ্ধ স্ফটিকসদৃশ শ্বেতবর্ণ। এই বিন্দুই পরমশিব নামে জগৎ উৎপত্তি ও নাশ করেন—ইনি পরমেশ্বর, ইনিই অজ্ঞান তিমির নাশকারী পরমাত্মা। ইহাকেই সাধনবলে প্রত্যক্ষ করাকেই ব্ৰহ্মসাক্ষাৎকার বলে।

অ হইতে বিসগান্ত ঘােড়শবর্ণযুক্ত ব্ৰহ্মরেখা প্রজাপতি, ককারাদি তকারান্ত ষােড়শবর্ণযুক্ত পরাৎপর বিষ্ণরেখা থকারাদি সকারান্ত ষােড়শবর্ণযুক্ত শিবরেখা, সত্ত্ব, রজঃ তমযুক্ত রেখায় বিন্দুত্ৰয় হইতে উদ্ভূতা হইয়া যােনি

আকারে ভূষিতা।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

এই বিন্দুত্রয় ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বরাত্মক পরমতত্ত্ব, ত্রিকোণ বিতত্ত্ব হইতে উৎপন্ন । উক্ত ত্রিকোণের মধ্যে মহাশূন্য অবকাশ গুণাতীত। পরমাপ্রকৃতি। আপন আপন সম্প্রদায়ের গুণাতীত জগদগুরু এই পরাপ্রকৃতির অধীশ্বর হইয়া তথায় বিরাজ করিতেছেন।

●▬▬🔱•''''•🕉️•""•🔱▬▬●

পরমশিব ঐ বিন্দু সতত গলিত সুধাস্বরূপ। ইহারই মধ্যে সমস্ত সুধার আধার গােমূত্রবর্ণা অমা নামক কলা আছে। ইনিই আনন্দ ভৈরবী। ইহার মধ্যে অদ্ধচন্দ্রাকার নির্বাণ কামকলা আছেন। এই নির্বাণ কাম কলাই সকলের ইষ্টদেবতা, তাহার মধ্যেই পরম নিৰ্বাণশক্তি আছেন। তাহার পর নিরাকার মহাশূন্য। এই মহাশূন্য নিৰ্বাণতত্বে দিবারাত্র নাই ; তম ও প্রকাশভাব নাই ; আকাশ, বায়ু, অগ্নি, জল, পৃথী পঞ্চতত্ত্ব নাই। সুতরাং তত্ত্বসমূহ হইতে উৎপন্ন ইন্দ্রিয়বর্গের ও বুদ্ধির ও অগােচরের প্রাধানিক

ব্রহ্মস্বরূপ পরমপুরুষ বর্তমান আছেন। নির্বাণ শক্তির অধীশ্বর এই পরমপুরুষ হইতে শ্রেষ্ঠ কিছু নাই—ইনিই চরম সীমা ও পরমগতি। ইহাতে জ্ঞান হইলে জীব সংসার বন্ধন হইতে মুক্ত হয় ও অমৃতস্বরূপত্ব নিৰ্বার্ণ মােক্ষ প্রাপ্ত হয়। শৈবগণ এই নিৰ্বাণপদকে শিবপদ, কৃষ্ণভক্ত বৈষ্ণবগণ শ্রীহরির পরমপদ, ভগবতীর শ্রীচরণসেবী সুরসিক শাক্তগণ দেবীর পদ, সাংখ্যবাদিগণ প্রকৃতি পুরুষ স্থান বলেন। এই স্থানে উপলব্ধি হইলে যােগীর পরিচ্ছিন্ন দেহভ্রান্তি দূর হইয়া বিশ্বসংসারই নিজ দেহরূপ মনে করেন ও আত্মানন্দ ও অমৃতের যুগপৎ অভেদ জ্ঞানের পূর্ণতায় পূর্ণানন্দময় হয়েন।



সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র

https://supratimtantrashaktisadhanakendra.blogspot.com

দীক্ষার জন্য সম্পর্ক করুন 

Contact: 7980327001 / 9804582218

No comments:

Post a Comment

ছত্তিশগড়ি গুঞ্চি বিদ্যা: छत्तीसगढ़ी गुंची विद्या

ছত্তিশগড়ি গুঞ্চি বিদ্যা:  छत्तीसगढ़ी गुंची विद्या এখানে " সুপ্রতিম তন্ত্র শক্তি সাধনা কেন্দ্র " দ্বারা প্রদত্ত ছত্তিশগড়ি গুঞ্চ...